ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এমআরটি লাইন-৫-এর ব্যয় বাড়ছে ১২৬%, ৪১ হাজার কোটি থেকে এক লাফে ৯৩ হাজার কোটি টাকা
১৫ আগস্টের বৈঠক সন্দেহে আওয়ামীপন্থি জ্যেষ্ঠ আইনজীবীসহ ১৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আইনজীবীদের নিন্দা
পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টের পর বঙ্গবন্ধুর কন্যাদের আশ্রয়দাতা হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর স্মৃতিচারণ
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব: বর্তমানে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের দায় সরকারের নয়
১৩০০ কোটি টাকা খরচে দেশের আনাচে-কানাচে বসবে ১০ লাখ এআই ক্যামেরা, নাগরিকের গতিবিধি নজরদারিতে!
‘১৭ বছরে একটি গ্যাসকূপও খনন হয়নি’—তারেক রহমানের দাবিকে ‘অপপ্রচার’ বলছে ফ্যাক্ট ডিটেক্টর
রাজধানীর ডেমরায় অদ্ভূত গড়নের বোমাসহ দুই যুবক আটক, তদন্তে নেমেছে এটিইউ ও সিটিটিসি
সাধারণ জনগণের জন্য কষ্টকর হলেও সরকারি চাকুরেদের পে-স্কেল ঘোষণা অচিরেই: মুখ্যসচিব
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো বা পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে এটি ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
তবে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়তে পারে এবং এতে সাধারণ মানুষের জন্য পরিস্থিতি কিছুটা কষ্টকর হয়ে উঠতে পারে বলেও স্বীকার করেছেন তিনি।
আজ ১৬ই আগস্ট, রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখ্যসচিব বলেন, ‘পে-স্কেল বিবেচনাধীন আছে এবং সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটা আমরা বাস্তবায়ন করব। এটা চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে, যেকোনো মুহূর্তেই পে-স্কেল ঘোষণা হতে পারে।’
বর্তমানে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৯ শতাংশের আশপাশে রয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হলে মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আছে কি না—এমন
প্রশ্নের জবাবে আব্দুস সাত্তার বলেন, বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তিনি বলেন, সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় বছর পরপর নতুন পে-স্কেল দেওয়ার কথা। কিন্তু গত সরকার ১১ বছর ধরে কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করেনি। ফলে প্রায় ১৮ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। মুখ্যসচিব বলেন, ‘এটা হয়তো জনগণের জন্য একটু কষ্টকর হবে। কিন্তু কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাঁদের জীবনযাত্রার সমন্বয় চান। আর এই ধারাবাহিকতা পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে হওয়ার কথা। আজকে প্রায় ১২ বছর হয়ে যাচ্ছে।’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রায় ২০ দিন আগে নবম জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর সুপারিশ করে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা
থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে। তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদও কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি জানিয়েছিলেন। সুপারিশগুলো পরীক্ষা করে দেখার জন্য কমিটি গঠনের কথাও বলা হয়েছিল। এর আগে ২০১৩ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন কমিশন গঠনের পর দীর্ঘ ১২ বছর পরে নতুন বেতন কমিশন গঠন করা হয়। চলতি বছরের ২১শে জানুয়ারি কমিশন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিশনের চেয়ারম্যান তখন জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায়
১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী—এমন প্রশ্নের জবাবে মুখ্যসচিব বলেন, অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতই সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, ‘লুটপাট হয়েছে, লক্ষ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। আমরা বেসরকারি খাতকে ব্যাংক থেকে সাপোর্ট দিতে পারছি না। সবকিছুর জন্য দায়ী বিগত সরকার। এখন সেই জায়গা থেকে ফিরে আসতে তো সময় দিতে হবে।’ বাজারে পণ্যের দাম ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বাজারে কিছু সমস্যা রয়েছে এবং সরকার তা
সমাধানের চেষ্টা করছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যবস্থায় কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মুখ্যসচিব বলেন, ‘জ্বালানি এবং বিদ্যুতের কারণে হয়তো প্রোডাকশন চেইনে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে, ইনশা আল্লাহ।’ নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিসহ সরকারের বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাড়ছে। এর মধ্যে অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ এবং বৈদেশিক ঋণ নিয়ে সরকারের আলোচনা—সব মিলিয়ে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের অর্থের সংস্থান কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
প্রশ্নের জবাবে আব্দুস সাত্তার বলেন, বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তিনি বলেন, সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় বছর পরপর নতুন পে-স্কেল দেওয়ার কথা। কিন্তু গত সরকার ১১ বছর ধরে কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করেনি। ফলে প্রায় ১৮ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। মুখ্যসচিব বলেন, ‘এটা হয়তো জনগণের জন্য একটু কষ্টকর হবে। কিন্তু কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাঁদের জীবনযাত্রার সমন্বয় চান। আর এই ধারাবাহিকতা পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে হওয়ার কথা। আজকে প্রায় ১২ বছর হয়ে যাচ্ছে।’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রায় ২০ দিন আগে নবম জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর সুপারিশ করে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা
থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে। তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদও কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি জানিয়েছিলেন। সুপারিশগুলো পরীক্ষা করে দেখার জন্য কমিটি গঠনের কথাও বলা হয়েছিল। এর আগে ২০১৩ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন কমিশন গঠনের পর দীর্ঘ ১২ বছর পরে নতুন বেতন কমিশন গঠন করা হয়। চলতি বছরের ২১শে জানুয়ারি কমিশন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিশনের চেয়ারম্যান তখন জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায়
১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী—এমন প্রশ্নের জবাবে মুখ্যসচিব বলেন, অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতই সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, ‘লুটপাট হয়েছে, লক্ষ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। আমরা বেসরকারি খাতকে ব্যাংক থেকে সাপোর্ট দিতে পারছি না। সবকিছুর জন্য দায়ী বিগত সরকার। এখন সেই জায়গা থেকে ফিরে আসতে তো সময় দিতে হবে।’ বাজারে পণ্যের দাম ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বাজারে কিছু সমস্যা রয়েছে এবং সরকার তা
সমাধানের চেষ্টা করছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যবস্থায় কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মুখ্যসচিব বলেন, ‘জ্বালানি এবং বিদ্যুতের কারণে হয়তো প্রোডাকশন চেইনে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে, ইনশা আল্লাহ।’ নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিসহ সরকারের বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাড়ছে। এর মধ্যে অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ এবং বৈদেশিক ঋণ নিয়ে সরকারের আলোচনা—সব মিলিয়ে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের অর্থের সংস্থান কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।



