ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহের তাণ্ডব, তিন দেশে প্রাণ গেল ৩৭০০ মানুষের
ট্রাম্পের বক্তব্যজুড়ে ‘কমিউনিস্ট হুমকি’
‘১০ ঘণ্টার অপেক্ষাও কিছু নয়’, খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল
খামেনির শেষ বিদায়ে যোগ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
শহীদ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা চলাকালে ট্রাম্পের কটাক্ষ
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
ভারতের আদালতে ১৬টি নথি জমা দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম ব্যক্তি
খামেনির জানাজায় যোদ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশকে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখতে ব্যাপক কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
একটি সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম।
শুক্রবার তাসনিমকে দেওয়া বক্তব্যে ওই জ্যেষ্ঠ সূত্র জানান, গত পাঁচ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশের প্রতি একটি সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচারণা চালিয়েছেন, যার লক্ষ্য ছিল খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে না যাওয়ার জন্য তাদের নিরুৎসাহিত করা।
সূত্রটির দাবি অনুযায়ী, গত ২৬শে জুন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোর কাছে একটি গোপন নির্দেশনা পাঠান।
ওই
নির্দেশনায় তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে যে ইরানের প্রয়াত নেতার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণকে যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘অবন্ধুসুলভ পদক্ষেপ’ হিসেবে বিবেচনা করবে, এবং এই সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাব সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর পড়তে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুইজন আরব কূটনীতিকের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কো রুবিও অন্তত পাঁচটি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং তাদের শেষকৃত্যে অংশ না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। এ ছাড়া আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতরাও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারকে সতর্ক করে জানিয়ে দেন, তারা যদি খামেনির শেষকৃত্যে প্রতিনিধি পাঠায়, তাহলে ওই দেশগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তা
কমিয়ে দেওয়া হতে পারে। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্কের ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় শেষকৃত্যে তাদের প্রতিনিধিদলের পর্যায় বা মর্যাদা কমিয়ে আনে। সূত্রটির মূল্যায়ন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের এই চাপের মুখে অন্তত ১৩টি দেশ শেষ পর্যন্ত জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ায়। এই ১৩টি দেশের মধ্যে রয়েছে—পূর্ব ইউরোপের তিনটি দেশ, আফ্রিকার পাঁচটি দেশ, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দুটি দেশ এবং পূর্ব এশিয়ার দুটি দেশ। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে সরাসরি অংশ নিতে না পারা কয়েকটি দেশ পরবর্তীতে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে, কিংবা জেনেভা ও নিউইয়র্কে অবস্থিত নিজেদের কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে ইরানের কাছে
নিজেদের অনুপস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে এবং এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। এ ছাড়া কিছু দেশ বিকল্প হিসেবে তেহরানে ইতিমধ্যে নিযুক্ত থাকা নিজেদের কূটনীতিকদের অনুষ্ঠানে পাঠানোর প্রস্তাব দিলেও, ইরান কর্তৃপক্ষ সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে গ্রহণ করেনি।
নির্দেশনায় তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে যে ইরানের প্রয়াত নেতার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণকে যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘অবন্ধুসুলভ পদক্ষেপ’ হিসেবে বিবেচনা করবে, এবং এই সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাব সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর পড়তে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুইজন আরব কূটনীতিকের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কো রুবিও অন্তত পাঁচটি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং তাদের শেষকৃত্যে অংশ না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। এ ছাড়া আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতরাও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারকে সতর্ক করে জানিয়ে দেন, তারা যদি খামেনির শেষকৃত্যে প্রতিনিধি পাঠায়, তাহলে ওই দেশগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তা
কমিয়ে দেওয়া হতে পারে। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্কের ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় শেষকৃত্যে তাদের প্রতিনিধিদলের পর্যায় বা মর্যাদা কমিয়ে আনে। সূত্রটির মূল্যায়ন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের এই চাপের মুখে অন্তত ১৩টি দেশ শেষ পর্যন্ত জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ায়। এই ১৩টি দেশের মধ্যে রয়েছে—পূর্ব ইউরোপের তিনটি দেশ, আফ্রিকার পাঁচটি দেশ, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দুটি দেশ এবং পূর্ব এশিয়ার দুটি দেশ। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে সরাসরি অংশ নিতে না পারা কয়েকটি দেশ পরবর্তীতে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে, কিংবা জেনেভা ও নিউইয়র্কে অবস্থিত নিজেদের কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে ইরানের কাছে
নিজেদের অনুপস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে এবং এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। এ ছাড়া কিছু দেশ বিকল্প হিসেবে তেহরানে ইতিমধ্যে নিযুক্ত থাকা নিজেদের কূটনীতিকদের অনুষ্ঠানে পাঠানোর প্রস্তাব দিলেও, ইরান কর্তৃপক্ষ সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে গ্রহণ করেনি।



