ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ আমলের কোনো সক্ষমতাই ধরে রাখতে পারছে না বিএনপি সরকার
‘ভবিষ্যতে দাম কমানোর প্রলোভন’ মার্কিন কোম্পানির সাথে সরকারের উচ্চমূল্যে এলএনজি চুক্তি
ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি না করায় বিএনপির সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ শেখ হাসিনার
ভারতের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আগের চেয়েও জোরদারে দুটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ভারত সফরে তারেক রহমান: তবুও গোপন রাখার চেষ্টায় প্রেস উইং!
দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির দুই পক্ষের হামলা, গ্রিল-আসবাবপত্র লুটপাট
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত জারদারি, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ
চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ: বন্যা, অধিকার বঞ্চিতকরণ, প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা ও শীতল যুদ্ধের খাদ্য-রাজনীতির গভীরতর বিশ্লেষণ
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশের স্বাধীনোত্তর ইতিহাসের অন্যতম গুরুতর মানবিক সংকট। এটি কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফল নয়, বরং যুদ্ধপরবর্তী দুর্বলতা, দীর্ঘমেয়াদী দারিদ্র্য, প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এবং শীতল যুদ্ধের ভূ-রাজনীতির জটিল সমন্বয়।
অমর্ত্য সেনের Poverty and Famines: An Essay on Entitlement and Deprivation (Oxford University Press, 1981) এবং নাওমি হোসেনের বিশ্লেষণ (বিশেষ করে “Accounting for 1974, ‘Natural Calamities’” অধ্যায়) এই ঘটনাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।
পটভূমি ও দীর্ঘমেয়াদী দুর্বলতা
মুক্তিযুদ্ধের পর অবকাঠামো ধ্বংসপ্রাপ্ত, প্রশাসন দুর্বল এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ অপুষ্ট ও বাস্তুচ্যুত ছিল। ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়, যুদ্ধ ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে অনেক পরিবার পাঁচ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে অপুষ্টিতে ভুগছিল। ১৯৭৫-৭৬ সালের
পুষ্টি জরিপে দেখা যায়, গ্রামীণ জনসংখ্যার ৫৯ শতাংশ ন্যূনতম ক্যালোরির (২,১২২) নিচে ছিল এবং তিন একরের কম জমির সব পরিবারের সদস্যরা ক্যালোরি, ভিটামিন ও খনিজের অভাবে ভুগছিল। এই পটভূমিতে দুর্ভিক্ষকে হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী দারিদ্র্যের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে দেখা যায়। বন্যা: যমুনা ও তিস্তার ভয়াবহতা অমর্ত্য সেন লিখেছেন, “First the floods, then the famine”—এটিই ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সংক্ষিপ্ত কাহিনি। জুন থেকে আগস্টের মধ্যে যমুনা (ব্রহ্মপুত্র) ছয়বার তীর ভাঙে। ১৯৫৫ সালের বন্যার তুলনায় পানির স্তর কম হলেও ১৯৭৪ সালে যমুনা দীর্ঘ সময় বিপদসীমার উপরে ছিল এবং তিস্তা নদী ২৯ দিন বিপদসীমা অতিক্রম করে (১৯৫৫ সালে এটি কখনোই সেই স্তরে পৌঁছায়নি)।
প্রতি বর্গমাইলে ২,০০০ জনবসতির এলাকায় নদীভাঙনের ফলে জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে প্রায় ২৪,০০০ মানুষ হঠাৎ গৃহহীন ও জমিহীন হয়ে পড়ে। মুহিউদ্দিন আলমগীরের মাঠপর্যায়ের গবেষণা অনুসারে, জুলাইয়ের শেষে বন্যা-আক্রান্ত এলাকায় মানুষ ও গবাদিপশুর মৃত্যু, কৃষিজমি ও ফসলের ক্ষতি, বাড়িঘর ধ্বংস এবং কর্মসংস্থান হারানোর ঘটনা ঘটে। এর সঙ্গে পানীয় জলের অভাব ও মূল্যবৃদ্ধি মিলে অনাহার ও কলেরার মতো মহামারি ছড়িয়ে পড়ে। আগস্টের শুরুতে রংপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অতিরিক্ত মৃত্যুর খবর আসতে থাকে। শেখ মুজিবুর রহমান জন পিলজারের সাক্ষাৎকারে এটিকে “natural calamities” বলে অভিহিত করেন এবং সংসদে প্রায় ২৭,০০০ মানুষের অনাহার ও রোগে মৃত্যুর কথা স্বীকার করেন। অমর্ত্য সেনের এনটাইটেলমেন্ট তত্ত্ব: খাদ্যের অভাব নয়, অধিকারের ব্যর্থতা সেনের
বইয়ের নবম অধ্যায়ে (Famine in Bangladesh) দেখানো হয়েছে যে ১৯৭৪ সালে সামগ্রিকভাবে চাল ও গমের উৎপাদন এবং মাথাপিছু খাদ্যপ্রাপ্যতা আগের বছরগুলোর চেয়ে বেশি ছিল (১৯৬৭ সালকে ভিত্তি ধরে সূচক ১০৬)। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতেও (ময়মনসিংহ, রংপুর, সিলেট) উৎপাদন বেড়েছিল। তাই এটি Food Availability Decline (FAD) দুর্ভিক্ষ ছিল না। প্রকৃত কারণ ছিল বিনিময় অধিকারের (exchange entitlement) ব্যর্থতা। গ্রামীণ শ্রমিকদের প্রধান সম্পদ ছিল শ্রমশক্তি। বন্যা জুন-আগস্টের শীর্ষ কর্মসংস্থানের সময় আঘাত হানায় চাকরির সুযোগ মারাত্মকভাবে কমে যায়। ফলে চালের বিনিময়ে তাদের মজুরির হার তীব্রভাবে পড়ে যায়—কিছু জেলায় ৩৫ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত (ময়মনসিংহে প্রায় ৭০ শতাংশ, রংপুর ও সিলেটে ৫৮ শতাংশ)। ইতিমধ্যেই ন্যূনতম জীবিকার কাছাকাছি
থাকা শ্রমিক পরিবারগুলো হঠাৎ খাদ্য কেনার ক্ষমতা হারায়। লঙ্গরখানায় আশ্রয় নেওয়া মানুষের বেশিরভাগই ছিল ভূমিহীন শ্রমিক বা অত্যন্ত ক্ষুদ্র কৃষক। সরকারি প্রতিক্রিয়া ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট সরকার বন্যা ব্যবহার করে বিদেশি সাহায্য চাইতে থাকে, কিন্তু দাতারা সন্দেহ প্রকাশ করে যে এটি বাজেট সহায়তার জন্য “cry wolf” কৌশল। মার্কিন দূতাবাসের গোপন তারবার্তায় উল্লেখ করা হয় যে সরকার মানবিক ত্রাণকে বাজেট সহায়তার উপায় হিসেবে দেখছিল। সেপ্টেম্বরের শেষে প্রধানমন্ত্রী দুর্ভিক্ষ স্বীকার করে ৪,৩০০ লঙ্গরখানা খোলেন, যার লক্ষ্য ছিল দিনে তিন মিলিয়ন মানুষকে খাওয়ানো। কিন্তু ব্যবস্থা ছিল দুর্বল। জন পিলজারের তথ্যচিত্র An Unfashionable Tragedy-তে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে “বাংলাদেশ-ফ্যাটিগ” তৈরি হয়েছিল—বারবার একই ধরনের দুঃখজনক চিত্র দেখে মানুষ
আর মনোযোগ দিতে চাইছিল না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পিএল-৪৮০ খাদ্য সাহায্য কিউবায় পাট রপ্তানির কারণে বিলম্বিত হয়, যা শীতল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আরও জটিল করে তোলে। মৃত্যুর সংখ্যা ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সরকারি হিসাব ২৬-২৭ হাজার, কিন্তু স্বাধীন গবেষণায় (আলমগীরসহ) মোট মৃত্যু ১০-১৫ লাখ পর্যন্ত অনুমান করা হয় (অনাহার ও রোগসহ)। এই সংকটের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে এবং জাতীয় উন্নয়ন নীতিতে খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবিকা সুরক্ষার ওপর নতুন গুরুত্ব আরোপিত হয়—যা “subsistence crisis settlement” নামে পরিচিত। প্রধান সূত্র Amartya Sen, Poverty and Famines (Oxford University Press, 1981), বিশেষ করে Chapter 9। Naomi Hossain-এর বিশ্লেষণ: Accounting for 1974, ‘Natural Calamities’ মুহিউদ্দিন আলমগীরের মাঠপর্যায়ের গবেষণা এই দুর্ভিক্ষ শেখায় যে খাদ্য থাকলেও মানুষের অধিকার
ও ক্রয়ক্ষমতা না থাকলে মৃত্যু অনিবার্য হয়ে ওঠে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অর্থনৈতিক কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমন্বয় মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে—যা আজও খাদ্য নিরাপত্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার নীতিতে প্রাসঙ্গিক।
পুষ্টি জরিপে দেখা যায়, গ্রামীণ জনসংখ্যার ৫৯ শতাংশ ন্যূনতম ক্যালোরির (২,১২২) নিচে ছিল এবং তিন একরের কম জমির সব পরিবারের সদস্যরা ক্যালোরি, ভিটামিন ও খনিজের অভাবে ভুগছিল। এই পটভূমিতে দুর্ভিক্ষকে হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী দারিদ্র্যের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে দেখা যায়। বন্যা: যমুনা ও তিস্তার ভয়াবহতা অমর্ত্য সেন লিখেছেন, “First the floods, then the famine”—এটিই ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সংক্ষিপ্ত কাহিনি। জুন থেকে আগস্টের মধ্যে যমুনা (ব্রহ্মপুত্র) ছয়বার তীর ভাঙে। ১৯৫৫ সালের বন্যার তুলনায় পানির স্তর কম হলেও ১৯৭৪ সালে যমুনা দীর্ঘ সময় বিপদসীমার উপরে ছিল এবং তিস্তা নদী ২৯ দিন বিপদসীমা অতিক্রম করে (১৯৫৫ সালে এটি কখনোই সেই স্তরে পৌঁছায়নি)।
প্রতি বর্গমাইলে ২,০০০ জনবসতির এলাকায় নদীভাঙনের ফলে জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে প্রায় ২৪,০০০ মানুষ হঠাৎ গৃহহীন ও জমিহীন হয়ে পড়ে। মুহিউদ্দিন আলমগীরের মাঠপর্যায়ের গবেষণা অনুসারে, জুলাইয়ের শেষে বন্যা-আক্রান্ত এলাকায় মানুষ ও গবাদিপশুর মৃত্যু, কৃষিজমি ও ফসলের ক্ষতি, বাড়িঘর ধ্বংস এবং কর্মসংস্থান হারানোর ঘটনা ঘটে। এর সঙ্গে পানীয় জলের অভাব ও মূল্যবৃদ্ধি মিলে অনাহার ও কলেরার মতো মহামারি ছড়িয়ে পড়ে। আগস্টের শুরুতে রংপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অতিরিক্ত মৃত্যুর খবর আসতে থাকে। শেখ মুজিবুর রহমান জন পিলজারের সাক্ষাৎকারে এটিকে “natural calamities” বলে অভিহিত করেন এবং সংসদে প্রায় ২৭,০০০ মানুষের অনাহার ও রোগে মৃত্যুর কথা স্বীকার করেন। অমর্ত্য সেনের এনটাইটেলমেন্ট তত্ত্ব: খাদ্যের অভাব নয়, অধিকারের ব্যর্থতা সেনের
বইয়ের নবম অধ্যায়ে (Famine in Bangladesh) দেখানো হয়েছে যে ১৯৭৪ সালে সামগ্রিকভাবে চাল ও গমের উৎপাদন এবং মাথাপিছু খাদ্যপ্রাপ্যতা আগের বছরগুলোর চেয়ে বেশি ছিল (১৯৬৭ সালকে ভিত্তি ধরে সূচক ১০৬)। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতেও (ময়মনসিংহ, রংপুর, সিলেট) উৎপাদন বেড়েছিল। তাই এটি Food Availability Decline (FAD) দুর্ভিক্ষ ছিল না। প্রকৃত কারণ ছিল বিনিময় অধিকারের (exchange entitlement) ব্যর্থতা। গ্রামীণ শ্রমিকদের প্রধান সম্পদ ছিল শ্রমশক্তি। বন্যা জুন-আগস্টের শীর্ষ কর্মসংস্থানের সময় আঘাত হানায় চাকরির সুযোগ মারাত্মকভাবে কমে যায়। ফলে চালের বিনিময়ে তাদের মজুরির হার তীব্রভাবে পড়ে যায়—কিছু জেলায় ৩৫ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত (ময়মনসিংহে প্রায় ৭০ শতাংশ, রংপুর ও সিলেটে ৫৮ শতাংশ)। ইতিমধ্যেই ন্যূনতম জীবিকার কাছাকাছি
থাকা শ্রমিক পরিবারগুলো হঠাৎ খাদ্য কেনার ক্ষমতা হারায়। লঙ্গরখানায় আশ্রয় নেওয়া মানুষের বেশিরভাগই ছিল ভূমিহীন শ্রমিক বা অত্যন্ত ক্ষুদ্র কৃষক। সরকারি প্রতিক্রিয়া ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট সরকার বন্যা ব্যবহার করে বিদেশি সাহায্য চাইতে থাকে, কিন্তু দাতারা সন্দেহ প্রকাশ করে যে এটি বাজেট সহায়তার জন্য “cry wolf” কৌশল। মার্কিন দূতাবাসের গোপন তারবার্তায় উল্লেখ করা হয় যে সরকার মানবিক ত্রাণকে বাজেট সহায়তার উপায় হিসেবে দেখছিল। সেপ্টেম্বরের শেষে প্রধানমন্ত্রী দুর্ভিক্ষ স্বীকার করে ৪,৩০০ লঙ্গরখানা খোলেন, যার লক্ষ্য ছিল দিনে তিন মিলিয়ন মানুষকে খাওয়ানো। কিন্তু ব্যবস্থা ছিল দুর্বল। জন পিলজারের তথ্যচিত্র An Unfashionable Tragedy-তে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে “বাংলাদেশ-ফ্যাটিগ” তৈরি হয়েছিল—বারবার একই ধরনের দুঃখজনক চিত্র দেখে মানুষ
আর মনোযোগ দিতে চাইছিল না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পিএল-৪৮০ খাদ্য সাহায্য কিউবায় পাট রপ্তানির কারণে বিলম্বিত হয়, যা শীতল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আরও জটিল করে তোলে। মৃত্যুর সংখ্যা ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সরকারি হিসাব ২৬-২৭ হাজার, কিন্তু স্বাধীন গবেষণায় (আলমগীরসহ) মোট মৃত্যু ১০-১৫ লাখ পর্যন্ত অনুমান করা হয় (অনাহার ও রোগসহ)। এই সংকটের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে এবং জাতীয় উন্নয়ন নীতিতে খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবিকা সুরক্ষার ওপর নতুন গুরুত্ব আরোপিত হয়—যা “subsistence crisis settlement” নামে পরিচিত। প্রধান সূত্র Amartya Sen, Poverty and Famines (Oxford University Press, 1981), বিশেষ করে Chapter 9। Naomi Hossain-এর বিশ্লেষণ: Accounting for 1974, ‘Natural Calamities’ মুহিউদ্দিন আলমগীরের মাঠপর্যায়ের গবেষণা এই দুর্ভিক্ষ শেখায় যে খাদ্য থাকলেও মানুষের অধিকার
ও ক্রয়ক্ষমতা না থাকলে মৃত্যু অনিবার্য হয়ে ওঠে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অর্থনৈতিক কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমন্বয় মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে—যা আজও খাদ্য নিরাপত্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার নীতিতে প্রাসঙ্গিক।



