ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!
আইনি সেবায় নতুন দিগন্ত: বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন এখন সবার নাগালে- এক ক্লিকেই
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
বিদিশা সিদ্দিকের ২ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে বাধা ‘টেকনিক্যাল মব’: মনজিল মোরসেদ
একবার এফআইআর হলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ১৩ ও ১৪ মে
পাঁচ টাকার জন্য খুন, আসামিকে মৃত্যুদণ্ড
মাত্র ৫ টাকার জন্য খুনের অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় করা মামলায় আসামি মো. কাজলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার ১১ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. নূরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
আসামি মো. কাজল ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ থেকে জেলে আছেন। রায় ঘোষণার সময় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার জারিয়া গ্রামে। বাবার নাম মো. ফজর আলী ও মায়ের নাম আয়েশা বেগম।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়, কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দরিচর গ্রামের জুলহাস মিয়া শেরেবাংলা
নগর থানার ২৫/বি ইন্দিরা রোড, ফার্মগেটের এক বাসায় ৩০ বছর কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বাসার পাশে সিমেন্টের দোকান ‘রাজা অ্যান্ড কোং’ এর সামনে আসেন। তখন তার কাছে ৫ টাকা চান কাজল। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় কাজল ধারালো ছুরি দিয়ে জুলহাস মিয়ার নাভির কাছে সজোরে আঘাত করেন। এতে জুলহাস মিয়া গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পথচারীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় জুলহাস মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ কাজলকে গ্রেপ্তার করে পরদিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে হাজির করে। কাজল আদালতের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. সুজানুল ইসলাম তদন্ত শেষে একই বছরের ৯ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কাজলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু হয়। ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
নগর থানার ২৫/বি ইন্দিরা রোড, ফার্মগেটের এক বাসায় ৩০ বছর কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বাসার পাশে সিমেন্টের দোকান ‘রাজা অ্যান্ড কোং’ এর সামনে আসেন। তখন তার কাছে ৫ টাকা চান কাজল। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় কাজল ধারালো ছুরি দিয়ে জুলহাস মিয়ার নাভির কাছে সজোরে আঘাত করেন। এতে জুলহাস মিয়া গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পথচারীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় জুলহাস মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ কাজলকে গ্রেপ্তার করে পরদিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে হাজির করে। কাজল আদালতের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. সুজানুল ইসলাম তদন্ত শেষে একই বছরের ৯ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কাজলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু হয়। ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।



