ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর…
জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু সেনা বাহিনীর
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
নোয়াখালীতে ‘জয় বাংলা’ মিছিল: শিশু আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ৭ম-১০ম শ্রেণীর কোমলমতি শিশুদের গণগ্রেপ্তার
অন্ধকারে ডুবছে পর্যটন নগরী: লাগাতার লোডশেডিংয়ে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকেরা, হোটেল ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত
চট্টগ্রামে হামের ‘মহামারি’: চট্টগ্রামে হামের তাণ্ডবে ১৩ মৃত্যু, ল্যাব থাকলেও পরীক্ষা ঢাকায়
চট্টগ্রামে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে হামের প্রাদুর্ভাব। জেলা ও মহানগরে এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন। আক্রান্তের এই সুনামি সামাল দিতে গিয়ে ধুঁকছে চিকিৎসাব্যবস্থা। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ রোগী নিয়ে হাসপাতালটিতে চলছে এক করুণ ও শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি।
এক শয্যায় দুই শিশু, তীব্র গরমে নরক যন্ত্রণা
গতকাল ৭ জুন, রবিবার বিকেলে চমেক হাসপাতালের নিচতলার ৫০ শয্যার ‘হাম ওয়ার্ডে’ গিয়ে দেখা যায়, সেখানে শয্যার চেয়ে রোগী প্রায় দ্বিগুণ—ভর্তি আছে ৮০ জন শিশু। ১২ নম্বর শয্যায় একসঙ্গে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছে সাড়ে চার বছরের তাসফিয়া ও সাড়ে তিন
বছরের আবির। তাসফিয়ার বাবা মো. রুমান জানান, হঠাৎ তীব্র জ্বর, কাশি আর শরীরে লাল র্যাশ দেখে মেয়েকে হাসপাতালে এনেছেন। কিন্তু এক বেডে দুজন থাকায় নড়াচড়ারও উপায় নেই। তীব্র গরমে অসুস্থ শিশুদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্বজনরা। হাসপাতালের দোতলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পরিস্থিতি আরও জটিল। সেখানে চিকিৎসাধীন ৩৬টি শিশুর অধিকাংশেরই মুখে অক্সিজেন এবং হাতে স্যালাইন চলছে। অবস্থা কিছুটা উন্নত হলে তাদের নিচতলার সাধারণ ওয়ার্ডে পাঠানো হচ্ছে। রেহাই পাচ্ছেন না প্রাপ্তবয়স্ক ও চিকিৎসকরাও ভুল ধারণা ভেঙে দিয়ে হাম এখন থাবা বসাচ্ছে প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরেও। চমেক হাসপাতালে বর্তমানে ১৪ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন। শুধু তাই নয়, আক্রান্তদের সেবা দিতে
গিয়ে খোদ হাসপাতালের ২৫ বছর বয়সী একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও হামে আক্রান্ত হয়েছেন, যা পরিস্থিতি কতটা সংক্রামক তা প্রমাণ করে। চট্টগ্রামে হামের ৯টি ‘হটস্পট’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গাইডলাইন অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি চলছে। চট্টগ্রামের বিশেষ করে ৯টি এলাকাকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এলাকাগুলো হলো: ২ নম্বর জালালাবাদ, ৪ নম্বর চান্দগাঁও, ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী, ১৪ নম্বর লালখান বাজার, ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া, ৩১ নম্বর আলকরণ, ৩৮ নম্বর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর এবং ৪০ নম্বর উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ড। ঘরের ল্যাব ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’, নমুনা যাচ্ছে ঢাকায় চট্টগ্রামে যখন হামের এই মহামারি দশা, তখন রোগ শনাক্তকরণ নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অব্যবস্থাপনা।
ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি (BITID)-তে দেশের একমাত্র কার্যকর ‘বায়োসেফটি লেভেল-৩’ ল্যাবরেটরি থাকা সত্ত্বেও কিট সংকট ও আমলাতান্ত্রিক অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা বন্ধ। ফলে বাধ্য হয়ে ১,৪৪৫ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে ঢাকার ল্যাবে। বিআইটিআইডির অধ্যাপক ডা. মামুনুর রশীদ জানান, সক্ষমতা থাকলেও কিট নেই। রিপোর্ট আসতে সময় নষ্ট হওয়ায় বিপাকে পড়ছেন স্বজনরা। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, “বর্তমানে ১১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। রোগীর চাপ সামলাতে চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন।” তবে জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ইতিমধ্যে শিশুদের বিশেষ টিকা দেওয়া হয়েছে, আশা করছি কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।”
বছরের আবির। তাসফিয়ার বাবা মো. রুমান জানান, হঠাৎ তীব্র জ্বর, কাশি আর শরীরে লাল র্যাশ দেখে মেয়েকে হাসপাতালে এনেছেন। কিন্তু এক বেডে দুজন থাকায় নড়াচড়ারও উপায় নেই। তীব্র গরমে অসুস্থ শিশুদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্বজনরা। হাসপাতালের দোতলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পরিস্থিতি আরও জটিল। সেখানে চিকিৎসাধীন ৩৬টি শিশুর অধিকাংশেরই মুখে অক্সিজেন এবং হাতে স্যালাইন চলছে। অবস্থা কিছুটা উন্নত হলে তাদের নিচতলার সাধারণ ওয়ার্ডে পাঠানো হচ্ছে। রেহাই পাচ্ছেন না প্রাপ্তবয়স্ক ও চিকিৎসকরাও ভুল ধারণা ভেঙে দিয়ে হাম এখন থাবা বসাচ্ছে প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরেও। চমেক হাসপাতালে বর্তমানে ১৪ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন। শুধু তাই নয়, আক্রান্তদের সেবা দিতে
গিয়ে খোদ হাসপাতালের ২৫ বছর বয়সী একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও হামে আক্রান্ত হয়েছেন, যা পরিস্থিতি কতটা সংক্রামক তা প্রমাণ করে। চট্টগ্রামে হামের ৯টি ‘হটস্পট’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গাইডলাইন অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি চলছে। চট্টগ্রামের বিশেষ করে ৯টি এলাকাকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এলাকাগুলো হলো: ২ নম্বর জালালাবাদ, ৪ নম্বর চান্দগাঁও, ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী, ১৪ নম্বর লালখান বাজার, ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া, ৩১ নম্বর আলকরণ, ৩৮ নম্বর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর এবং ৪০ নম্বর উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ড। ঘরের ল্যাব ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’, নমুনা যাচ্ছে ঢাকায় চট্টগ্রামে যখন হামের এই মহামারি দশা, তখন রোগ শনাক্তকরণ নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অব্যবস্থাপনা।
ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি (BITID)-তে দেশের একমাত্র কার্যকর ‘বায়োসেফটি লেভেল-৩’ ল্যাবরেটরি থাকা সত্ত্বেও কিট সংকট ও আমলাতান্ত্রিক অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা বন্ধ। ফলে বাধ্য হয়ে ১,৪৪৫ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে ঢাকার ল্যাবে। বিআইটিআইডির অধ্যাপক ডা. মামুনুর রশীদ জানান, সক্ষমতা থাকলেও কিট নেই। রিপোর্ট আসতে সময় নষ্ট হওয়ায় বিপাকে পড়ছেন স্বজনরা। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, “বর্তমানে ১১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। রোগীর চাপ সামলাতে চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন।” তবে জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ইতিমধ্যে শিশুদের বিশেষ টিকা দেওয়া হয়েছে, আশা করছি কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।”



