যুক্তরাষ্ট্র মনে করে আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে তার শক্তিই বড়: জাতিসংঘ মহাসচিব – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র মনে করে আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে তার শক্তিই বড়: জাতিসংঘ মহাসচিব

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ |
আন্তর্জাতিক আইন বা জাতিসংঘের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিচারের ঊর্ধ্বে’ উঠে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেন, 'ওয়াশিংটন এখন মনে করে, বৈশ্বিক সমস্যার বহুপাক্ষিক সমাধানের চেয়ে তাদের নিজস্ব ক্ষমতা ও প্রভাবই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।' সম্প্রতি বিবিসি রেডিও ৪-এর ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নীতি পর্যালোচনায় এটি স্পষ্ট যে, তারা বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাকে অপ্রাসঙ্গিক মনে করছে। অনেক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনকে কেবল তাদের নিজস্ব প্রভাব বিস্তারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে।' গুতেরেস এমন এক সময় এই মন্তব্য করলেন যার কিছুদিন আগে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপ এবং দেশটির প্রেসিডেন্টকে তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড

দখলের বিতর্কিত হুমকির বিষয়টিও এখন আলোচনায়। ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই জাতিসংঘের কড়া সমালোচক। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং দাবি করেন, তিনি একাই সাতটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন। তাতে জাতিসংঘ কোনো ভূমিকা নেই। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি বলেন, 'আমি বুঝতে পেরেছি জাতিসংঘ আমাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) জন্য নয়।' অনুষ্ঠানে গুতেরেস স্বীকার করেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে জাতিসংঘের সনদ মেনে চলতে বাধ্য করা যাচ্ছে না। এই কাজে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি বলেন, 'জাতিসংঘ সংঘাত নিরসনে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলেও আমাদের হাতে শক্তিধর দেশগুলোর মতো বিশেষ প্রভাব খাটানোর ক্ষমতা নেই।' জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে বিশ্বের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘অকার্যকর’ এবং ‘বৈষম্যমূলক’ মেনে নিয়ে স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো

ক্ষমতা' অপব্যবহারের কড়া সমালোচনা করেন গুতেরেস। তিনি বলেন, 'ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধ বন্ধে বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।' নিরাপত্তা পরিষদে ইউরোপীয় তিনটি দেশের স্থায়ী সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই ব্যবস্থা সংস্কারের কথা বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তিনি বলেন, 'জাতিসংঘের বৈধতা ধরে রাখতে এবং পুরো বিশ্বের কণ্ঠস্বর প্রতিফলিত করতে এর গঠনে পরিবর্তন আনা জরুরি। বিশেষ করে কোনো নির্দিষ্ট দেশের স্বার্থে যাতে বৈশ্বিক শান্তি বাধাগ্রস্ত না হয়, সেজন্য ভেটো ক্ষমতা সীমিত করা প্রয়োজন।' ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন গুতেরেস। পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও গুতেরেস ২০১৭ সালে জাতিসংঘ মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ

করেন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ তার এই মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন: ভুল কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত! কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জামায়াতের নির্বাচনী আইকন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির অফিসে এলজিবিটি দপ্তর: বিতর্ক চরমে ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব! স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক আচরণবিধি ভাঙায় পাকিস্তানের আঘা সালমানকে আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম! The International Crimes Tribunal Has Turned into a Machine for Illicit Money অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?