ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩
হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর…
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩
মুন্সীগঞ্জে ৫ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ১ জন গ্রেপ্তার।
কুষ্টিয়ায় ফাঁকা স্কুলঘরে নিয়ে শিশু ধর্ষণ, যুবককে গণপিটুনি দিয়ে হাসপাতালে
কালিয়াকৈরে শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দিতে সালিশ, মায়ের মামলা
তাহিরপুর দুই কিশোরের গণধর্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু
কিশোরগঞ্জে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা
মাদক কারবারে প্রতিবাদ করায় কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নে কাঠব্যবসায়ী হানিফ মিয়া (৩৪)কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়ার পর তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাকির হোসেনের পরিবারের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
নিহত হানিফ মিয়া আনন্দবাজার এলাকার টুকু মিয়া বাড়ির মো. ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী লসকর মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হানিফকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়।
পরে রাত ১২টার দিকে হানিফ তার স্ত্রী আয়েশা বেগমকে ফোন করে বলেন, তাকে মারধর করা হচ্ছে এবং জাকিরসহ কয়েকজন তাকে হত্যা করতে পারে।
এ খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত
লসকর মিয়ার বাড়িতে ছুটে যান। কিন্তু বাড়ির সব গেট বন্ধ থাকায় তারা ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পূর্ব পাশে প্রায় দেড়শ ফুট দূরের একটি পতিত ধানের জমি থেকে হানিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরীফ উদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হত্যার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি। অভিযুক্ত জাকিরকে না পেয়ে তার মা, বাবা, বোন ও স্ত্রীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জাকিরের বাবা লসকর মিয়া পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশের কাছে
সোপর্দ করে। তবে জাকির হোসেনসহ অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। এদিকে ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকালে উত্তেজিত জনতা লসকর মিয়ার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় বাড়ির ভেতরে ও বাইরে থাকা একটি মোটরসাইকেলও আগুনে পুড়ে যায়। এলাকাবাসী জানান, জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে গরু চুরি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকা-ের অভিযোগও রয়েছে। নিহতের স্ত্রী আয়েশা বেগম বলেন, আমার স্বামী বাঁচার জন্য আমাকে ফোন করেছিল। জাকির তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। অনেক আকুতি-মিনতির পরও তারা তাকে বাঁচতে দেয়নি। আমি এই হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি চাই। নিহতের বাবা ইব্রাহিম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে আমরা ছেলেকে উদ্ধার করতে গেলেও তারা গেট খোলেনি।
পরে আমার ছেলেকে হত্যা করে মরদেহ পাশের জমিতে ফেলে রাখা হয়। মাদক কারবার ও গরু চুরিতে প্রতিবাত করায় আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
লসকর মিয়ার বাড়িতে ছুটে যান। কিন্তু বাড়ির সব গেট বন্ধ থাকায় তারা ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পূর্ব পাশে প্রায় দেড়শ ফুট দূরের একটি পতিত ধানের জমি থেকে হানিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরীফ উদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হত্যার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি। অভিযুক্ত জাকিরকে না পেয়ে তার মা, বাবা, বোন ও স্ত্রীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জাকিরের বাবা লসকর মিয়া পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশের কাছে
সোপর্দ করে। তবে জাকির হোসেনসহ অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। এদিকে ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকালে উত্তেজিত জনতা লসকর মিয়ার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় বাড়ির ভেতরে ও বাইরে থাকা একটি মোটরসাইকেলও আগুনে পুড়ে যায়। এলাকাবাসী জানান, জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে গরু চুরি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকা-ের অভিযোগও রয়েছে। নিহতের স্ত্রী আয়েশা বেগম বলেন, আমার স্বামী বাঁচার জন্য আমাকে ফোন করেছিল। জাকির তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। অনেক আকুতি-মিনতির পরও তারা তাকে বাঁচতে দেয়নি। আমি এই হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি চাই। নিহতের বাবা ইব্রাহিম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে আমরা ছেলেকে উদ্ধার করতে গেলেও তারা গেট খোলেনি।
পরে আমার ছেলেকে হত্যা করে মরদেহ পাশের জমিতে ফেলে রাখা হয়। মাদক কারবার ও গরু চুরিতে প্রতিবাত করায় আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।



