ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এমআরটি লাইন-৫-এর ব্যয় বাড়ছে ১২৬%, ৪১ হাজার কোটি থেকে এক লাফে ৯৩ হাজার কোটি টাকা
সাধারণ জনগণের জন্য কষ্টকর হলেও সরকারি চাকুরেদের পে-স্কেল ঘোষণা অচিরেই: মুখ্যসচিব
পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টের পর বঙ্গবন্ধুর কন্যাদের আশ্রয়দাতা হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর স্মৃতিচারণ
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব: বর্তমানে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের দায় সরকারের নয়
১৩০০ কোটি টাকা খরচে দেশের আনাচে-কানাচে বসবে ১০ লাখ এআই ক্যামেরা, নাগরিকের গতিবিধি নজরদারিতে!
‘১৭ বছরে একটি গ্যাসকূপও খনন হয়নি’—তারেক রহমানের দাবিকে ‘অপপ্রচার’ বলছে ফ্যাক্ট ডিটেক্টর
রাজধানীর ডেমরায় অদ্ভূত গড়নের বোমাসহ দুই যুবক আটক, তদন্তে নেমেছে এটিইউ ও সিটিটিসি
১৫ আগস্টের বৈঠক সন্দেহে আওয়ামীপন্থি জ্যেষ্ঠ আইনজীবীসহ ১৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আইনজীবীদের নিন্দা
১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরে আওয়ামীপন্থি জ্যেষ্ঠ আইনজীবীসহ ১৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ডবলমুরিং থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন সংক্রান্ত কার্যক্রমের তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। আটককৃত আইনজীবীদের প্রাথমিক পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন ফৌজদারি ও রাজনৈতিক মামলায় তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
পুলিশের দাবি, অপরাধ ও বিশৃঙ্খলা রোধে এই প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকায় ১৫ই আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভায় জড়ো হওয়ার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৫ নেতাকর্মীকে
আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন নারী সদস্য রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, ১৫ই আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত মনসুরাবাদ ওয়াপদা কলোনি সংলগ্ন হাজী ফজলুল করিম চৌধুরী ‘রয়েল টাচ’ অ্যাপার্টমেন্টের পঞ্চম তলায় কয়েকজন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী জড়ো হন। সেখানে ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে—এমন খবর পেয়ে ডবলমুরিং থানা-পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে নেতৃত্বদানকারী হিসেবে অ্যাডভোকেট উম্মে হাবিবাকে (৪৭) আটক করা হয়। তিনি বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য। আটক অন্যদের মধ্যে রয়েছেন হালিশহর থানা আওয়ামী লীগের দপ্তরবিষয়ক সম্পাদক মো.
ইস্কান্দার মির্জা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শুভ আইচ, চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামেলা খানম রুপা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক সুজলা অন্তরা এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শারমিনা ইয়াসমিন নিশু। এ ছাড়া সদস্য- সঞ্জয় কান্তি নাথ, এসএম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, যীশু রায় চৌধুরী, মশিউর রহমান আবীর, আয়েশা হেভেন ও মোহাম্মদ জাকির হোসেনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে অনেকেই আইনপেশায় যুক্ত বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় একটি
মামলা করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলাটির নম্বর ১২। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশের বিবৃতিতে মামলায় তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন কোন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি। এদিকে এই গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আইনজীবী সমাজে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আটক আইনজীবীদের সহকর্মী ও সমর্থকরা এ ঘটনাকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বেআইনি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। আইনজীবী নেতারা জানান, পেশাগত দায়িত্বে নিয়োজিত আইনজীবীদের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া গ্রেপ্তার করা মানবাধিকার ও আইনি কাঠামোর চরম লঙ্ঘন। তাদের মতে, কেবল রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। সহকর্মী আইনজীবীরা অনতিবিলম্বে আটক সকল আইনজীবীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। দাবি
না মানা হলে আগামীতে আদালত অঙ্গনে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন নারী সদস্য রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, ১৫ই আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত মনসুরাবাদ ওয়াপদা কলোনি সংলগ্ন হাজী ফজলুল করিম চৌধুরী ‘রয়েল টাচ’ অ্যাপার্টমেন্টের পঞ্চম তলায় কয়েকজন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী জড়ো হন। সেখানে ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে—এমন খবর পেয়ে ডবলমুরিং থানা-পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে নেতৃত্বদানকারী হিসেবে অ্যাডভোকেট উম্মে হাবিবাকে (৪৭) আটক করা হয়। তিনি বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য। আটক অন্যদের মধ্যে রয়েছেন হালিশহর থানা আওয়ামী লীগের দপ্তরবিষয়ক সম্পাদক মো.
ইস্কান্দার মির্জা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শুভ আইচ, চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামেলা খানম রুপা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক সুজলা অন্তরা এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শারমিনা ইয়াসমিন নিশু। এ ছাড়া সদস্য- সঞ্জয় কান্তি নাথ, এসএম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, যীশু রায় চৌধুরী, মশিউর রহমান আবীর, আয়েশা হেভেন ও মোহাম্মদ জাকির হোসেনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে অনেকেই আইনপেশায় যুক্ত বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় একটি
মামলা করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলাটির নম্বর ১২। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশের বিবৃতিতে মামলায় তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন কোন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি। এদিকে এই গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আইনজীবী সমাজে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আটক আইনজীবীদের সহকর্মী ও সমর্থকরা এ ঘটনাকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বেআইনি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। আইনজীবী নেতারা জানান, পেশাগত দায়িত্বে নিয়োজিত আইনজীবীদের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া গ্রেপ্তার করা মানবাধিকার ও আইনি কাঠামোর চরম লঙ্ঘন। তাদের মতে, কেবল রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। সহকর্মী আইনজীবীরা অনতিবিলম্বে আটক সকল আইনজীবীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। দাবি
না মানা হলে আগামীতে আদালত অঙ্গনে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।



