ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সেমিফাইনালের আগে আর্জেন্টাইন শিবিরে ইনজুরি শঙ্কা
বিশ্বকাপে ফিফার তালিকা থেকে বাদ পড়া রেফারির রহস্যজনক মৃত্যু
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকেই চ্যাম্পিয়ন দেখতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ঘিরে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি!
‘চোরের দল’ লিখে সার্চ করলেই গুগলে আসছে আর্জেন্টিনার নাম!
জভেরেভকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন সিনার
‘লাল কার্ডের কোনো যৌক্তিকতা ছিল না’, ম্যাচ হেরে বললেন সুইজারল্যান্ডের কোচ
সাবেক অধিনায়ক মামুনুলের বাড়িতে হামলার অভিযোগ
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম। তার চট্টগ্রামের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন সাবেক জাতীয় ফুটবলার ও মামুনুলের বন্ধু জাহিদ হাসান এমিলি।
শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমিলি লিখেছেন, আমার বন্ধু মামুনুল ইসলাম মামুন, বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক। তার বাসায় কিছুক্ষণ আগে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা জানাই।
পরে মামুনুল ইসলাম নিজে একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বেশ কয়েকজনের একটা সন্ত্রাসী গ্রুপ আমার বাসায় হামলা করে। এর আগে তারা জায়গা দখল করতে গেলে আমি বাধা দেই। সেজন্যই তারা অতর্কিতভাবে আমার বাসায় হামলা চালায়।
হামলাকারীদের পরিচয় জানিয়ে মামুনুল বলেন, ‘কামাল,
মুক্তি, ওয়াদুত এবং ফয়সাল। দুজন আওয়ামী লীগের নেতা, দুজন বিএনপির। তারা মাদক কারবারেও জড়িত।’ প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজার নড়াইলের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক কারণে সে হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মামুনুল কখনোই প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তাই হামলাকারীদের আসল মোটিভ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।
মুক্তি, ওয়াদুত এবং ফয়সাল। দুজন আওয়ামী লীগের নেতা, দুজন বিএনপির। তারা মাদক কারবারেও জড়িত।’ প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজার নড়াইলের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক কারণে সে হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মামুনুল কখনোই প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তাই হামলাকারীদের আসল মোটিভ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।



