ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দুই মন্ত্রণালয়ের টানাহেঁচড়ায় ধ্বংসের মুখে চট্টগ্রামের গুলিয়াখালী ম্যানগ্রোভ বন
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
ঘুমধুম সীমান্তে পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে নিহত ৩
দুই সাংবাদিক গ্রেপ্তারে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ উচিত নয়: চিফ প্রসিকিউটর
পল্লবীতে শিশুহত্যা: দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট
সোহেল ও তার স্ত্রীর বিচার শুরুর বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য
এক জোড়া স্যান্ডেল
হামে সাড়ে ৫শ মায়ের কোল খালি, অথচ ইউনূসের হাহাকার সুদূর চীন নিয়ে!
নিজ দেশের শত শত শিশুর অকাল মৃত্যুতে যে প্রশাসন পাথর হয়ে রয়, সেই একই প্রশাসন সুদূর বিদেশের যেকোনো দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই কান্নায় ভেঙে পড়ে— এমন এক চরম বৈপরীত্য ও দ্বিমুখী আচরণের দেখা মিলল অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বক্তব্যে।
দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া হামে আক্রান্ত হয়ে ৫২৮ জন নিষ্পাপ শিশুর করুণ মৃত্যুর ঘটনায় যেখানে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে একটি সান্ত্বনামূলক বিবৃতি পর্যন্ত দেওয়া হয়নি, সেখানে চীনের একটি গ্যাস বিস্ফোরণে নিহতদের জন্য তার উপচে পড়া গভীর শোক প্রকাশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সচেতন মহলে এখন তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা ঝড় বইছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারি-বেসরকারি
নানা সূত্রে জানা গেছে, সঠিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিনের অভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এ পর্যন্ত অন্তত ৫২৮ জন শিশুর নির্মম মৃত্যু হয়েছে। ৫২৮টি পরিবার তাদের কলিজার টুকরোকে হারিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেছে। দেশের এই চরম স্বাস্থ্য সংকটে ও শিশুদের এই গণমৃত্যুর মিছিলে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে ইউনূস সম্পূর্ণ ‘নীরবতা’ পালন করেছেন। কোনো শোকবার্তা তো দূর থাক, এই সংকট মোকাবিলায় তার পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো জরুরি পদক্ষেপের আশ্বাসও পায়নি দেশবাসী। অথচ, ঠিক একই সময়ে চীনের একটি গ্যাস বিস্ফোরণে ৯০ জন নিহতের খবর আসতেই নড়েচড়ে বসে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর। কালবিলম্ব না করে চীনের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ট্র্যাজেডিতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বার্তা পাঠান ড.
ইউনূস। সাবেক প্রধান উপদেষ্টার এই ‘সিলেক্টিভ সহানুভূতি’ বা বেছে বেছে শোক প্রকাশের নীতিকে দেশের সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞরা সহজভাবে নিতে পারছেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন— “নিজের দেশের ৫২৮টি শিশুর জীবনের মূল্য কি তবে চীনের ৯০ জন নাগরিকের চেয়েও কম?” নেটিজেনদের একাংশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের ‘গ্লোবাল ইমেজ’ বা ভাবমূর্তি ধরে রাখতেই ড. ইউনূস বিদেশের মাটিতে দ্রুত শোকবার্তা পাঠাতে ব্যস্ত, অথচ দেশের ভেতরে মায়েরা কোল খালি করে যে আহাজারি করছেন, তা দেখার বা শোনার ফুরসত তার হয়নি। একটি দেশের সরকার প্রধানের প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব তার নিজ দেশের জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা। কিন্তু সাবেক প্রধান উপদেষ্টার এই কূটনৈতিক
ও আনুষ্ঠানিক শোকবার্তা প্রকাশের ধরন দেশের সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছে, দেশের মানুষের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক মহলকে খুশি করার এই চাটুকারিতার সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে সাধারণ মানুষের সাথে সরকারের দূরত্ব কখনোই কমবে না।
নানা সূত্রে জানা গেছে, সঠিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিনের অভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এ পর্যন্ত অন্তত ৫২৮ জন শিশুর নির্মম মৃত্যু হয়েছে। ৫২৮টি পরিবার তাদের কলিজার টুকরোকে হারিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেছে। দেশের এই চরম স্বাস্থ্য সংকটে ও শিশুদের এই গণমৃত্যুর মিছিলে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে ইউনূস সম্পূর্ণ ‘নীরবতা’ পালন করেছেন। কোনো শোকবার্তা তো দূর থাক, এই সংকট মোকাবিলায় তার পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো জরুরি পদক্ষেপের আশ্বাসও পায়নি দেশবাসী। অথচ, ঠিক একই সময়ে চীনের একটি গ্যাস বিস্ফোরণে ৯০ জন নিহতের খবর আসতেই নড়েচড়ে বসে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর। কালবিলম্ব না করে চীনের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ট্র্যাজেডিতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বার্তা পাঠান ড.
ইউনূস। সাবেক প্রধান উপদেষ্টার এই ‘সিলেক্টিভ সহানুভূতি’ বা বেছে বেছে শোক প্রকাশের নীতিকে দেশের সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞরা সহজভাবে নিতে পারছেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন— “নিজের দেশের ৫২৮টি শিশুর জীবনের মূল্য কি তবে চীনের ৯০ জন নাগরিকের চেয়েও কম?” নেটিজেনদের একাংশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের ‘গ্লোবাল ইমেজ’ বা ভাবমূর্তি ধরে রাখতেই ড. ইউনূস বিদেশের মাটিতে দ্রুত শোকবার্তা পাঠাতে ব্যস্ত, অথচ দেশের ভেতরে মায়েরা কোল খালি করে যে আহাজারি করছেন, তা দেখার বা শোনার ফুরসত তার হয়নি। একটি দেশের সরকার প্রধানের প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব তার নিজ দেশের জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা। কিন্তু সাবেক প্রধান উপদেষ্টার এই কূটনৈতিক
ও আনুষ্ঠানিক শোকবার্তা প্রকাশের ধরন দেশের সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছে, দেশের মানুষের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক মহলকে খুশি করার এই চাটুকারিতার সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে সাধারণ মানুষের সাথে সরকারের দূরত্ব কখনোই কমবে না।



