ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাই চেতনা আজ কোথায়! আবু সাঈদের ক্যাম্পাসেও শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে বিভিন্ন কোটায়
আবু সাঈদের স্মরণসভা ফাঁকা দেখে হতাশ মন্ত্রী: ‘বেরোবি চত্বর পরিপূর্ণ থাকলে আবু সাঈদ কবরে শান্তি পেত’
দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের ঘোষিত লংমার্চ ঘিরে সায়েন্সল্যাব এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার
সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহি: এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞানে প্রশ্নপত্রের ভুলের দায় স্বীকার, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে পূর্ণমান দেয়ার প্রতিশ্রুতি
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনে অনড় শিক্ষামন্ত্রীঃ ‘কোন পদত্যাগ হবে না’, চট্টগ্রাম বাদে সব বোর্ডের পরীক্ষা অব্যাহত থাকবে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা: রুটিন অনুযায়ী হবে পরীক্ষা, পর্যাপ্ত সময় নিয়ে কেন্দ্রে যান
পরীক্ষা কেন্দ্রে জুলাই তামাশা? ১৮ তারিখের প্রশ্নপত্র ২ দিন আগে হাতে, সংশোধনের পর এলো ২০২৫ সালের প্রশ্ন
সাতক্ষীরা সিটি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি ভূগোল পরীক্ষায় ঘটেছে এক চরম দায়িত্বহীন ও নজিরবিহীন ঘটনা। পরীক্ষার প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে ভুলবশত বিতরণ করা হয়েছে আগামী পরশু দিন (১৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বিতীয় পত্রের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) প্রশ্নপত্র!
শুধু তা-ই নয়, সেই ভুল সংশোধনের পর তড়িঘড়ি করে সরবরাহ করা হয় ২০২৫ সালের পুরোনো সৃজনশীল প্রশ্নপত্র।
এই চরম নাটকীয়তার জেরে কেন্দ্র সচিবকে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট তারা ভূগোলের দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্রেই উত্তর লিখতে থাকেন। এরপর হঠাৎ কর্তৃপক্ষের টনক নড়লে তাড়াহুড়ো করে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে
সেই ওএমআর (OMR) ও প্রশ্নপত্র কেড়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সঠিক প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র আনতে দেরি হওয়ায় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীল প্রশ্ন বিতরণ করে। কিন্তু সেখানেও বাধে আরেক বিপত্তি! দেখা যায়, সেটিও মূলত ২০২৫ সালের পুরোনো প্রশ্নপত্র। কয়েক মিনিটের মাথায় দ্বিতীয়বারের মতো সেই ভুল সংশোধন করে অবশেষে সঠিক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে নির্ধারিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ২০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষা) রিপন বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,”প্রশ্নপত্র বাছাই (সর্টিং) করার সময় কলেজ কর্তৃপক্ষের অসাবধানতা ও ভুলের কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে দ্রুত অবহিত করা হয়েছে।
তদন্তের স্বার্থে প্রাথমিকভাবে কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।” আগামী ১৮ই জুলাই যে দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, তার প্রশ্ন ইতিমধ্যেই সবার সামনে চলে আসায় পরীক্ষাটি আদৌ ওই প্রশ্নে হবে কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র ধোঁয়াশা। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জানান, প্রশ্নপত্র বহাল থাকবে নাকি নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা হবে, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ শিক্ষা বোর্ড নেবে। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুখে আযম মো. আব্দুস ছালাম এই গুরুতর অবহেলার প্রেক্ষিতে বলেন,”ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দ্রুত প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বোর্ড থেকে তাঁকে কঠোর কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর
তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সাতক্ষীরা সিটি কলেজ কেন্দ্রটিতে মোট ৪টি কলেজের শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। পরীক্ষা হলের ভেতরে একের পর এক এমন নজিরবিহীন ভুলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম উদ্বেগ, আতঙ্ক ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। গোপনীয় ও স্পর্শকাতর প্রশ্নপত্র নিয়ে এমন গাফিলতি কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সেই ওএমআর (OMR) ও প্রশ্নপত্র কেড়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সঠিক প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র আনতে দেরি হওয়ায় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীল প্রশ্ন বিতরণ করে। কিন্তু সেখানেও বাধে আরেক বিপত্তি! দেখা যায়, সেটিও মূলত ২০২৫ সালের পুরোনো প্রশ্নপত্র। কয়েক মিনিটের মাথায় দ্বিতীয়বারের মতো সেই ভুল সংশোধন করে অবশেষে সঠিক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে নির্ধারিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ২০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষা) রিপন বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,”প্রশ্নপত্র বাছাই (সর্টিং) করার সময় কলেজ কর্তৃপক্ষের অসাবধানতা ও ভুলের কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে দ্রুত অবহিত করা হয়েছে।
তদন্তের স্বার্থে প্রাথমিকভাবে কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।” আগামী ১৮ই জুলাই যে দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, তার প্রশ্ন ইতিমধ্যেই সবার সামনে চলে আসায় পরীক্ষাটি আদৌ ওই প্রশ্নে হবে কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র ধোঁয়াশা। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জানান, প্রশ্নপত্র বহাল থাকবে নাকি নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা হবে, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ শিক্ষা বোর্ড নেবে। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুখে আযম মো. আব্দুস ছালাম এই গুরুতর অবহেলার প্রেক্ষিতে বলেন,”ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দ্রুত প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বোর্ড থেকে তাঁকে কঠোর কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর
তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সাতক্ষীরা সিটি কলেজ কেন্দ্রটিতে মোট ৪টি কলেজের শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। পরীক্ষা হলের ভেতরে একের পর এক এমন নজিরবিহীন ভুলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম উদ্বেগ, আতঙ্ক ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। গোপনীয় ও স্পর্শকাতর প্রশ্নপত্র নিয়ে এমন গাফিলতি কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।



