ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হামে শিশু মৃত্যু ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে উত্তাল রাজপথ: ইউনূস-নূরজাহানের বিচারসহ ১০ দফা দাবি
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে উদ্ধার মা–মেয়ের লাশ
রাজধানীতে বিকালেই রাতের অন্ধকার
মায়ানমার সীমান্তে নতুন অস্বস্তি: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, আরাকান নেতার বিতর্কিত মানচিত্র ঘিরে উদ্বেগ
আলুটিলা পাহাড় ইসলামীকরণ: পর্যটন স্থানে জমি দখলের করে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ; জেলা প্রশাসকের সায়
নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন সাতক্ষীরার লাখো জেলে, পরিবার নিয়ে দুর্ভোগে
চট্টগ্রামে বেপরোয়া শিবির-সাজ্জাদের বাহিনী: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা না দিলে শরীর ঝাঁজরা করে দেওয়ার হুমকি
ট্রাকসহ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ মালামাল লুট করা এনসিপির ২ শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার
বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কেনা প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকার পরিত্যক্ত অ্যালুমিনিয়াম স্ক্র্যাপ চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে ফকিরহাট উপজেলার সুকদাড়া এলাকায় সংঘটিত সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ নিয়ে র্যাব ও পুলিশের পৃথক অভিযানে মোট গ্রেপ্তারকৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচে।
র্যাব-১৫, কক্সবাজারের একটি চৌকস দল গত ১৩ই মে রাতে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন ১৪ই মে তাদের ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ভাগা এলাকার মুনসুর আলী শেখের ছেলে সোহান শেখ (৩৬) এবং একই উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের আব্দুল মান্নান শেখের ছেলে জুয়েল শেখ (৩৬)।
পুলিশ জানিয়েছে, জুয়েল শেখ রামপাল এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক এবং সোহান
শেখ এনসিপির সিনিয়র সদস্য। এর আগে, গত ৯ই মে ফকিরহাট উপজেলার সুখদাড়া এলাকা থেকে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হাবিবুর রহমান (৩৪) নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৭ই মে সন্ধ্যায় রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ক্রয় করা অ্যালুমিনিয়াম স্ক্র্যাপ বিআরটিসির একটি ভাড়ায়চালিত ট্রাকে তুলে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে রামপাল জিরো পয়েন্ট ও সোনাতোনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্থানীয় লোকজন ট্রাকটির গতিরোধ করে এবং এতে তামা বা অন্য কোনো অবৈধ মালামাল আছে কি না তা যাচাই-বাছাই করে। কোনো অবৈধ মালামাল না পাওয়ায় ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওইদিন রাত আনুমানিক ১টার দিকে ট্রাকটি পুনরায় যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ফকিরহাট উপজেলার সুকদাড়া
এলাকায় পৌঁছালে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল ট্রাকটির গতিরোধ করে। এ সময় তারা ট্রাকচালক ও উপস্থিত লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মালামালসহ ট্রাকটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মূলঘর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে ট্রাক ও মালামাল উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে ঘটনাস্থল থেকে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—পাগলা উত্তরপাড়া এলাকার মো. জয়নাল আবেদিন (৩৮) এবং নলধা গ্রামের মো. জুয়েল শিকদার (৩২)। এ ঘটনায় রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ফকিরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা
আরও ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। ফকিরহাট মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “১৪ই মে কক্সবাজার র্যাব-১৫ ডাকাতি মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তারা নিজেদের রামপালের এনসিপির সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছে।” তিনি আরও জানান, “গ্রেপ্তার দুইজনকে ১৫ই মে সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
শেখ এনসিপির সিনিয়র সদস্য। এর আগে, গত ৯ই মে ফকিরহাট উপজেলার সুখদাড়া এলাকা থেকে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হাবিবুর রহমান (৩৪) নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৭ই মে সন্ধ্যায় রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ক্রয় করা অ্যালুমিনিয়াম স্ক্র্যাপ বিআরটিসির একটি ভাড়ায়চালিত ট্রাকে তুলে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে রামপাল জিরো পয়েন্ট ও সোনাতোনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্থানীয় লোকজন ট্রাকটির গতিরোধ করে এবং এতে তামা বা অন্য কোনো অবৈধ মালামাল আছে কি না তা যাচাই-বাছাই করে। কোনো অবৈধ মালামাল না পাওয়ায় ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওইদিন রাত আনুমানিক ১টার দিকে ট্রাকটি পুনরায় যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ফকিরহাট উপজেলার সুকদাড়া
এলাকায় পৌঁছালে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল ট্রাকটির গতিরোধ করে। এ সময় তারা ট্রাকচালক ও উপস্থিত লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মালামালসহ ট্রাকটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মূলঘর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে ট্রাক ও মালামাল উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে ঘটনাস্থল থেকে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—পাগলা উত্তরপাড়া এলাকার মো. জয়নাল আবেদিন (৩৮) এবং নলধা গ্রামের মো. জুয়েল শিকদার (৩২)। এ ঘটনায় রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ফকিরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা
আরও ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। ফকিরহাট মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “১৪ই মে কক্সবাজার র্যাব-১৫ ডাকাতি মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তারা নিজেদের রামপালের এনসিপির সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছে।” তিনি আরও জানান, “গ্রেপ্তার দুইজনকে ১৫ই মে সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”



