ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার
ডলারের দরপতনে প্রভাব স্বর্ণের দামে
যুক্তরাষ্ট্রে জুলাইয়ে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ১১ শতাংশ
স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল কত
বাংলাদেশি ক্রেতাদের পাশে যুক্তরাজ্য, মিলবে ২০০ কোটি পাউন্ড পর্যন্ত সহায়তা
ভুয়া সফটওয়্যারে শেয়ারবাজার থেকে ৬৫০ কোটি টাকার মহালুট! ৪৫ হাজার বিনিয়োগকারীর আমানত লুটে উধাও ৭ হাউজ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল, দেশে আরও বাড়বে
বিশ্ববাজারের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি ক্রয়
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহে স্পট মার্কেটের টেন্ডারে পেট্রোবাংলা তিনটি কার্গো ক্রয় করেছে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা দিয়ে। স্পট মার্কেটের টেন্ডারে জাপান কোরিয়া মার্কার অর্থাৎ জেকেএম ফর্মুলায় ওই টেন্ডার আহ্বান করা হয়। কিন্তু তিনটি কার্গোতে জেকেএম মূল্যায়ন পদ্বতির চেয়ে কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা বেশি দিয়ে এলএনজি কিনতে হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র থেকে জানা গেছে। এ প্রেক্ষাপটে সরকার স্পট মার্কেট ব্যতিরেকে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ এবং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় কমপক্ষে ২০টি কার্গো ক্রয়ের চেষ্টা করছে পেট্রোবাংলা এবং জ্বালানি বিভাগ।
সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এলএনজি সরবরাহ ব্যবসা এখন বিলিয়ন
ডলারের ব্যবসা। একটি সিন্ডিকেট এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে বলে ধারণা সরকারের। তাই সরকারের সিদ্ধান্ত হচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কোম্পানিকে অনুরোধ করে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি কিনতে হবে। যদি এ চুক্তির আওতায় পাওয়া না যায়, তখন স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হবে। এ ব্যাপারে মন্তব্য নিতে বারবার চেষ্টা করেও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে। এ যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এর শেষ কোথায় কেউ জানে না। যুদ্ধের কারণে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার, ওমান এবং মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি তাদের প্রতিশ্রুত এলএনজি সরবরাহ স্থগিত করেছে। তাই এখন স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশ। জ্বালানি
বিভাগ মনে করে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তত এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তত ২৫-৩০টি কার্গো এলএনজির দরকার। সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ইতোমধ্যে ৯টি কার্গোর ব্যবস্থা হয়েছে। অক্টোবরের জন্য ইতোমধ্যেই দীর্ঘ এবং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় চারটি কার্গো পাওয়া যাবে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা। এ চারটির মধ্যে মার্কিন কোম্পানি গানভোরকে ২টি কার্গো দিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ২০২৮ সাল পর্যন্ত গানভোর জেকেএম প্রাইস এবং প্রতি ইউনিটে ৮ সেন্ট করে এলএনজির দাম পাবে গানভোর। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্পটে বেশি দামে এলএনজি ক্রয় নিয়ে ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চ মহল থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী
গত শুক্রবার জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। এরপর জাপানের জেরা, কোরিয়ার পসকো, ইন্দোনেশিয়ার পারটার্মিনা, সৌদি আরবের আরামকোসহ বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাদের বলা হয়েছে স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় জেকেএম সূচকের চেয়ে কম দামে এলএনজি সরবরাহ করলে দ্রুত বিল পরিশোধসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় এখনো পর্যন্ত কোনো কোম্পানি আগামী তিন মাসে এলএনজি সরবরাহ করতে রাজি হয়নি। গত সপ্তাহে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি আগামী ১০-১১ সেপ্টেম্বর সরবরাহ দিতে স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের আরামকোর কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি ক্রয় করে। ওই এলএনজির মূল্য ছিল প্রতি ইউনিট ২৩ দশমিক ৯৮ ডলার।
কিন্তু ওই সময়ে জেকেএম প্রাইস ছিল ২৪ দশমিক ০৭৬ ডলার। বেশি দামে এলএনজি কিনছে বাংলাদেশ : স্বল্পমেয়াদি চুক্তির কারণে গত সপ্তাহে আরামকোর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সূচক জেকেএম পদ্ধতি থেকে কিছুটা হলেও কম দামে এলএনজি কিনতে পেরেছে। কিন্তু স্পট মার্কেটে টেন্ডার করলেই হচ্ছে তার উলটো। এই মার্কেট থেকে আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি-আরপিজিসিএল ২৫-২৬ সেপ্টেম্বর, ১-২ অক্টোবর এবং ৫-৬ অক্টোবরে মোট তিনটি কার্গো সরবরাহ দিতে টেন্ডার ডাকা হয়। এই তিনটি কার্গো জেকেএম থেকে বেশি দামে কিনতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ২৫-২৬ সেপ্টেম্বরের জন্য স্পট মাকের্টের টেন্ডারে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর। তার দর ছিল
প্রতি ইউনিট ২৭ দশমিক ৫৪ ডলার। অথচ তখন জেকেএম মূল্য ছিল সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ০৯ ডলার। এই এক কার্গোতে সরকারকে বেশি দিতে হয়েছে ৯০ লাখ ডলারের বেশি। ২৫-২৬ সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল বিপি সিঙ্গাপুর। তার দর ছিল ২৮ দশমিক ০৩ ডলার। তখন জেকেএম। এতে মূল্য ছিল ২৫ ডলারের মতো। এ কার্গোতে বেশি দিতে হয়েছে ৯০ লাখ ডলারের মতো। ৫-৬ অক্টোবর সরবরাহ দিতে সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল বিটল ইশয়া লিমিটেড। তাদের দর ছিল ২৬ দশমিক ৬৬৮৮ ডলার। এ সময়ে জেকেএম প্রাইস হচ্ছে ২৫ ডলারের মতো। এ কার্গোতেও কয়েক লাখ ডলার বেশি দিতে হয়েছে সরকারকে। আরপিজিসিএল জানিয়েছে, গত সপ্তাহে যখন স্পটে তিনটি কার্গোর
জন্য টেন্ডার করা হয়েছে তখন প্ল্যাটস এবং জেকেএম দর ছিল ২২ দশমিক ৮২ ডলার থেকে ২৪ দশমিক ৬১ ডলার। সেই হিসাবেও গেল সপ্তাহে বেশি দামে এলএনজি কিনেছে সরকার। কেন বেশি দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে তার একটি ব্যাখ্যা আরপিজিসিএল এবং পেট্রোবাংলা থেকে জ্বালানি বিভাগকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে এলএনজি বাজার অস্থির। ৯-১০ ডলারের এলএনজি এখন ২০ ডলারের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারে। তাই বেশি দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, পেট্রোবাংলার এলএনজির সীমাবদ্ধতা। আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির গড় হিটিং ভ্যালু (জিএইচভি) হচ্ছে ১০৯০-১১১৮ বিটিইউ প্রতি স্ট্যান্ডার্ড ঘনফুটে (এসসিএফ)। যার মধ্যে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ ৯৭ থেকে ৮৪ শতাংশ। কিন্তু দেশে উৎপাদিত গ্যাসের সঙ্গে জাতীয় গ্রিডে মেশাতে হয় আমদানি করা এলএনজিকে। তাই গড় হিটিং ভ্যালু ১০১০-১১০০ রাখতে হচ্ছে। এতে মিথেনের পরিমাণ থাকছে ৯১ শতাংশের বেশি। পেট্রোবাংলার এ সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক কোম্পানি এলএনজি দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তৃতীয় হচ্ছে স্পট মার্কেটে একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে সরবরাহ দিতে টেন্ডার করা হয়। এতে করে এলএনজির দাম বাড়তি পড়ে যাচ্ছে। অল্প সময়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কোম্পানি চাইলেও টেন্ডারে অংশ নিতে পারছে না।
ডলারের ব্যবসা। একটি সিন্ডিকেট এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে বলে ধারণা সরকারের। তাই সরকারের সিদ্ধান্ত হচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কোম্পানিকে অনুরোধ করে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি কিনতে হবে। যদি এ চুক্তির আওতায় পাওয়া না যায়, তখন স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হবে। এ ব্যাপারে মন্তব্য নিতে বারবার চেষ্টা করেও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে। এ যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এর শেষ কোথায় কেউ জানে না। যুদ্ধের কারণে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার, ওমান এবং মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি তাদের প্রতিশ্রুত এলএনজি সরবরাহ স্থগিত করেছে। তাই এখন স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশ। জ্বালানি
বিভাগ মনে করে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তত এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তত ২৫-৩০টি কার্গো এলএনজির দরকার। সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ইতোমধ্যে ৯টি কার্গোর ব্যবস্থা হয়েছে। অক্টোবরের জন্য ইতোমধ্যেই দীর্ঘ এবং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় চারটি কার্গো পাওয়া যাবে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা। এ চারটির মধ্যে মার্কিন কোম্পানি গানভোরকে ২টি কার্গো দিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ২০২৮ সাল পর্যন্ত গানভোর জেকেএম প্রাইস এবং প্রতি ইউনিটে ৮ সেন্ট করে এলএনজির দাম পাবে গানভোর। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্পটে বেশি দামে এলএনজি ক্রয় নিয়ে ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চ মহল থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী
গত শুক্রবার জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। এরপর জাপানের জেরা, কোরিয়ার পসকো, ইন্দোনেশিয়ার পারটার্মিনা, সৌদি আরবের আরামকোসহ বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাদের বলা হয়েছে স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় জেকেএম সূচকের চেয়ে কম দামে এলএনজি সরবরাহ করলে দ্রুত বিল পরিশোধসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় এখনো পর্যন্ত কোনো কোম্পানি আগামী তিন মাসে এলএনজি সরবরাহ করতে রাজি হয়নি। গত সপ্তাহে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি আগামী ১০-১১ সেপ্টেম্বর সরবরাহ দিতে স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের আরামকোর কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি ক্রয় করে। ওই এলএনজির মূল্য ছিল প্রতি ইউনিট ২৩ দশমিক ৯৮ ডলার।
কিন্তু ওই সময়ে জেকেএম প্রাইস ছিল ২৪ দশমিক ০৭৬ ডলার। বেশি দামে এলএনজি কিনছে বাংলাদেশ : স্বল্পমেয়াদি চুক্তির কারণে গত সপ্তাহে আরামকোর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সূচক জেকেএম পদ্ধতি থেকে কিছুটা হলেও কম দামে এলএনজি কিনতে পেরেছে। কিন্তু স্পট মার্কেটে টেন্ডার করলেই হচ্ছে তার উলটো। এই মার্কেট থেকে আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি-আরপিজিসিএল ২৫-২৬ সেপ্টেম্বর, ১-২ অক্টোবর এবং ৫-৬ অক্টোবরে মোট তিনটি কার্গো সরবরাহ দিতে টেন্ডার ডাকা হয়। এই তিনটি কার্গো জেকেএম থেকে বেশি দামে কিনতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ২৫-২৬ সেপ্টেম্বরের জন্য স্পট মাকের্টের টেন্ডারে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর। তার দর ছিল
প্রতি ইউনিট ২৭ দশমিক ৫৪ ডলার। অথচ তখন জেকেএম মূল্য ছিল সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ০৯ ডলার। এই এক কার্গোতে সরকারকে বেশি দিতে হয়েছে ৯০ লাখ ডলারের বেশি। ২৫-২৬ সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল বিপি সিঙ্গাপুর। তার দর ছিল ২৮ দশমিক ০৩ ডলার। তখন জেকেএম। এতে মূল্য ছিল ২৫ ডলারের মতো। এ কার্গোতে বেশি দিতে হয়েছে ৯০ লাখ ডলারের মতো। ৫-৬ অক্টোবর সরবরাহ দিতে সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল বিটল ইশয়া লিমিটেড। তাদের দর ছিল ২৬ দশমিক ৬৬৮৮ ডলার। এ সময়ে জেকেএম প্রাইস হচ্ছে ২৫ ডলারের মতো। এ কার্গোতেও কয়েক লাখ ডলার বেশি দিতে হয়েছে সরকারকে। আরপিজিসিএল জানিয়েছে, গত সপ্তাহে যখন স্পটে তিনটি কার্গোর
জন্য টেন্ডার করা হয়েছে তখন প্ল্যাটস এবং জেকেএম দর ছিল ২২ দশমিক ৮২ ডলার থেকে ২৪ দশমিক ৬১ ডলার। সেই হিসাবেও গেল সপ্তাহে বেশি দামে এলএনজি কিনেছে সরকার। কেন বেশি দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে তার একটি ব্যাখ্যা আরপিজিসিএল এবং পেট্রোবাংলা থেকে জ্বালানি বিভাগকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে এলএনজি বাজার অস্থির। ৯-১০ ডলারের এলএনজি এখন ২০ ডলারের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারে। তাই বেশি দামে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, পেট্রোবাংলার এলএনজির সীমাবদ্ধতা। আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির গড় হিটিং ভ্যালু (জিএইচভি) হচ্ছে ১০৯০-১১১৮ বিটিইউ প্রতি স্ট্যান্ডার্ড ঘনফুটে (এসসিএফ)। যার মধ্যে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ ৯৭ থেকে ৮৪ শতাংশ। কিন্তু দেশে উৎপাদিত গ্যাসের সঙ্গে জাতীয় গ্রিডে মেশাতে হয় আমদানি করা এলএনজিকে। তাই গড় হিটিং ভ্যালু ১০১০-১১০০ রাখতে হচ্ছে। এতে মিথেনের পরিমাণ থাকছে ৯১ শতাংশের বেশি। পেট্রোবাংলার এ সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক কোম্পানি এলএনজি দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তৃতীয় হচ্ছে স্পট মার্কেটে একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে সরবরাহ দিতে টেন্ডার করা হয়। এতে করে এলএনজির দাম বাড়তি পড়ে যাচ্ছে। অল্প সময়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কোম্পানি চাইলেও টেন্ডারে অংশ নিতে পারছে না।



