ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
“জুলাই আন্দোলন পরিকল্পিত ডিজাইন ছিল, যেখানে স্নাইপার ব্যবহার করা হয়েছে”— বিএনপির সাংসদ নিলোফার চৌধুরী মনি
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই-আগস্টের সরকারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে ছাত্রদলের অগ্রণী ভূমিকার কথা স্মরণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, “জুলাইয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি সম্মুখভাগে থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসগুলো গুঁড়িয়ে দিয়েছিল এবং আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল।”
আজ ৪ঠা জুলাই, শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬’-এ দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাইয়ের বর্ষপূর্তি পালন উপলক্ষে এই বিশেষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
বক্তব্যের শুরুতেই ছাত্রদল সভাপতি জুলাই আন্দোলনের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে বলেন, “জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে যখন আন্দোলন তীব্র রূপ নিচ্ছিল, তখন ছাত্রদল ছাত্রলীগের চোখে চোখ রেখে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল।
আমাদের বোনেরা স্লোগান দিয়ে রাজপথ প্রকম্পিত করেছিল। ১৭ই জুলাই যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো ভ্যাকেন্ট করা হলো, তখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রামপুরা, বাড্ডা ও উত্তরায় ঐতিহাসিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।” রাকিব উল্লেখ করেন, দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। রাজপথের এই লড়াইয়ে ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক নিহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। ৪ঠা আগস্টের সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রদল ও যুবদল আন্দোলনের একদম অগ্রভাগে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের রক্ষা করেছিল। তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এত ত্যাগ ও অবদানের কথা সহজে প্রকাশ্যে বলতে চান না, তিনি এগুলো প্রচারে
আনতে পছন্দ করেন না। কিন্তু আমাদের কাছে অসংখ্য অকাট্য প্রমাণ ও ডকুমেন্ট রয়েছে।” অনুষ্ঠানে জুলাইয়ে নিহতদের কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আমাদের বোনেরা স্লোগান দিয়ে রাজপথ প্রকম্পিত করেছিল। ১৭ই জুলাই যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো ভ্যাকেন্ট করা হলো, তখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রামপুরা, বাড্ডা ও উত্তরায় ঐতিহাসিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।” রাকিব উল্লেখ করেন, দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। রাজপথের এই লড়াইয়ে ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক নিহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। ৪ঠা আগস্টের সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রদল ও যুবদল আন্দোলনের একদম অগ্রভাগে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের রক্ষা করেছিল। তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এত ত্যাগ ও অবদানের কথা সহজে প্রকাশ্যে বলতে চান না, তিনি এগুলো প্রচারে
আনতে পছন্দ করেন না। কিন্তু আমাদের কাছে অসংখ্য অকাট্য প্রমাণ ও ডকুমেন্ট রয়েছে।” অনুষ্ঠানে জুলাইয়ে নিহতদের কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



