ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঈদের আগে নতুন নোটের সংকট: বঙ্গবন্ধুর ছবি থাকায় বাজারে ছাড়া হচ্ছে না ১৬ হাজার কোটি টাকা, উল্টো নতুন নোট ছাপার পেছনে অপব্যয়
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রা এখন ভারতীয় রুপি: রয়টার্স
ইউরোপের বাজারে চাহিদা কমছে বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের, গার্মেন্টস খাতে বড় ধাক্কা
কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করলো সরকার
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ, ধস নেমেছে শেয়ার বাজারে
চামড়া শিল্পে বছরে ৫০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানির সুযোগ হাতছাড়া বাংলাদেশের
চামড়া শিল্পের মান নির্ণায়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) পরিবেশগত সনদ না থাকায় নাইকি, অ্যাডিডাসের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের ক্রয়াদেশ পাচ্ছে না বাংলাদেশের ট্যানারিগুলো। বাধ্য হয়ে কম দামে চীনের বাজারে প্রক্রিয়াজাত চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে দেশীয় উদ্যোক্তাদের।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা জানান চামড়া খাতের উদ্যোক্তারা। শিল্পের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের জোর তাগিদও দেন তারা।
লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) সারা বিশ্বের চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাগুলোকে পরিবেশ সংক্রান্ত সনদ প্রদান করে। এই সনদ না থাকলে ইউরোপ ও আমেরিকার বড় ব্র্যান্ডগুলো সংশ্লিষ্ট কারখানার চামড়া কেনে না।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বাংলাদেশে এত দিনেও মাত্র ৮টি চামড়া কারখানা এই গুরুত্বপূর্ণ সনদ অর্জন করতে পেরেছে। ফলে দেশের বেশিরভাগ
ট্যানারি ইউরোপ-আমেরিকার উচ্চমূল্যের বাজার থেকে বঞ্চিত থাকছে। ট্যানারি মালিকরা জানিয়েছেন, এক যুগ পার হয়ে গেলেও এখনও শতভাগ কার্যকর হয়নি সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি)। এলডব্লিউজি সনদ পেতে হলে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। সিইটিপি পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় এই সনদ মিলছে না। আর সনদ না মেলায় প্রতি বছর প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির বিশাল সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে দেশের। এর জন্য উদ্যোক্তারা সরাসরি সরকারের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন। “শুধু ট্যানারি মালিকদের বা আড়তদারদের দোষারোপ করে লাভ নেই। চামড়ার যদি প্রোপার দাম চান তাহলে চামড়ার মান ঠিক থাকতে হবে। আপনি বাজারে গিয়ে কখনোই পচা মাছটা কিনবেন না, তা সে
যে দামেই দিক। সুতরাং আমরা মনে করি যে, এখানে অনেকগুলো সমস্যা আছে, যেগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে।” — শাহীন আহমেদ, সভাপতি, ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সঠিক পরিকল্পনার অভাবে চামড়া শিল্পে যেমন আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি সৃষ্টি হচ্ছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিও। বিশেষজ্ঞরা এই দ্বিমুখী সংকট মোকাবেলায় সরকার, শিল্প-মালিক ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ দিয়েছেন। সেমিনারে এলডব্লিউজির সাবেক অডিটর আফজাল হোসাইন জানান, ইতিমধ্যে তিনটি ট্যানারিতে ক্রোম রিকভারি ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে এবং এগুলো ভবিষ্যতে উপকারভোগী হবে। তিনি সব ট্যানারিকে এই প্রযুক্তি গ্রহণে আহ্বান জানান। “এই ২০ শতাংশ ক্রোম ফেলে না দিয়ে আমি যেন পুনর্ব্যবহার করি। অনেক আর্টিকেলে করা যাবে এটা। আমাদের টেকনোলজিস্টরা আছেন, টেকনোলজি
পৃথিবীতে আছে। আমি অনুরোধ করব, এটা ব্যবহার করার জন্য।” — আফজাল হোসাইন, সাবেক অডিটর, লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ সেমিনারে শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বরাবরের মতো সংকট সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। মো. নূরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয় “আমরা যেহেতু লিড মিনিস্ট্রি, এটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে আপনাদের কাজগুলোকে সহজ করে দেওয়া এবং কীভাবে কাজগুলো সম্পন্ন হবে আমরা সে ব্যবস্থা নিব।” সভায় চামড়া শিল্প নগরীতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সোলার প্যানেলের ওপর আলাদাভাবে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান খাতসংশ্লিষ্টরা। সামগ্রিকভাবে উদ্যোক্তারা এই সংকট থেকে উত্তরণে কেবল আশ্বাস নয়, কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান।
ট্যানারি ইউরোপ-আমেরিকার উচ্চমূল্যের বাজার থেকে বঞ্চিত থাকছে। ট্যানারি মালিকরা জানিয়েছেন, এক যুগ পার হয়ে গেলেও এখনও শতভাগ কার্যকর হয়নি সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি)। এলডব্লিউজি সনদ পেতে হলে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। সিইটিপি পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় এই সনদ মিলছে না। আর সনদ না মেলায় প্রতি বছর প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির বিশাল সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে দেশের। এর জন্য উদ্যোক্তারা সরাসরি সরকারের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন। “শুধু ট্যানারি মালিকদের বা আড়তদারদের দোষারোপ করে লাভ নেই। চামড়ার যদি প্রোপার দাম চান তাহলে চামড়ার মান ঠিক থাকতে হবে। আপনি বাজারে গিয়ে কখনোই পচা মাছটা কিনবেন না, তা সে
যে দামেই দিক। সুতরাং আমরা মনে করি যে, এখানে অনেকগুলো সমস্যা আছে, যেগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে।” — শাহীন আহমেদ, সভাপতি, ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সঠিক পরিকল্পনার অভাবে চামড়া শিল্পে যেমন আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি সৃষ্টি হচ্ছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিও। বিশেষজ্ঞরা এই দ্বিমুখী সংকট মোকাবেলায় সরকার, শিল্প-মালিক ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ দিয়েছেন। সেমিনারে এলডব্লিউজির সাবেক অডিটর আফজাল হোসাইন জানান, ইতিমধ্যে তিনটি ট্যানারিতে ক্রোম রিকভারি ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে এবং এগুলো ভবিষ্যতে উপকারভোগী হবে। তিনি সব ট্যানারিকে এই প্রযুক্তি গ্রহণে আহ্বান জানান। “এই ২০ শতাংশ ক্রোম ফেলে না দিয়ে আমি যেন পুনর্ব্যবহার করি। অনেক আর্টিকেলে করা যাবে এটা। আমাদের টেকনোলজিস্টরা আছেন, টেকনোলজি
পৃথিবীতে আছে। আমি অনুরোধ করব, এটা ব্যবহার করার জন্য।” — আফজাল হোসাইন, সাবেক অডিটর, লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ সেমিনারে শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বরাবরের মতো সংকট সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। মো. নূরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয় “আমরা যেহেতু লিড মিনিস্ট্রি, এটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে আপনাদের কাজগুলোকে সহজ করে দেওয়া এবং কীভাবে কাজগুলো সম্পন্ন হবে আমরা সে ব্যবস্থা নিব।” সভায় চামড়া শিল্প নগরীতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সোলার প্যানেলের ওপর আলাদাভাবে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান খাতসংশ্লিষ্টরা। সামগ্রিকভাবে উদ্যোক্তারা এই সংকট থেকে উত্তরণে কেবল আশ্বাস নয়, কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান।



