ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুদ্ধের সময় ‘লুকিয়ে’ আমিরাত যান ইসরাইলের দুই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান
চীন দেখে যারপরনাই মুগ্ধ ট্রাম্প
চীন ছাড়লেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের তেল কিনতে পারে চীন, দাবি হোয়াইট হাউসের
গর্ভপাতের ওষুধ ডাকযোগে সরবরাহ আপাতত চালু থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে
ফাতাহ-৪ ক্রুজ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
ইরানকে কিছুই দিচ্ছি না, তাদের সঙ্গে আলোচনাও করছি না: ট্রাম্প
ইরানকে কোনো কিছু দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির সঙ্গে কোনো আলোচনাও করছেন না বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় সোমবার (৩০ জুন) ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ‘আমি ইরানকে কিছুই দিচ্ছি না, যেমনটা ওবামা দিয়েছিলেন। এমনকি তাদের সঙ্গে আলোচনাও করছি না। যেহেতু আমরা তাদের পরমাণু স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছি।’
এমন এক সময় ট্রাম্প এই মন্তব্য করলেন, যখন ইরানের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা না দেয়, তাহলে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আলোচনায় ফেরার প্রশ্নই ওঠে না।
বিবিসিকে
রাভানচি বলেন, ‘আমরা এখনো কোনো আলোচনার দিনক্ষণ বা কাঠামো ঠিক করিনি। আমরা শুধু জানতে চাই, আলোচনায় বসে আবারও কি আগ্রাসনের শিকার হব?’ তিনি বলেন, এই প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘স্পষ্ট অবস্থান’ নিতে হবে। প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এরই মধ্যে ১৩ জুন ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করে ইরান। পরে ২১ জুন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের ফর্দো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহান পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়। এর আগে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য আবার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করলে, দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে
হামলা চালাবে কি না? জবাবে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘অবশ্যই। কোনো প্রশ্ন ছাড়াই।’
রাভানচি বলেন, ‘আমরা এখনো কোনো আলোচনার দিনক্ষণ বা কাঠামো ঠিক করিনি। আমরা শুধু জানতে চাই, আলোচনায় বসে আবারও কি আগ্রাসনের শিকার হব?’ তিনি বলেন, এই প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘স্পষ্ট অবস্থান’ নিতে হবে। প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এরই মধ্যে ১৩ জুন ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করে ইরান। পরে ২১ জুন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের ফর্দো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহান পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়। এর আগে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য আবার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করলে, দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে
হামলা চালাবে কি না? জবাবে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘অবশ্যই। কোনো প্রশ্ন ছাড়াই।’



