ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের রপ্তানি-কনটেইনার বুকিং কমিয়ে ফ্রেইট রেট বাড়াল শিপিং কোম্পানি: লিড টাইম ও ব্যয় বাড়ল দ্বিগুণ
ইইউর ১৫ দেশে কমেছে বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানি: গার্মেন্টস খাতে বড় বিপর্যয় আসন্ন
ইউনাইটেড গ্রুপের বিরুদ্ধে ৯৮১ কোটি টাকা আত্মসাতের সত্যতা পেয়েছে দুদক
ত্রিবেদী-গোরের বৈঠকে ক্ষুব্ধ শফিকুর: ‘গণতান্ত্রিক দেশে এমন বৈঠক কাম্য নয়’
সার্জিও গোর এর সাথে সাক্ষাতের পর পরই আকস্মিক ঝটিকা সফরে ভারত গেলেন দীনেশ ত্রিবেদী
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির অধীনে সস্তায় এলএনজি না কিনে ৩৪% বেশি দামে ফের স্পট মার্কেট থেকে ২ কার্গো এলএনজি ক্রয়
মাথাচাড়া দিচ্ছে জঙ্গিবাদ, ফিরে এলো বোমাতঙ্ক: এক সপ্তাহে উদ্ধার দুই আইইডিতে সেই পুরনো প্যাটার্ন
গ্যাস সংকটের মাঝেই এলপিজির দাম বাড়াল সরকার: মড়ার ওপর যেন খাঁড়ার ঘা
পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ সংকটের মধ্যে দেশে আবারও ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)–এর দাম বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৫৯৮ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে, যা রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বিইআরসির ঘোষণায় প্রতি কেজি এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৩ টাকা ১৫ পয়সা, যা আগে ছিল ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৫ টাকা ৮৫ পয়সা। এই হার অনুযায়ী বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য নির্ধারিত হবে।
যদিও ভোক্তাদের দাবি, সরকার নির্ধারিত মূল্যে কখনই তারা এলপিজি কিনতে পারেন না। নির্ধারিত দরের
চেয়ে এলাকাভেদে অন্ততপক্ষে ৩-৫শ টাকা অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে হয়। ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে এই বাড়তি টাকা নিয়ে থাকেন। ভোক্তারা এর পেছনে সিন্ডিকেট এবং সরকারের নজরদারির অভাবকে দায়ী করেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার পর দেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল। ওই মাসের শুরুতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা এবং একই মাসের ১৯ এপ্রিল আরও ২১২ টাকা বাড়ানো হয়। তবে জুন ও জুলাইয়ে টানা দুই দফা মূল্যহ্রাসের ফলে জুলাই মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম কমে ১ হাজার ৫২৮ টাকায় নেমে আসে। সর্বশেষ সমন্বয়ে সেই দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হলো। বিইআরসি প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে
সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আরামকো প্রকাশিত সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) এবং আমদানিকারকদের চালানমূল্যের ভিত্তিতে ডলারের গড় বিনিময় হার বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। পাইপলাইনে গ্যাসের ঘাটতির কারণে গৃহস্থালিতে এলপিজির ব্যবহার যতো বাড়ছে, সিন্ডিকেট ও অসাধু ব্যবসায়ীরা ততোই অন্যায় সুযোগ নিচ্ছেন। সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রেখে ৮২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও এই এলপি গ্যাস স্থানীয় বাজারে চোখে পড়ে না। এছাড়া যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের নতুন খুচরা মূল্য প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সার তুলনায় কম।
চেয়ে এলাকাভেদে অন্ততপক্ষে ৩-৫শ টাকা অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে হয়। ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে এই বাড়তি টাকা নিয়ে থাকেন। ভোক্তারা এর পেছনে সিন্ডিকেট এবং সরকারের নজরদারির অভাবকে দায়ী করেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার পর দেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল। ওই মাসের শুরুতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা এবং একই মাসের ১৯ এপ্রিল আরও ২১২ টাকা বাড়ানো হয়। তবে জুন ও জুলাইয়ে টানা দুই দফা মূল্যহ্রাসের ফলে জুলাই মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম কমে ১ হাজার ৫২৮ টাকায় নেমে আসে। সর্বশেষ সমন্বয়ে সেই দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হলো। বিইআরসি প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে
সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আরামকো প্রকাশিত সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) এবং আমদানিকারকদের চালানমূল্যের ভিত্তিতে ডলারের গড় বিনিময় হার বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। পাইপলাইনে গ্যাসের ঘাটতির কারণে গৃহস্থালিতে এলপিজির ব্যবহার যতো বাড়ছে, সিন্ডিকেট ও অসাধু ব্যবসায়ীরা ততোই অন্যায় সুযোগ নিচ্ছেন। সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রেখে ৮২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও এই এলপি গ্যাস স্থানীয় বাজারে চোখে পড়ে না। এছাড়া যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের নতুন খুচরা মূল্য প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সার তুলনায় কম।



