ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
বাংলাদেশে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে গভীর উদ্বেগ ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ল’ সোসাইটির
বাংলাদেশের জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ল সোসাইটি।
সংস্থাটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অভিযোগ করেছে, দেশের বিভিন্ন জেলা আইনজীবী সমিতি এবং সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে বিরোধী মতের আইনজীবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন নির্বাচনে বহু আইনজীবীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়। অনেকের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে শারীরিক হয়রানির ঘটনাও ঘটেছে।
অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন প্রার্থীকে “ফ্যাসিস্টদের সহযোগী” আখ্যা দিয়ে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও প্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং নির্বাচন থেকে সরে
দাঁড়ানোর জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ল সোসাইটি বলেছে, এসব ঘটনা আইনজীবীদের স্বাধীনতা ও পেশাগত অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী। সংস্থাটির মতে, আইনজীবীরা যেন ভয়, চাপ বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না হয়ে স্বাধীনভাবে পেশাগত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আইনজীবীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হলে তা বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে ভবিষ্যতে অনেক আইনজীবী নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পক্ষের মামলা পরিচালনায় নিরুৎসাহিত হতে পারেন, যা ন্যায়বিচারের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। সংস্থাটির সভাপতি মার্ক ইভান্স বাংলাদেশ সরকারকে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা, নির্বাচনসংক্রান্ত অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করা
এবং আইনজীবীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই চিঠির অনুলিপি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার, ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার, জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং জাতিসংঘের বিচারক ও আইনজীবীদের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ দূতের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
দাঁড়ানোর জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ল সোসাইটি বলেছে, এসব ঘটনা আইনজীবীদের স্বাধীনতা ও পেশাগত অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী। সংস্থাটির মতে, আইনজীবীরা যেন ভয়, চাপ বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না হয়ে স্বাধীনভাবে পেশাগত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আইনজীবীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হলে তা বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে ভবিষ্যতে অনেক আইনজীবী নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পক্ষের মামলা পরিচালনায় নিরুৎসাহিত হতে পারেন, যা ন্যায়বিচারের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। সংস্থাটির সভাপতি মার্ক ইভান্স বাংলাদেশ সরকারকে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা, নির্বাচনসংক্রান্ত অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করা
এবং আইনজীবীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই চিঠির অনুলিপি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার, ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার, জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং জাতিসংঘের বিচারক ও আইনজীবীদের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ দূতের কাছেও পাঠানো হয়েছে।



