ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাকসহ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ মালামাল লুট করা এনসিপির ২ শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে উদ্ধার মা–মেয়ের লাশ
রাজধানীতে বিকালেই রাতের অন্ধকার
মায়ানমার সীমান্তে নতুন অস্বস্তি: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, আরাকান নেতার বিতর্কিত মানচিত্র ঘিরে উদ্বেগ
আলুটিলা পাহাড় ইসলামীকরণ: পর্যটন স্থানে জমি দখলের করে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ; জেলা প্রশাসকের সায়
নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন সাতক্ষীরার লাখো জেলে, পরিবার নিয়ে দুর্ভোগে
চট্টগ্রামে বেপরোয়া শিবির-সাজ্জাদের বাহিনী: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা না দিলে শরীর ঝাঁজরা করে দেওয়ার হুমকি
হামে শিশু মৃত্যু ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে উত্তাল রাজপথ: ইউনূস-নূরজাহানের বিচারসহ ১০ দফা দাবি
হামে আক্রান্ত হয়ে শত শত শিশুর মৃত্যুর দায়ে সদ্য সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও তার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠছে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সকল বাধা ও প্রশাসনিক রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আজ ১৫ই মে, শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় বক্তারা ‘প্রতিরোধযোগ্য হাম রোগে নিষ্পাপ সম্ভাবনাময় শিশু হত্যার জন্য দায়ী ইউনূস-নূরজাহান গংদের বিচার, মৃত শিশুদের ক্ষতিপূরণ এবং জনস্বার্থবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’র তীব্র প্রতিবাদ জানান।
মানববন্ধনে শিক্ষক, সাংবাদিক, আইনজীবী ও সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। সাধারণ মানুষকে এ সময় সাদা কাফনের কাপড়ে মোড়ানো মৃত
শিশুদের প্রতিকৃতি (মোটিফ) নিয়ে দাঁড়িয়ে নীরব প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়। অনুষ্ঠানের শুরুতে টিকা সংকটে মৃত শিশুদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ক্রিয়েটিভ রাইটার্স-এর মুখপাত্র কবি কুতুব হিলালির সঞ্চালনায় মানববন্ধনের মূল দাবিগুলো উপস্থাপন করেন চলচ্চিত্র পরিচালক ও কলাম লেখক এস এম কামরুজ্জামান সাগর। সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী সাকিল আহমদ বলেন, “সরকারি গাফিলতিতে অকালে শত শত শিশু চলে গেছে। ৫ শতাধিক শিশুর মৃত্যু কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, এটি পরিকল্পিত মানবিক বিপর্যয়। ইউনিসেফের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ড. ইউনূস ও নূরজাহান বেগম হঠাৎ ভ্যাকসিন ক্রয়নীতি পরিবর্তন করেছেন। এই রক্তের দায় তারা এড়াতে পারেন না।” সাকিল আহমদ আরও বলেন, এই সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতি হুমকিতে ফেলে
একটি ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’ (RTA) স্বাক্ষর করেছে, যা আসলে অর্থনৈতিক আত্মসমর্পণ। এর ফলে সয়াবিন, ভুট্টা, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্য আমদানির বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে এবং দেশের কৃষকরা ধ্বংস হবে। অ্যাডভোকেট চৈতালি চক্রবর্তী বলেন, “আমি ইউনূস, নূরজাহান ও তাদের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চাই। এরা দেশটাকে লুট করেছে। এরা যেন কোনোভাবেই দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে।” সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার অভিযোগ করেন, ড. ইউনূস পরিকল্পিতভাবে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট দেশটাকে নতুন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে তুলে দিয়েছেন। সমাজকর্মী শাহরিয়ার নাফিস জয় বলেন, এই সরকার বিদেশ থেকে লোক ভাড়া করে এনে দেশ ধ্বংস করেছে। সাংবাদিক হাসান আহমেদ মার্কিন চুক্তিকে ‘ঔপনিবেশিক’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের
দাবি জানান। এছাড়া নাট্যজন এহসানুল আজিজ বাবু, সোহেলী চৌধুরী, শান্তা ফারজানা, মোমিন মেহেদী ও রূপক দেহলভি প্রমুখ সংহতি প্রকাশ করেন। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের আর্তনাদ শাহজাহানপুরের দিনমজুর মোক্তার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার ভাতিজা হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে। আমরা জীবনেও হামে এত মানুষের মৃত্যুর কথা শুনিনি। টিকা কেন কেনা হলো না? এর জবাব ইউনূসকে দিতেই হবে।” উত্থাপিত ১০ দফা দাবি টিকা সংগ্রহে ব্যর্থতা ও হামে শিশু মৃত্যুর জন্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা জনস্বার্থবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করা জুলাই ২০২৪-এর কোটা আন্দোলনের হত্যাকাণ্ডের জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার অগ্নিসন্ত্রাস, ভাঙচুর, লুটপাট ও মব কালচারের সাথে জড়িতদের শাস্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আটক
সকল রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি সকল রাজনৈতিক দলের অবাধ ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অধিকার নিশ্চিত করা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ বন্ধ করা তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার আইসিটি আদালতে রাজনৈতিক হয়রানি ও প্রহসনমূলক বিচার বন্ধ করা সকল শিক্ষার্থীর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিবাদী মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে ‘আমার শিশু মরল কেন, ইউনূস তুই জবাব দে’, ‘মার্কিন গোলামি চুক্তি বাতিল করো’—স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত হয়। বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, দাবি না মানলে ভবিষ্যতে সারাদেশে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
শিশুদের প্রতিকৃতি (মোটিফ) নিয়ে দাঁড়িয়ে নীরব প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়। অনুষ্ঠানের শুরুতে টিকা সংকটে মৃত শিশুদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ক্রিয়েটিভ রাইটার্স-এর মুখপাত্র কবি কুতুব হিলালির সঞ্চালনায় মানববন্ধনের মূল দাবিগুলো উপস্থাপন করেন চলচ্চিত্র পরিচালক ও কলাম লেখক এস এম কামরুজ্জামান সাগর। সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী সাকিল আহমদ বলেন, “সরকারি গাফিলতিতে অকালে শত শত শিশু চলে গেছে। ৫ শতাধিক শিশুর মৃত্যু কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, এটি পরিকল্পিত মানবিক বিপর্যয়। ইউনিসেফের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ড. ইউনূস ও নূরজাহান বেগম হঠাৎ ভ্যাকসিন ক্রয়নীতি পরিবর্তন করেছেন। এই রক্তের দায় তারা এড়াতে পারেন না।” সাকিল আহমদ আরও বলেন, এই সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতি হুমকিতে ফেলে
একটি ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’ (RTA) স্বাক্ষর করেছে, যা আসলে অর্থনৈতিক আত্মসমর্পণ। এর ফলে সয়াবিন, ভুট্টা, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্য আমদানির বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে এবং দেশের কৃষকরা ধ্বংস হবে। অ্যাডভোকেট চৈতালি চক্রবর্তী বলেন, “আমি ইউনূস, নূরজাহান ও তাদের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চাই। এরা দেশটাকে লুট করেছে। এরা যেন কোনোভাবেই দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে।” সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার অভিযোগ করেন, ড. ইউনূস পরিকল্পিতভাবে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট দেশটাকে নতুন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে তুলে দিয়েছেন। সমাজকর্মী শাহরিয়ার নাফিস জয় বলেন, এই সরকার বিদেশ থেকে লোক ভাড়া করে এনে দেশ ধ্বংস করেছে। সাংবাদিক হাসান আহমেদ মার্কিন চুক্তিকে ‘ঔপনিবেশিক’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের
দাবি জানান। এছাড়া নাট্যজন এহসানুল আজিজ বাবু, সোহেলী চৌধুরী, শান্তা ফারজানা, মোমিন মেহেদী ও রূপক দেহলভি প্রমুখ সংহতি প্রকাশ করেন। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের আর্তনাদ শাহজাহানপুরের দিনমজুর মোক্তার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার ভাতিজা হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে। আমরা জীবনেও হামে এত মানুষের মৃত্যুর কথা শুনিনি। টিকা কেন কেনা হলো না? এর জবাব ইউনূসকে দিতেই হবে।” উত্থাপিত ১০ দফা দাবি টিকা সংগ্রহে ব্যর্থতা ও হামে শিশু মৃত্যুর জন্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা জনস্বার্থবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করা জুলাই ২০২৪-এর কোটা আন্দোলনের হত্যাকাণ্ডের জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার অগ্নিসন্ত্রাস, ভাঙচুর, লুটপাট ও মব কালচারের সাথে জড়িতদের শাস্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আটক
সকল রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি সকল রাজনৈতিক দলের অবাধ ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অধিকার নিশ্চিত করা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ বন্ধ করা তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার আইসিটি আদালতে রাজনৈতিক হয়রানি ও প্রহসনমূলক বিচার বন্ধ করা সকল শিক্ষার্থীর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিবাদী মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে ‘আমার শিশু মরল কেন, ইউনূস তুই জবাব দে’, ‘মার্কিন গোলামি চুক্তি বাতিল করো’—স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত হয়। বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, দাবি না মানলে ভবিষ্যতে সারাদেশে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।



