ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রে জি২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা বাদ: কানাডার ওয়াকআউট, ইউরোপের ক্ষোভে বিতর্কিত আয়োজন
লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: রাশিয়াকে দায়ী করে কড়া পদক্ষেপ জার্মানির
নবীর শহর মদিনায় খেজুরের বিশাল সাম্রাজ্য
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করল নেপাল
ইরানে গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ
হরমুজ প্রণালির নাম নিজের নামে রাখতে চান ট্রাম্প
পাকিস্তানে আটক সেই পাইলট ছাড়লেন ভারতীয় বিমানবাহিনী
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ব্যার্থ ট্রাম্পের বিশেষ দূত উইটকফঃ রাজধানীতে হমলা বন্ধে সম্মতি; চূড়ান্ত সমাধান এখনো অধরা
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার সহযোগী জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি মস্কো ও কিয়েভ সফর করেছেন, যা প্রায় আট মাস ধরে থমকে থাকা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় নতুন গতি সঞ্চারের একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে দুই দফা বৈঠকেই কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি, যদিও উভয় পক্ষ আলোচনাকে “গঠনমূলক” বলে অভিহিত করেছে।
মস্কোতে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক
গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ক্রেমলিনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক করেন উইটকফ ও কুশনার। যদিও এই বৈঠক থেকে কোনো বড় ধরনের অগ্রগতির ঘোষণা আসেনি, তবে পুতিনের পররাষ্ট্র নীতি উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ বৈঠকটিকে গঠনমূলক ও উপযোগী
বলে বর্ণনা করেছেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, উভয় পক্ষ পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে, যা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা করা হবে। বৈঠকের শুরুতে পুতিন আলোচনার জটিলতা স্বীকার করে ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা পৌঁছে দিতে অনুরোধ করেন। তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ নতুন কোনো প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে অস্বীকৃতি জানান। কিয়েভে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক মস্কো সফরের পরদিন রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) উইটকফ ও কুশনার প্রথমবারের মতো যুদ্ধ শুরুর পর কিয়েভ সফর করেন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন। রুশ হামলার শঙ্কায় বিমানপথে না গিয়ে তারা পোল্যান্ড হয়ে রেলপথে কিয়েভে পৌঁছান। এ বৈঠক দুই দফায়
অনুষ্ঠিত হয়, এরপর যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয় দফা আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে উইটকফ আলোচনাকে “অর্থবহ” ও “বিস্তারিত” বলে অভিহিত করেন এবং জানান, তারা অগ্রগতিতে “উৎসাহিত”। কুশনার বলেন, তারা এমন একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চান যা ইউক্রেনকে তার পূর্ণ সম্ভাবনা অনুযায়ী গড়ে উঠতে সহায়তা করবে। তবে বৈঠক শেষে জেলেনস্কি স্পষ্ট করে বলেন, শীতকালেও যুদ্ধ চলার আশঙ্কা রয়েছে এবং এক্ষেত্রে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের সহায়তার ওপর নির্ভর করছেন। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের মার্কিন অংশীদারদের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে চাই, এবং শীতে যুদ্ধ চললে ইউরোপীয় মিত্রদের সহায়তার ওপর নির্ভর করছি — বর্তমান পরিস্থিতি সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।” যুদ্ধবিরতির আংশিক
পদক্ষেপ দুই পক্ষের সফর নিরাপদ করতে সাময়িকভাবে একে অপরের রাজধানীতে বিমান হামলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় রাশিয়া ও ইউক্রেন। পুতিন কিয়েভে তিন দিনের জন্য হামলা বন্ধের নির্দেশ দেন, আর জেলেনস্কি মস্কোয় পাল্টা হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দেন। তবে এটি কোনো ব্যাপক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং সাময়িক একটি বিরতি মাত্র। মূল প্রতিবন্ধকতা এখনো ভূখণ্ড প্রশ্নে আলোচনার মূল অন্তরায় হিসেবে রয়ে গেছে ভূখণ্ডগত ছাড়ের বিষয়টি। পুতিন দনবাস ও ক্রিমিয়া নিয়ে তার দাবিতে অনড় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা কিয়েভের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও “মর্যাদাপূর্ণ যুদ্ধোত্তর শান্তি”র বিষয়েও জেলেনস্কি জোর দিয়েছেন। পরবর্তী পদক্ষেপ জেলেনস্কি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ইউক্রেন শিগগিরই ফের বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে রাশিয়া ও ইউক্রেনকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরুর চেষ্টা চলছে। উইটকফ বলেন, “উভয় পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগাযোগ না থাকলে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানোর সম্ভাবনা খুবই কম।” প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলমান এই সংঘাত অবসানে ট্রাম্প প্রশাসনের এই সর্বশেষ প্রচেষ্টা এখনো কার্যকর কোনো ফলাফল না দিলেও, দুই পক্ষের সরাসরি বৈঠক আবার শুরু হওয়াকে কূটনৈতিক অগ্রগতির একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বলে বর্ণনা করেছেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, উভয় পক্ষ পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে, যা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা করা হবে। বৈঠকের শুরুতে পুতিন আলোচনার জটিলতা স্বীকার করে ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা পৌঁছে দিতে অনুরোধ করেন। তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ নতুন কোনো প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে অস্বীকৃতি জানান। কিয়েভে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক মস্কো সফরের পরদিন রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) উইটকফ ও কুশনার প্রথমবারের মতো যুদ্ধ শুরুর পর কিয়েভ সফর করেন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন। রুশ হামলার শঙ্কায় বিমানপথে না গিয়ে তারা পোল্যান্ড হয়ে রেলপথে কিয়েভে পৌঁছান। এ বৈঠক দুই দফায়
অনুষ্ঠিত হয়, এরপর যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয় দফা আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে উইটকফ আলোচনাকে “অর্থবহ” ও “বিস্তারিত” বলে অভিহিত করেন এবং জানান, তারা অগ্রগতিতে “উৎসাহিত”। কুশনার বলেন, তারা এমন একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চান যা ইউক্রেনকে তার পূর্ণ সম্ভাবনা অনুযায়ী গড়ে উঠতে সহায়তা করবে। তবে বৈঠক শেষে জেলেনস্কি স্পষ্ট করে বলেন, শীতকালেও যুদ্ধ চলার আশঙ্কা রয়েছে এবং এক্ষেত্রে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের সহায়তার ওপর নির্ভর করছেন। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের মার্কিন অংশীদারদের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে চাই, এবং শীতে যুদ্ধ চললে ইউরোপীয় মিত্রদের সহায়তার ওপর নির্ভর করছি — বর্তমান পরিস্থিতি সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।” যুদ্ধবিরতির আংশিক
পদক্ষেপ দুই পক্ষের সফর নিরাপদ করতে সাময়িকভাবে একে অপরের রাজধানীতে বিমান হামলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় রাশিয়া ও ইউক্রেন। পুতিন কিয়েভে তিন দিনের জন্য হামলা বন্ধের নির্দেশ দেন, আর জেলেনস্কি মস্কোয় পাল্টা হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দেন। তবে এটি কোনো ব্যাপক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং সাময়িক একটি বিরতি মাত্র। মূল প্রতিবন্ধকতা এখনো ভূখণ্ড প্রশ্নে আলোচনার মূল অন্তরায় হিসেবে রয়ে গেছে ভূখণ্ডগত ছাড়ের বিষয়টি। পুতিন দনবাস ও ক্রিমিয়া নিয়ে তার দাবিতে অনড় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা কিয়েভের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও “মর্যাদাপূর্ণ যুদ্ধোত্তর শান্তি”র বিষয়েও জেলেনস্কি জোর দিয়েছেন। পরবর্তী পদক্ষেপ জেলেনস্কি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ইউক্রেন শিগগিরই ফের বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে রাশিয়া ও ইউক্রেনকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরুর চেষ্টা চলছে। উইটকফ বলেন, “উভয় পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগাযোগ না থাকলে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানোর সম্ভাবনা খুবই কম।” প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলমান এই সংঘাত অবসানে ট্রাম্প প্রশাসনের এই সর্বশেষ প্রচেষ্টা এখনো কার্যকর কোনো ফলাফল না দিলেও, দুই পক্ষের সরাসরি বৈঠক আবার শুরু হওয়াকে কূটনৈতিক অগ্রগতির একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



