ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঘুমধুম সীমান্তে পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে নিহত ৩
দুই সাংবাদিক গ্রেপ্তারে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ উচিত নয়: চিফ প্রসিকিউটর
সোহেল ও তার স্ত্রীর বিচার শুরুর বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য
এক জোড়া স্যান্ডেল
সচিবের সই ছাড়াই ফাইল অনুমোদন করে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
পর্তুগালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়কের ওপর ছাত্রলীগের ডিম নিক্ষেপ
নাহিদ-আসিফ-মাহফুজরা ব্যর্থ, আওয়ামী লীগও অ্যাক্টিভ হয়েছে- ফরহাদ মজহারের ক্ষোভ
পল্লবীতে শিশুহত্যা: দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা ঘটনার মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। অভিযোগপত্রভুক্ত দুই আসামি হলেন সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার।
আজ রোববার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান এই অভিযোগপত্র জমা দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল শনিবার ময়নাতদন্ত, ফরেনসিক ও ভিসেরা প্রতিবেদন হাতে পায় পুলিশ। তদন্ত-সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, এসব আলামতের ভিত্তিতে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তারা প্রমাণ করতে সক্ষম হবেন। ফরেনসিক রিপোর্টে হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। এই মামলায় আপাতত ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজন হবে না বলে
জানিয়েছেন তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা। তাই এখনও ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়নি। মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার বলেন, ‘ময়নাতদন্ত, ফরেনসিক ও ভিসেরা প্রতিবেদন পেয়েছি। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। অপরাধ প্রমাণে আমাদের হাতে অনেক ধরনের আলামত ও তথ্য আছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তি দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ডিএনএ আলামত পরীক্ষার প্রয়োজন নেই।’ পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগপত্রে তিনজন প্রত্যক্ষদর্শী, শিশুটির পরিবারের তিন সদস্যসহ মোট ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। স্বপ্নার বিরুদ্ধে লাশ গুমের চেষ্টা ও স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট
থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে এবং সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত বুধবার সোহেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সোহেল ও স্বপ্না বর্তমানে কারাগারে। এদিকে বিচার কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হিসেবে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে নিয়োগ দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। নিয়োগপ্রাপ্ত বিশেষ পিপি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে চেষ্টা চালানো হবে।
জানিয়েছেন তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা। তাই এখনও ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়নি। মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার বলেন, ‘ময়নাতদন্ত, ফরেনসিক ও ভিসেরা প্রতিবেদন পেয়েছি। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। অপরাধ প্রমাণে আমাদের হাতে অনেক ধরনের আলামত ও তথ্য আছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তি দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ডিএনএ আলামত পরীক্ষার প্রয়োজন নেই।’ পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগপত্রে তিনজন প্রত্যক্ষদর্শী, শিশুটির পরিবারের তিন সদস্যসহ মোট ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। স্বপ্নার বিরুদ্ধে লাশ গুমের চেষ্টা ও স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট
থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে এবং সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত বুধবার সোহেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সোহেল ও স্বপ্না বর্তমানে কারাগারে। এদিকে বিচার কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হিসেবে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে নিয়োগ দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। নিয়োগপ্রাপ্ত বিশেষ পিপি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে চেষ্টা চালানো হবে।



