ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
পুতিন: ইউরোপের সঙ্গে সংঘাতের কোনো কারণ নেই রাশিয়ার
ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়া ইউরোপীয় দেশগুলোর জন্য কোনো হুমকি নয় এবং তাদের হুমকি দেওয়ারও কোনো ইচ্ছা তাঁদের নেই। তিনি বলেন, কেউ যেন বিবেচনাই করছে না যে ইউরোপের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর কোনো কারণ রাশিয়ার নেই।
পুতিনের ভাষ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সব মূল বিষয় নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছিল, আর সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর যা কিছু ঘটেছে, তা সোভিয়েত-উত্তরসূরি হিসেবে রাশিয়ার সম্মতিতেই হয়েছিল। তাঁর মতে, সেই বোঝাপড়ার বিপরীতে যা কিছু ঘটে, তা রাশিয়ার স্বার্থের পরিপন্থী এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
একই সঙ্গে ইউক্রেন প্রসঙ্গে ইউরোপের প্রতি কড়া বার্তাও দেন পুতিন।
তিনি বলেন, ইউক্রেনের ভূখণ্ডে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েন করা হলে তা রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় নেতারা রাশিয়ার কাল্পনিক হুমকি দেখিয়ে নিজেদের জনগণের মধ্যে ভীতি ছড়াচ্ছেন। এর আগে গত শুক্রবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন পুতিন, যেখানে দুই নেতা বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। এটি ছিল গত দুই সপ্তাহে দুই নেতার দ্বিতীয় বৈঠক—এর আগে গত ৩১ আগস্ট বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের সময়ও তাঁরা সাক্ষাৎ করেছিলেন। ব্রিকস বিজনেস ফোরামে বক্তব্যে পুতিন বলেন, বিশ্ব এখন গভীর ও কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, এবং জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখতে রাশিয়া
প্রস্তুত। তিনি পর্যটন, শিল্প ও বাণিজ্য খাতে নতুন উদ্যোগের প্রতি রাশিয়ার আগ্রহের কথাও জানান। ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিম এশিয়ার সংকটের প্রেক্ষাপটে পুতিনের এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইউরোপের কিছু দেশ ভবিষ্যৎ শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইউক্রেনে সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে—যদিও বাস্তবে এখনো এমন কোনো মোতায়েন ঘটেনি।
তিনি বলেন, ইউক্রেনের ভূখণ্ডে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েন করা হলে তা রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় নেতারা রাশিয়ার কাল্পনিক হুমকি দেখিয়ে নিজেদের জনগণের মধ্যে ভীতি ছড়াচ্ছেন। এর আগে গত শুক্রবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন পুতিন, যেখানে দুই নেতা বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। এটি ছিল গত দুই সপ্তাহে দুই নেতার দ্বিতীয় বৈঠক—এর আগে গত ৩১ আগস্ট বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের সময়ও তাঁরা সাক্ষাৎ করেছিলেন। ব্রিকস বিজনেস ফোরামে বক্তব্যে পুতিন বলেন, বিশ্ব এখন গভীর ও কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, এবং জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখতে রাশিয়া
প্রস্তুত। তিনি পর্যটন, শিল্প ও বাণিজ্য খাতে নতুন উদ্যোগের প্রতি রাশিয়ার আগ্রহের কথাও জানান। ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিম এশিয়ার সংকটের প্রেক্ষাপটে পুতিনের এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ইউরোপের কিছু দেশ ভবিষ্যৎ শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইউক্রেনে সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে—যদিও বাস্তবে এখনো এমন কোনো মোতায়েন ঘটেনি।





