ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
হামের টিকাদানের ব্যর্থতায় হাসিনা সরকারের কোনো দায় নেই : ডা. রাকিব
ইয়ুথ লিডার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. রাকিব আল হাসান বলেছেন, হাম হচ্ছে একটা অত্যন্ত ছোঁয়াচে সংক্রামক রোগ। এখন এটার জন্য আপনার হার্ড ইমিউনিটি তৈরি করতে হলে টিকা প্রদান ৯৫ শতাংশ রাখতে হয়।
হাসিনার আমলে ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ ছিল। সরকার মাঝখানে যে গ্যাভি থেকে টিকা বন্ধ রাখছিল, তখন এটা ৬০ শতাংশে নেমে আসছে। এখন যখন ভীষণভাবে সংক্রমিত হয়ে যায় তখন আমরা বয়স্করাও সংক্রমিত হতে পারি। তখন এই বাচ্চারা আক্রান্ত হয়েছে।
এটাই সংক্রামক রোগের ফরমুলা। সেই জায়গা থেকে আমি মনে করি তদন্তে বেরিয়ে আসবে, এটা পুরা দায়টা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের। এখানে হাসিনা সরকারের কোনো দায় নাই, এই বিএনপি সরকারের কোনো দায় নাই।
সম্প্রতি দেশের
এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টকশোতে এসব কথা বলেন তিনি। ডা. রাকিব আল হাসান বলেন, এই সরকার ইতোমধ্যে এগুলোকে অ্যাড্রেস করেছে। ১৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় নিয়ে এসেছে মাত্র ৩৪ দিনের ব্যবধানে। সরকার ৯৮ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় নিয়ে এসেছে। এখনো পর্যন্ত ৩০-৩২ হাজার শিশু আক্রান্ত। খুবই দুঃখজনক হলেও আরো অনেক শিশু মারা যাবে। গত সরকার ‘ভিটামিন এ’ ক্যাপসুলও বন্ধ রেখেছিল। টিবির টিকা বন্ধ রেখেছিল। প্রোস্টেট ক্যানসারের প্যাট সিটি স্ক্যানের রিএজেন্ট রেখেছে। মানে এত অথর্ব! অযোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে গেছে। তিনি বলেন, আমি মনে করি, এই সরকারের দায়িত্ব আপাতত এটাকে যেভাবে হোক ট্যাকেল করা, এই হামের ইস্যুটাকে ন্যাশনাল ক্রাইসিস হিসেবে তৈরি করে, হেলথ ক্রাইসিস হিসেবে
তৈরি করে এটাকে যেভাবে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা উচিত, সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় অ্যাড্রেস করা উচিত। একই সঙ্গে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যারা এটার জন্য দায়ী তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা উচিত। না হলে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে থাকবে না। কারণ তারা বাংলাদেশের শিশুদেরকে নিয়ে যারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ বা শিশু মানুষের মৃত্যু নিয়ে তারা যে ছেলে খেলা খেলছে এটা অবশ্যই একটা দৃষ্টান্ত হওয়া উচিত। এই সরকার যেন চুপ করে না থাকে। সরকার শোক প্রকাশ, নিন্দা প্রকাশ যা কিছু করুক না কেন, তদন্ত কমিটির মাধ্যমে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা উচিত।
এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টকশোতে এসব কথা বলেন তিনি। ডা. রাকিব আল হাসান বলেন, এই সরকার ইতোমধ্যে এগুলোকে অ্যাড্রেস করেছে। ১৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় নিয়ে এসেছে মাত্র ৩৪ দিনের ব্যবধানে। সরকার ৯৮ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় নিয়ে এসেছে। এখনো পর্যন্ত ৩০-৩২ হাজার শিশু আক্রান্ত। খুবই দুঃখজনক হলেও আরো অনেক শিশু মারা যাবে। গত সরকার ‘ভিটামিন এ’ ক্যাপসুলও বন্ধ রেখেছিল। টিবির টিকা বন্ধ রেখেছিল। প্রোস্টেট ক্যানসারের প্যাট সিটি স্ক্যানের রিএজেন্ট রেখেছে। মানে এত অথর্ব! অযোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে গেছে। তিনি বলেন, আমি মনে করি, এই সরকারের দায়িত্ব আপাতত এটাকে যেভাবে হোক ট্যাকেল করা, এই হামের ইস্যুটাকে ন্যাশনাল ক্রাইসিস হিসেবে তৈরি করে, হেলথ ক্রাইসিস হিসেবে
তৈরি করে এটাকে যেভাবে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা উচিত, সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় অ্যাড্রেস করা উচিত। একই সঙ্গে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যারা এটার জন্য দায়ী তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা উচিত। না হলে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে থাকবে না। কারণ তারা বাংলাদেশের শিশুদেরকে নিয়ে যারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ বা শিশু মানুষের মৃত্যু নিয়ে তারা যে ছেলে খেলা খেলছে এটা অবশ্যই একটা দৃষ্টান্ত হওয়া উচিত। এই সরকার যেন চুপ করে না থাকে। সরকার শোক প্রকাশ, নিন্দা প্রকাশ যা কিছু করুক না কেন, তদন্ত কমিটির মাধ্যমে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা উচিত।



