ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হামের টিকাদানের ব্যর্থতায় হাসিনা সরকারের কোনো দায় নেই : ডা. রাকিব
‘গোলামী’ চুক্তি আর গোলামের চুক্তি
পেটের দায়ে প্রতিবন্ধী নাতিকে শিকলে বেঁধে টিসিবির লাইনে নানি, অসহায়ত্বের প্রতিচ্ছবি
দেশে ভোটার বাড়ল ৬ লাখ ২৮ হাজার
বাইকার-অটোরিকশাচালকদের জন্য দুঃসংবাদ
জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিদ্যুতের সাশ্রয়ী স্ল্যাব থাকছে না, কিনতে হবে উচ্চমূল্যে
চাকরিচ্যুতির হুমকিতে কর্মচারীরা: নেত্রকোণায় সাব রেজিস্ট্রি অফিসের চার্টারে বঙ্গবন্ধুর উক্তি, চটলেন ডেপুটি স্পিকার কামাল কায়সার
সরকারি কর্মচারীদের ‘জনগণের সেবক’ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া একটি ঐতিহাসিক উক্তিকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে নেত্রকোণার কলমাকান্দায়।
আজ ১৪ মে, বৃহস্পতিবার বিকেলে কলমাকান্দা সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে সিটিজেন চার্টারে থাকা বঙ্গবন্ধুর বাণী দেখে প্রকাশ্য উষ্মা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
হঠাৎ পরিদর্শন ও বাণীর ওপর নজর
প্রত্যক্ষদর্শী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ডেপুটি স্পিকার হঠাৎ সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে উপস্থিত হন। সেখানে সেবাগ্রহীতাদের সাথে কথা বলার সময় জনৈক গণমাধ্যমকর্মী সিটিজেন চার্টারে লেখা বঙ্গবন্ধুর একটি বাণীর দিকে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “এগুলো
বহু আগে… এসব ডায়লগ এখন তো…।” চার্টারে লেখা ছিল— “সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সাথে মিশে যেতে হবে। তারা জনগণের গোলাম, সেবক, ভাই। তারা জনগণের বাপ, জনগণের ছেলে, জনগণের সন্তান। তাদের এ মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।” “নিজের পকেট ঢোকাও তো খালি”—অফিসারদের ভর্ৎসনা উক্তিটি দেখার পর ডেপুটি স্পিকার তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি উপস্থিত সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করে বলেন, “এগুলো তো আগের। তার মানে আপনিও দেখেন নাই?” এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির দিকে ইঙ্গিত করে কঠোর ভাষায় বলেন, “নিজের পকেটে ঢুকাও তো খালি, চোখে পড়ব কেমনে?” বিব্রতকর পরিস্থিতিতে সাব-রেজিস্ট্রার বারবার ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, “স্যার ভুলবশত হয়েছে, আমি এটি সরিয়ে নেব। আমাকে মাফ করে দেন।” ডিপুটি স্পিকার
বলেন, না এর কোনো ক্ষমা নেই। এটা আসলে কী; হতভম্ব না, হতাশাও বটে। আর আমি মনে করি, যারা এ সমস্ত কার্যক্রমে লিপ্ত; তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা উচিত। এ ব্যাপারে তাদের চাকরি নিয়েও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও উচিত। জনমনে ক্ষোভ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের বৈপরীত্য ডেপুটি স্পিকারের এমন আচরণকে ‘অগণতান্ত্রিক’ ও ‘ইতিহাস অস্বীকারকারী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন স্থানীয়রা। পরিদর্শন শেষে তিনি চলে যাওয়ার পর উপস্থিত জনসাধারণ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দল-মত নির্বিশেষে জনসেবার এমন চমৎকার বার্তা মুছে ফেলার হুমকি দেওয়া সুস্থ রাজনীতির পরিপন্থী। নেত্রকোণার সাধারণ মানুষের মাঝে এই ঘটনা নিয়ে এখন তীব্র উত্তেজনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—জনগণের সেবক
হওয়ার বার্তাতেও যদি রাজনীতির রঙ লাগানো হয়, তবে সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল কোথায়? উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ এক বক্তব্যে বলেছিলেন, “আমরা মুক্তিযুদ্ধকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রাখতে চাই।” অথচ খোদ ডেপুটি স্পিকারের এমন কর্মকাণ্ডে সরকারের ভেতরকার আদর্শিক বৈপরীত্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—জনগণকে ‘সেবক’ ভাবার এই দর্শন কি তবে এখন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
বহু আগে… এসব ডায়লগ এখন তো…।” চার্টারে লেখা ছিল— “সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সাথে মিশে যেতে হবে। তারা জনগণের গোলাম, সেবক, ভাই। তারা জনগণের বাপ, জনগণের ছেলে, জনগণের সন্তান। তাদের এ মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।” “নিজের পকেট ঢোকাও তো খালি”—অফিসারদের ভর্ৎসনা উক্তিটি দেখার পর ডেপুটি স্পিকার তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি উপস্থিত সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করে বলেন, “এগুলো তো আগের। তার মানে আপনিও দেখেন নাই?” এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির দিকে ইঙ্গিত করে কঠোর ভাষায় বলেন, “নিজের পকেটে ঢুকাও তো খালি, চোখে পড়ব কেমনে?” বিব্রতকর পরিস্থিতিতে সাব-রেজিস্ট্রার বারবার ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, “স্যার ভুলবশত হয়েছে, আমি এটি সরিয়ে নেব। আমাকে মাফ করে দেন।” ডিপুটি স্পিকার
বলেন, না এর কোনো ক্ষমা নেই। এটা আসলে কী; হতভম্ব না, হতাশাও বটে। আর আমি মনে করি, যারা এ সমস্ত কার্যক্রমে লিপ্ত; তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা উচিত। এ ব্যাপারে তাদের চাকরি নিয়েও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও উচিত। জনমনে ক্ষোভ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের বৈপরীত্য ডেপুটি স্পিকারের এমন আচরণকে ‘অগণতান্ত্রিক’ ও ‘ইতিহাস অস্বীকারকারী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন স্থানীয়রা। পরিদর্শন শেষে তিনি চলে যাওয়ার পর উপস্থিত জনসাধারণ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দল-মত নির্বিশেষে জনসেবার এমন চমৎকার বার্তা মুছে ফেলার হুমকি দেওয়া সুস্থ রাজনীতির পরিপন্থী। নেত্রকোণার সাধারণ মানুষের মাঝে এই ঘটনা নিয়ে এখন তীব্র উত্তেজনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—জনগণের সেবক
হওয়ার বার্তাতেও যদি রাজনীতির রঙ লাগানো হয়, তবে সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল কোথায়? উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ এক বক্তব্যে বলেছিলেন, “আমরা মুক্তিযুদ্ধকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রাখতে চাই।” অথচ খোদ ডেপুটি স্পিকারের এমন কর্মকাণ্ডে সরকারের ভেতরকার আদর্শিক বৈপরীত্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—জনগণকে ‘সেবক’ ভাবার এই দর্শন কি তবে এখন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?



