ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
বাংলাদেশে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে গভীর উদ্বেগ ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ল’ সোসাইটির
বাংলাদেশের জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ল সোসাইটি।
সংস্থাটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অভিযোগ করেছে, দেশের বিভিন্ন জেলা আইনজীবী সমিতি এবং সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে বিরোধী মতের আইনজীবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন নির্বাচনে বহু আইনজীবীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়। অনেকের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে শারীরিক হয়রানির ঘটনাও ঘটেছে।
অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন প্রার্থীকে “ফ্যাসিস্টদের সহযোগী” আখ্যা দিয়ে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও প্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং নির্বাচন থেকে সরে
দাঁড়ানোর জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ল সোসাইটি বলেছে, এসব ঘটনা আইনজীবীদের স্বাধীনতা ও পেশাগত অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী। সংস্থাটির মতে, আইনজীবীরা যেন ভয়, চাপ বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না হয়ে স্বাধীনভাবে পেশাগত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আইনজীবীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হলে তা বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে ভবিষ্যতে অনেক আইনজীবী নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পক্ষের মামলা পরিচালনায় নিরুৎসাহিত হতে পারেন, যা ন্যায়বিচারের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। সংস্থাটির সভাপতি মার্ক ইভান্স বাংলাদেশ সরকারকে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা, নির্বাচনসংক্রান্ত অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করা
এবং আইনজীবীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই চিঠির অনুলিপি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার, ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার, জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং জাতিসংঘের বিচারক ও আইনজীবীদের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ দূতের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
দাঁড়ানোর জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ল সোসাইটি বলেছে, এসব ঘটনা আইনজীবীদের স্বাধীনতা ও পেশাগত অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী। সংস্থাটির মতে, আইনজীবীরা যেন ভয়, চাপ বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না হয়ে স্বাধীনভাবে পেশাগত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আইনজীবীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হলে তা বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে ভবিষ্যতে অনেক আইনজীবী নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পক্ষের মামলা পরিচালনায় নিরুৎসাহিত হতে পারেন, যা ন্যায়বিচারের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। সংস্থাটির সভাপতি মার্ক ইভান্স বাংলাদেশ সরকারকে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা, নির্বাচনসংক্রান্ত অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করা
এবং আইনজীবীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই চিঠির অনুলিপি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার, ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার, জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং জাতিসংঘের বিচারক ও আইনজীবীদের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ দূতের কাছেও পাঠানো হয়েছে।



