ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সকালে কাজে এসে দেখলেন চাকরি নেইঃ গাজীপুরে কেয়া গ্রুপের ৪ কারখানায় ‘গণছাঁটাই’ হলেন ৬১৩ শ্রমিক
ভেনিসে বাঁধন-কে হেনস্তাকারী ইতালিপ্রবাসী মনিরুলের বাড়িতে মব নিয়ে হাজির মবহোতা আয়াস, তথ্যদাতা আলজাজিরা সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের
গোপালগঞ্জে কনসার্টে শেখ হাসিনার নামে স্লোগান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আয়োজক গ্রেপ্তার
রাজশাহী-কলকাতা নতুন ট্রেন সার্ভিস চালুর প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ
রোগ সারাতে এসে আরো অসুস্থ হওয়ার শংকায় রোগীরা: আনোয়ারায় লোডশেডিং ও তেলের অভাবে বেহাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
সার সংকট ঘিরে উত্তরাঞ্চলে অস্থিরতা: গুদাম লুট, সড়ক অবরোধ, মজুতদার গ্রেপ্তার
খলিলকে নিউইয়র্কে পাঠিয়ে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে রিফ্রেশ-রুম দখলের অভিযোগ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ঘিরে রহস্যময় কর্মকান্ড থামছেই না; এবার পরমাণু শক্তি কমিশন অফিসে অগ্নিকাণ্ড, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও নথি ক্ষতিগ্রস্ত
পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (আরএনপিপি) প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বাপক) একটি কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টার মধ্যে এক তলাবিশিষ্ট ভবনটিতে আগুন লাগার বিষয়টি প্রথম দৃশ্যমান হয় বলে জানা গেছে।
পাইওনিয়ার বেজ ক্যাম্পের কাছাকাছি অবস্থিত বাপক কার্যালয় থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন সার্ভিস ট্রিপে থাকা একজন গাড়িচালক। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
পরদিন সকালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও সরকারি কর্মকর্তারা প্ল্যান্ট এলাকায় প্রবেশ করতে শুরু করলে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সামরিক বাহিনীর সদস্যরা
এলাকাটি কর্ডন করে ফেলেন এবং আশপাশে যান ও সাধারণ মানুষের চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত করে দেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা পরে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেতর থেকে পোড়া কাগজপত্র ও ফাইল বের করে আনতে দেখেন। ভবনটিতে জুনিয়র টেকনিশিয়ান থেকে শুরু করে ডেপুটি ম্যানেজার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কক্ষসহ প্রায় ২০টি অফিস কক্ষ রয়েছে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী প্রায় প্রতিটি কক্ষই আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফলে বিভিন্ন কন্ট্রাক্টর ও সাব-কন্ট্রাক্টরের বিলিং সংক্রান্ত জরুরি কাগজপত্র পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশের অন্যতম সুরক্ষিত ও স্পর্শকাতর এই স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ড ও নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভবনটিতে স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকা, আগুনের প্রকৃত কারণ এবং ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে রূপপুর এলাকায়
নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে বাপক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সরকারি বিবৃতি পাওয়া যায়নি। একই সপ্তাহে সেফটি ভালভ-ত্রুটিতে পিছিয়েছে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন রূপপুর কেন্দ্রের বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর সময়সূচি নিয়েও নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, রূপপুরের প্রথম ইউনিটের সেফটি ভালভে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর সময় পিছিয়ে যাচ্ছে। তবে ত্রুটি কবে নাগাদ মেরামত করা সম্ভব হবে বা কবে নাগাদ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা তিনি
জানাতে পারেননি। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৫ জুন প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলাকালেও একবার ত্রুটি শনাক্ত হওয়ায় নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী কেন্দ্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর সেপ্টেম্বরের শুরুতে ফের একই ধরনের প্রযুক্তিগত জটিলতা দেখা দিল কেন্দ্রটির নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট এই স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশে, যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত হতে থাকা এই মেগা প্রকল্পের বাণিজ্যিক উৎপাদন আরও একদফা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সপ্তাহে ঘটে যাওয়া এই দুটি ঘটনা—কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ড ও উৎপাদন বিলম্ব—রূপপুর প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে জনমনে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
এলাকাটি কর্ডন করে ফেলেন এবং আশপাশে যান ও সাধারণ মানুষের চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত করে দেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা পরে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেতর থেকে পোড়া কাগজপত্র ও ফাইল বের করে আনতে দেখেন। ভবনটিতে জুনিয়র টেকনিশিয়ান থেকে শুরু করে ডেপুটি ম্যানেজার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কক্ষসহ প্রায় ২০টি অফিস কক্ষ রয়েছে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী প্রায় প্রতিটি কক্ষই আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফলে বিভিন্ন কন্ট্রাক্টর ও সাব-কন্ট্রাক্টরের বিলিং সংক্রান্ত জরুরি কাগজপত্র পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশের অন্যতম সুরক্ষিত ও স্পর্শকাতর এই স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ড ও নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভবনটিতে স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকা, আগুনের প্রকৃত কারণ এবং ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে রূপপুর এলাকায়
নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে বাপক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সরকারি বিবৃতি পাওয়া যায়নি। একই সপ্তাহে সেফটি ভালভ-ত্রুটিতে পিছিয়েছে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন রূপপুর কেন্দ্রের বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর সময়সূচি নিয়েও নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, রূপপুরের প্রথম ইউনিটের সেফটি ভালভে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর সময় পিছিয়ে যাচ্ছে। তবে ত্রুটি কবে নাগাদ মেরামত করা সম্ভব হবে বা কবে নাগাদ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা তিনি
জানাতে পারেননি। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৫ জুন প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলাকালেও একবার ত্রুটি শনাক্ত হওয়ায় নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী কেন্দ্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর সেপ্টেম্বরের শুরুতে ফের একই ধরনের প্রযুক্তিগত জটিলতা দেখা দিল কেন্দ্রটির নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট এই স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশে, যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত হতে থাকা এই মেগা প্রকল্পের বাণিজ্যিক উৎপাদন আরও একদফা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সপ্তাহে ঘটে যাওয়া এই দুটি ঘটনা—কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ড ও উৎপাদন বিলম্ব—রূপপুর প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে জনমনে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।



