ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিয়ানমারে জান্তাকে গ্রাহকদের গোপন তথ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফেঁসে গেল টেলিনর
পেশাদার সন্ত্রাসীরা নিয়ন্ত্রণহীন
মেট্রোরেলে এডিবির চেয়ে দ্বিগুণ খরচ জাপানের
মানবতাবিরোধী অপরাধে জাফর ইকবালসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে পাশে থাকার আশ্বাস ওআইসির
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: কাজ না করেই টাকা উত্তোলন, টিআর-কাবিখার ৩১৮ প্রকল্পে মহা লুটপাট!
জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত নিটওয়্যার খাত: ৫৫% কারখানার রপ্তানি আদেশ বাতিল বা হ্রাস
সাত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে অস্ট্রেলিয়ার বঙ্গবন্ধু পরিষদের নিন্দা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত রাজনৈতিক নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বঙ্গবন্ধু পরিষদ।
সংগঠনটি অবিলম্বে এসব রায় থেকে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করা এবং সাতটি মামলাতেই পূর্ণাঙ্গ ও অর্থবহ আপিলের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া বলেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মঈনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসাইন ও শেখ ওয়ালী আসিফ এনানের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে। সংগঠনটি এই সাত নেতার বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের তীব্র নিন্দা জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই সাত নেতা
এমন একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত, যার শিকড় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার সাংবিধানিক ভিত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার দৃষ্টিতে এটি শুধু আরেকটি ফৌজদারি মামলার রায় নয়; বরং রাজনৈতিক বিরোধীদের সঙ্গে আচরণ এবং বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধপন্থি রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ভবিষ্যৎ নিয়েও এটি গভীর উদ্বেগের বিষয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট থেকে বাংলাদেশ একটি তুমুল রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারের অপসারণকে তারা এমন একটি ‘রেজিম চেঞ্জ’ হিসেবে দেখছে, যেখানে তাদের মূল্যায়নে সামরিক হস্তক্ষেপ এবং সংগঠিত ধর্মীয়-উগ্রবাদী শক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার অভিযোগ, পরবর্তী
সময়ে আওয়ামী লীগের সমর্থক, সংখ্যালঘু এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক প্রতীকগুলোর ওপর হামলার ঘটনা দেশ কোন দিকে এগোচ্ছে, সে বিষয়ে তাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগসংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাত আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে। সাত আসামির সবাই তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার বা ইন অ্যাবসেনশিয়ায় বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে সংগঠনটি বলেছে, কারও রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অভিযোগের গুরুত্ব যতই হোক না কেন, মৃত্যুদণ্ড একটি অপরিবর্তনীয় শাস্তি। মৌলিক যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা এবং কার্যকর আপিলের সুযোগ নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন থাকলে এমন শাস্তি দেওয়া উচিত
নয়। তবে ২০২৪ সালের সহিংসতায় স্বজন হারানো কিংবা আহত ব্যক্তিদের গভীর দুর্ভোগের কথাও বিবৃতিতে স্বীকার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া বলেছে, গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য, স্বাধীন ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তবে তাদের মতে, আইনের শাসনের পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিশোধ গ্রহণের মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায় না। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘Justice must not mean execution. Justice must mean truth, accountability, due process and the protection of human dignity’—অর্থাৎ ন্যায়বিচারের অর্থ মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত নয়; বরং সত্য, জবাবদিহি, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া এবং মানবিক মর্যাদার সুরক্ষা নিশ্চিত করাই ন্যায়বিচারের অর্থ হওয়া উচিত। সংগঠনটি সাতটি নির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—এসব
রায়ের ভিত্তিতে কোনো মৃত্যুদণ্ড অবিলম্বে কার্যকর বন্ধ করা, সাতটি মামলার পূর্ণাঙ্গ ও অর্থবহ আপিল পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়া, স্বাধীন আইনি প্রতিনিধিত্ব এবং আদালতে কার্যকর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার প্রমাণ ও পরিস্থিতির নিরপেক্ষ পরীক্ষা করা। এ ছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ও মানবাধিকারবিষয়ক মানদণ্ড অনুসরণ এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিরোধে মৃত্যুদণ্ডকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্তরা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়ায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও প্রক্রিয়াগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি। রাজনৈতিক মতপার্থক্য যতই গভীর হোক, মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে তার সমাধান করা উচিত নয় বলেও মত দিয়েছে বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে গভীর রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিভাজনের মধ্য দিয়ে
গেছে উল্লেখ করে সংগঠনটি বলেছে, এর জবাব হিসেবে আরেক দফা শাস্তি, প্রতিশোধ এবং অপরিবর্তনীয় রাষ্ট্রীয় সহিংসতার চক্র তৈরি করা যেতে পারে না। তাদের মতে, একটি গণতান্ত্রিক সমাজকে এমন নজির স্থাপন করতে হবে যে গুরুতর অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত বা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরাও মৌলিক আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রাখেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের সরকার, বিচার বিভাগ, জাতীয় প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যাতে এসব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করা হয় এবং আইনি পর্যালোচনার জন্য বিদ্যমান প্রতিটি সুযোগকে সম্মান করা হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ন্যায়বিচার ছাড়া টেকসই পুনর্মিলন সম্ভব নয়। আর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, ন্যায্যতা এবং মানবজীবনের প্রতি সম্মান ছাড়া প্রকৃত ন্যায়বিচারও সম্ভব নয়।’ সবশেষে
সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং বাংলাদেশকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আইনের মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন সংগঠনটির সভাপতি ড. নিজাম আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল।
এমন একটি রাজনৈতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত, যার শিকড় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার সাংবিধানিক ভিত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার দৃষ্টিতে এটি শুধু আরেকটি ফৌজদারি মামলার রায় নয়; বরং রাজনৈতিক বিরোধীদের সঙ্গে আচরণ এবং বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধপন্থি রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ভবিষ্যৎ নিয়েও এটি গভীর উদ্বেগের বিষয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট থেকে বাংলাদেশ একটি তুমুল রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারের অপসারণকে তারা এমন একটি ‘রেজিম চেঞ্জ’ হিসেবে দেখছে, যেখানে তাদের মূল্যায়নে সামরিক হস্তক্ষেপ এবং সংগঠিত ধর্মীয়-উগ্রবাদী শক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার অভিযোগ, পরবর্তী
সময়ে আওয়ামী লীগের সমর্থক, সংখ্যালঘু এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক প্রতীকগুলোর ওপর হামলার ঘটনা দেশ কোন দিকে এগোচ্ছে, সে বিষয়ে তাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগসংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাত আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে। সাত আসামির সবাই তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার বা ইন অ্যাবসেনশিয়ায় বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে সংগঠনটি বলেছে, কারও রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অভিযোগের গুরুত্ব যতই হোক না কেন, মৃত্যুদণ্ড একটি অপরিবর্তনীয় শাস্তি। মৌলিক যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা এবং কার্যকর আপিলের সুযোগ নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন থাকলে এমন শাস্তি দেওয়া উচিত
নয়। তবে ২০২৪ সালের সহিংসতায় স্বজন হারানো কিংবা আহত ব্যক্তিদের গভীর দুর্ভোগের কথাও বিবৃতিতে স্বীকার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া বলেছে, গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য, স্বাধীন ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তবে তাদের মতে, আইনের শাসনের পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিশোধ গ্রহণের মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায় না। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘Justice must not mean execution. Justice must mean truth, accountability, due process and the protection of human dignity’—অর্থাৎ ন্যায়বিচারের অর্থ মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত নয়; বরং সত্য, জবাবদিহি, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া এবং মানবিক মর্যাদার সুরক্ষা নিশ্চিত করাই ন্যায়বিচারের অর্থ হওয়া উচিত। সংগঠনটি সাতটি নির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—এসব
রায়ের ভিত্তিতে কোনো মৃত্যুদণ্ড অবিলম্বে কার্যকর বন্ধ করা, সাতটি মামলার পূর্ণাঙ্গ ও অর্থবহ আপিল পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়া, স্বাধীন আইনি প্রতিনিধিত্ব এবং আদালতে কার্যকর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার প্রমাণ ও পরিস্থিতির নিরপেক্ষ পরীক্ষা করা। এ ছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ও মানবাধিকারবিষয়ক মানদণ্ড অনুসরণ এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিরোধে মৃত্যুদণ্ডকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্তরা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়ায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও প্রক্রিয়াগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি। রাজনৈতিক মতপার্থক্য যতই গভীর হোক, মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে তার সমাধান করা উচিত নয় বলেও মত দিয়েছে বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে গভীর রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিভাজনের মধ্য দিয়ে
গেছে উল্লেখ করে সংগঠনটি বলেছে, এর জবাব হিসেবে আরেক দফা শাস্তি, প্রতিশোধ এবং অপরিবর্তনীয় রাষ্ট্রীয় সহিংসতার চক্র তৈরি করা যেতে পারে না। তাদের মতে, একটি গণতান্ত্রিক সমাজকে এমন নজির স্থাপন করতে হবে যে গুরুতর অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত বা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরাও মৌলিক আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রাখেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের সরকার, বিচার বিভাগ, জাতীয় প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যাতে এসব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করা হয় এবং আইনি পর্যালোচনার জন্য বিদ্যমান প্রতিটি সুযোগকে সম্মান করা হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ন্যায়বিচার ছাড়া টেকসই পুনর্মিলন সম্ভব নয়। আর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, ন্যায্যতা এবং মানবজীবনের প্রতি সম্মান ছাড়া প্রকৃত ন্যায়বিচারও সম্ভব নয়।’ সবশেষে
সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং বাংলাদেশকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আইনের মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন সংগঠনটির সভাপতি ড. নিজাম আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল।



