ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
‘১০ ঘণ্টার অপেক্ষাও কিছু নয়’, খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতার প্রথম দিনে রাজধানী তেহরানে হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছেন। শনিবার কালো পোশাক পরা শোকাহত মানুষ রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদ প্রাঙ্গণে এসে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। শেষকৃত্য উপলক্ষে শহরটিতে এক কোটির বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই অনেক মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। অনেকে প্রার্থনাকক্ষের বাইরে রাতভর অবস্থান নিয়েছেন, যাতে দরজা খুললেই তারা ভেতরে প্রবেশ করে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারেন।
অপেক্ষমাণ ব্যক্তিদের একজন সোমাইয়ে বলেন, ‘আমরা আমাদের নেতার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এসেছি। এই অপেক্ষা যেমন কষ্টের, তেমনি আমাদের কাছে তা গভীর আবেগেরও।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাতেমেহ বলেন, ‘তাকে বিদায় জানাতে
কোনো ধরনের চেষ্টারই কমতি রাখা উচিত নয়।’ আরেক বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী মাহদি বলেন, ‘১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা কোনো বিষয়ই নয়। মনে হচ্ছে, যেন নিজের পরিবারের কোনো সদস্যের শোকানুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি।’ বর্তমানে খামেনির মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফন করার কথা রয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, আগামী কয়েক দিনের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ইরান ও ইরাকজুড়ে দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। কয়েক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান বলে জানানো হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই শোকাহত মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে গ্র্যান্ড মোসাল্লা এলাকা। উপস্থিত অনেককে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিতে
এবং খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার আহ্বান জানাতে দেখা যায়। ৩৭ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক রেজা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ নেতার পাশে থাকব। আজ সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই এসেছি।’ আরেক শোকাহত ব্যক্তি আরাশ রাহিমি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘এখানে আসা সবাই তাদের সর্বোচ্চ নেতার রক্তের প্রতিশোধ চাইছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের বিরোধ কখনো শেষ হবে না।’ শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতার কারণে সপ্তাহান্তজুড়ে তেহরানের কেন্দ্রীয় এলাকার অনেক সড়ক বন্ধ রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের আশা, এটি দেশটির ইতিহাসে জনসমাগমের দিক থেকে সবচেয়ে বড় শেষকৃত্যগুলোর একটি হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, খামেনির মরদেহ তিন দিন তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হবে। এরপর মঙ্গলবার তা কোম শহরে নেওয়া হবে। সেখানে
জামকারান মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার মরদেহ ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। সবশেষে বৃহস্পতিবার ইরানের মাশহাদের ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে। খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি। শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি নিয়ে কৌতূহল রয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা ও বিবিসি
কোনো ধরনের চেষ্টারই কমতি রাখা উচিত নয়।’ আরেক বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী মাহদি বলেন, ‘১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা কোনো বিষয়ই নয়। মনে হচ্ছে, যেন নিজের পরিবারের কোনো সদস্যের শোকানুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি।’ বর্তমানে খামেনির মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফন করার কথা রয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, আগামী কয়েক দিনের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ইরান ও ইরাকজুড়ে দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। কয়েক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান বলে জানানো হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই শোকাহত মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে গ্র্যান্ড মোসাল্লা এলাকা। উপস্থিত অনেককে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিতে
এবং খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার আহ্বান জানাতে দেখা যায়। ৩৭ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক রেজা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ নেতার পাশে থাকব। আজ সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই এসেছি।’ আরেক শোকাহত ব্যক্তি আরাশ রাহিমি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘এখানে আসা সবাই তাদের সর্বোচ্চ নেতার রক্তের প্রতিশোধ চাইছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের বিরোধ কখনো শেষ হবে না।’ শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতার কারণে সপ্তাহান্তজুড়ে তেহরানের কেন্দ্রীয় এলাকার অনেক সড়ক বন্ধ রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের আশা, এটি দেশটির ইতিহাসে জনসমাগমের দিক থেকে সবচেয়ে বড় শেষকৃত্যগুলোর একটি হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, খামেনির মরদেহ তিন দিন তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হবে। এরপর মঙ্গলবার তা কোম শহরে নেওয়া হবে। সেখানে
জামকারান মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার মরদেহ ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। সবশেষে বৃহস্পতিবার ইরানের মাশহাদের ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে। খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি। শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি নিয়ে কৌতূহল রয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা ও বিবিসি





