ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আইনি সেবায় নতুন দিগন্ত: বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন এখন সবার নাগালে- এক ক্লিকেই
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
বিদিশা সিদ্দিকের ২ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
একবার এফআইআর হলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ১৩ ও ১৪ মে
‘ফ্যাসিস্টের সহযোগী’ ১৬ জনের মনোনয়ন বাতিল
জেলগেটে স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ব্যারিস্টার সুমনের রিট
আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে বাধা ‘টেকনিক্যাল মব’: মনজিল মোরসেদ
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের অংশগ্রহণে বাধা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘টেকনিক্যাল মব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়—স্বৈরাচারী সরকারের সমর্থকরা যেন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্তের আলোকে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের নির্বাচন থেকে বিরত রাখা হয়।
মনজিল মোরসেদ বলেন, নির্বাচন কমিশন বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথভাবে অবগত ছিল না বলেও অনেকে দাবি করেছেন। পাশাপাশি অধিকাংশ প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি সরাসরি শারীরিক আঘাত না হলেও একটি ‘টেকনিক্যাল’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের ঘটনা।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ফলাফল অনিশ্চিত
হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই কাউকে নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে বলে তার ধারণা। উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সদস্যদের এক বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ফলে এবারের নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারেননি। এবারের নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেল (নীল প্যানেল), জামায়াত-সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (সবুজ প্যানেল) এবং এনসিপি-সমর্থিত ন্যাশনাল ল ইয়ার্স অ্যালায়েন্স (লাল-সবুজ প্যানেল) অংশ নেয়।
হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই কাউকে নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে বলে তার ধারণা। উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সদস্যদের এক বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ফলে এবারের নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারেননি। এবারের নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেল (নীল প্যানেল), জামায়াত-সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (সবুজ প্যানেল) এবং এনসিপি-সমর্থিত ন্যাশনাল ল ইয়ার্স অ্যালায়েন্স (লাল-সবুজ প্যানেল) অংশ নেয়।



