ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২০৩০ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হতে পারেন আর্জেন্টিনার ৬ ফুটবলার
বিশ্বকাপ ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেওয়া যাবে না: জাবি আলোনসো
ফিফার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ: বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত ইউরোপের ৫৫ দেশের
কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল
বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মারামারির ঘটনায় আর্জেন্টিনার তিন জনের বিরুদ্ধে ফিফার মামলা
মিরাজকে সরিয়ে ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন
আর্জেন্টিনার খেলার সঙ্গে ফুটবলের সম্পর্ক দেখেন না জার্মান তারকা
‘ফুটবলের জন্য ক্ষতিকর চুক্তি’: ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার পদত্যাগ
বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার প্রস্তাবিত ব্যক্তিগত বিনিয়োগ পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করে পদত্যাগ করেছেন সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্ডেইরো। একইসঙ্গে এই পরিকল্পনাকে ‘ফুটবলের জন্য একটি ক্ষতিকর চুক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। এদিকে, উয়েফা (UEFA) ও কনকাকাফ-এর (CONCACAF) পর এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনও (AFC) এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বিশ্বকাপ বয়কটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক প্রধান কার্লোস কর্ডেইরো এক কড়া বিবৃতিতে বলেন, ‘ফিফা সভাপতির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা, সাবেক ব্যাংকার ও সারাজীবনের ফুটবল অনুরাগী হিসেবে ফিফা যখন বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির কথা ভাবছে, তখন আমি চুপ করে বসে থাকতে পারি না।’ তিনি আরও
স্পষ্ট করেন যে, এই প্রস্তাবের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং তিনি এর তীব্র বিরোধিতা করছেন। তার মতে, এই সিদ্ধান্ত ফিফার সদস্য সংস্থাসমূহ, পুরো ফুটবল বিশ্ব এবং খেলার দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশ্বকাপ পরিচালনাকারী বাণিজ্যিক সংস্থা ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (FFE)-এর মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সংখ্যালঘু শেয়ার দেওয়ার এই প্রস্তাব থেকে প্রায় ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ফিফা। এতে প্রতিটি সদস্য দেশকে ২০২৭ সালের শুরুতে এককালীন ২ কোটি ডলার এবং পরবর্তী সাইকেলে আরও অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তবে ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রস্তাব বহাল থাকা পর্যন্ত তাদের কোনো দল ফিফার প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে
না। উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন বলেন, ‘বিশ্বকাপ কোনো বিনিয়োগ পণ্য নয় এবং ফুটবলের ভবিষ্যৎকে আর্থিক লাভের জন্য বন্ধক রাখা যায় না।’ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং চেলসির কোচ জাবি আলোনসোও উয়েফার এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছেন। এছাড়া উত্তর ও মধ্য আমেরিকার সংস্থা ‘কনকাকাফ’ সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। এশীয় অঞ্চলের ৪৭টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা এএফসি (AFC) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘উয়েফা ও কনকাকাফের উদ্বেগের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করছি। পরিস্থিতি যেভাবে বিশ্বকাপ বয়কটের আলোচনার দিকে গড়াচ্ছে, তা ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত প্রত্যেকের জন্যই আশঙ্কাজনক।’ তীব্র সমালোচনার মুখেও ফিফা দাবি করেছে যে এটি একটি ‘উন্মুক্ত ও গণতান্ত্রিক’ আলোচনার প্রক্রিয়া এবং কোনো মিডিয়া বিভ্রান্তির শিকার হয়ে
সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। ফিফার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না এবং ফিফা কখনোই এমন কিছু করবে না।’ তবে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার শক্তিশালী ফুটবল জোটগুলোর কঠোর অবস্থানের কারণে ইনফান্তিনোর এই মেগা প্রকল্প এখন বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে।
স্পষ্ট করেন যে, এই প্রস্তাবের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং তিনি এর তীব্র বিরোধিতা করছেন। তার মতে, এই সিদ্ধান্ত ফিফার সদস্য সংস্থাসমূহ, পুরো ফুটবল বিশ্ব এবং খেলার দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশ্বকাপ পরিচালনাকারী বাণিজ্যিক সংস্থা ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (FFE)-এর মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সংখ্যালঘু শেয়ার দেওয়ার এই প্রস্তাব থেকে প্রায় ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ফিফা। এতে প্রতিটি সদস্য দেশকে ২০২৭ সালের শুরুতে এককালীন ২ কোটি ডলার এবং পরবর্তী সাইকেলে আরও অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তবে ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রস্তাব বহাল থাকা পর্যন্ত তাদের কোনো দল ফিফার প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে
না। উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন বলেন, ‘বিশ্বকাপ কোনো বিনিয়োগ পণ্য নয় এবং ফুটবলের ভবিষ্যৎকে আর্থিক লাভের জন্য বন্ধক রাখা যায় না।’ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং চেলসির কোচ জাবি আলোনসোও উয়েফার এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছেন। এছাড়া উত্তর ও মধ্য আমেরিকার সংস্থা ‘কনকাকাফ’ সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। এশীয় অঞ্চলের ৪৭টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা এএফসি (AFC) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘উয়েফা ও কনকাকাফের উদ্বেগের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করছি। পরিস্থিতি যেভাবে বিশ্বকাপ বয়কটের আলোচনার দিকে গড়াচ্ছে, তা ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত প্রত্যেকের জন্যই আশঙ্কাজনক।’ তীব্র সমালোচনার মুখেও ফিফা দাবি করেছে যে এটি একটি ‘উন্মুক্ত ও গণতান্ত্রিক’ আলোচনার প্রক্রিয়া এবং কোনো মিডিয়া বিভ্রান্তির শিকার হয়ে
সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। ফিফার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না এবং ফিফা কখনোই এমন কিছু করবে না।’ তবে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার শক্তিশালী ফুটবল জোটগুলোর কঠোর অবস্থানের কারণে ইনফান্তিনোর এই মেগা প্রকল্প এখন বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে।



