ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ
নভেম্বরের শুরুতেই স্কুল-কলেজে টানা ৩ দিনের ছুটি!
২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করতে চায় কারিগরি বোর্ড
চট্টগ্রামে কমার্স কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫ আগস্ট থানা লুটের পিস্তল-গুলি উদ্ধার
শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশে প্রস্তুত মাউশি
নোবিপ্রবিতে শিক্ষক সংকট চরমে, একসঙ্গে বিদেশে গেছেন অনেকজন
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে মিলেমিশে লুটপাট
চট্টগ্রামে কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি
কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বন্দর নগরী চট্টগ্রামের দক্ষিণ হালিশহরের এক কলেজছাত্রী। নিখোঁজের পর থেকে তার পরিবারকে অপহরণের কথা জানিয়ে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণের ফোন দেওয়া হচ্ছে এবং থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) প্রত্যাহার করতে অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এই ঘটনায় পুরো পরিবার গভীর নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।
নিখোঁজ ছাত্রীর নাম মিথিলা। তিনি স্থানীয় বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মতোই ঘটনার দিন সকালে কলেজের পোশাক পরে বাসা থেকে বের হন মিথিলা। কিন্তু বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেও তিনি আর ঘরে ফেরেননি। স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে ও নিকটাত্মীয়দের বাসায় খোঁজ নিয়েও তার
কোনো সন্ধান পাননি। বাধ্য হয়ে বন্দর থানায় মিথিলার পরিবার একটি জিডি দায়ের করে। জিডি দায়েরের পরপরই শুরু হয় রহস্যজনক টেলিফোন কল। নিখোঁজ ছাত্রীর ভাই হৃদয় জানান, একটি অপরিচিত ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপসের ভিওআইপি নম্বর থেকে তাদের কাছে ফোন আসে। ফোনে সরাসরি হুমকি দিয়ে বলা হয়, জিডি তুলে না নিলে মিথিলাকে মেরে ফেলা হবে। একইসাথে তাকে ফিরে পেতে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু টাকা দিতে সম্মতি জানানো হলেও চক্রটি নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা টাকা হস্তান্তরের উপায়ের কথা স্পষ্ট করে বলছে না। এতে এটি কোনো সংঘবদ্ধ অপহরণ নাকি সুযোগসন্ধানী প্রতারক চক্রের কাজ, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আজ
১৬ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহিম জানান, জিডি হওয়ার পর থেকেই পুলিশ মিথিলাকে উদ্ধারে তৎপর রয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, মুক্তিপণ দাবি এবং হুমকির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং খুব দ্রুতই ওই ছাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
কোনো সন্ধান পাননি। বাধ্য হয়ে বন্দর থানায় মিথিলার পরিবার একটি জিডি দায়ের করে। জিডি দায়েরের পরপরই শুরু হয় রহস্যজনক টেলিফোন কল। নিখোঁজ ছাত্রীর ভাই হৃদয় জানান, একটি অপরিচিত ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপসের ভিওআইপি নম্বর থেকে তাদের কাছে ফোন আসে। ফোনে সরাসরি হুমকি দিয়ে বলা হয়, জিডি তুলে না নিলে মিথিলাকে মেরে ফেলা হবে। একইসাথে তাকে ফিরে পেতে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু টাকা দিতে সম্মতি জানানো হলেও চক্রটি নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা টাকা হস্তান্তরের উপায়ের কথা স্পষ্ট করে বলছে না। এতে এটি কোনো সংঘবদ্ধ অপহরণ নাকি সুযোগসন্ধানী প্রতারক চক্রের কাজ, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আজ
১৬ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহিম জানান, জিডি হওয়ার পর থেকেই পুলিশ মিথিলাকে উদ্ধারে তৎপর রয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, মুক্তিপণ দাবি এবং হুমকির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং খুব দ্রুতই ওই ছাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।





