ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের তেল কিনতে পারে চীন, দাবি হোয়াইট হাউসের
হরমুজ প্রণালির ওপর জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি তেল কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) হোয়াইট হাউস এ তথ্য জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন বলছে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক শীর্ষ বৈঠকে হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের জন্য উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
হোয়াইট হাউসের দাবি, শি জিনপিং প্রণালিটির সামরিকীকরণ এবং এর ব্যবহার নিয়ে কোনো ধরনের টোল আরোপেরও বিরোধিতা করেছেন।
তবে বৈঠক নিয়ে চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত বিবরণে মার্কিন তেল কেনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে বেইজিং আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্যও দেয়নি।
দুই নেতার এই বৈঠক কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে এবং এটিকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিক নির্ধারণকারী আলোচনা
হিসেবে বর্ণনা করেছে চীনা গণমাধ্যম। রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ও কৃষিপণ্য কেনা সম্ভাব্য নতুন বাণিজ্য চুক্তির অংশ হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা প্রকাশ করা হয়নি। বাণিজ্যযুদ্ধ চলাকালে আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্কের কারণে ২০২৫ সালের মে মাস থেকে চীন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো তেল আমদানি করছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই শুল্ক প্রত্যাহার ছাড়া বড় পরিসরে মার্কিন তেল আমদানি পুনরায় শুরু হওয়া কঠিন। জাহাজ চলাচল বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ভরটেক্সার বিশ্লেষক এমা লি বলেন, বর্তমান শুল্ক বহাল থাকলে মার্কিন তেল অন্যান্য উৎসের তুলনায় বাজারে প্রতিযোগিতামূলক থাকবে না। ২০২০
সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনের তেল আমদানি দৈনিক প্রায় ৩ লাখ ৯৫ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছিল। যা ছিল চীনের মোট আমদানির প্রায় ৪ শতাংশ। তবে ২০২৪ সালে সেই পরিমাণ কমে দৈনিক ১ লাখ ৯৩ হাজার ব্যারেলে নেমে আসে।
হিসেবে বর্ণনা করেছে চীনা গণমাধ্যম। রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ও কৃষিপণ্য কেনা সম্ভাব্য নতুন বাণিজ্য চুক্তির অংশ হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা প্রকাশ করা হয়নি। বাণিজ্যযুদ্ধ চলাকালে আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্কের কারণে ২০২৫ সালের মে মাস থেকে চীন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো তেল আমদানি করছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই শুল্ক প্রত্যাহার ছাড়া বড় পরিসরে মার্কিন তেল আমদানি পুনরায় শুরু হওয়া কঠিন। জাহাজ চলাচল বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ভরটেক্সার বিশ্লেষক এমা লি বলেন, বর্তমান শুল্ক বহাল থাকলে মার্কিন তেল অন্যান্য উৎসের তুলনায় বাজারে প্রতিযোগিতামূলক থাকবে না। ২০২০
সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনের তেল আমদানি দৈনিক প্রায় ৩ লাখ ৯৫ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছিল। যা ছিল চীনের মোট আমদানির প্রায় ৪ শতাংশ। তবে ২০২৪ সালে সেই পরিমাণ কমে দৈনিক ১ লাখ ৯৩ হাজার ব্যারেলে নেমে আসে।



