ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্থায়ী বিচারপতি হলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর ছেলে দেবাশীষ
গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায় চেম্বার আদালতেও বহাল
হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল
প্রেম-রোমান্স নির্ভর সিনেমা ও নাটক নির্মাণ বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চাওয়া রিট খারিজ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ মঙ্গলবার
ঢাকার আদালতপাড়ায় ভাড়ায় মেলে আসামি
পাঁচ টাকার জন্য খুন, আসামিকে মৃত্যুদণ্ড
মাত্র ৫ টাকার জন্য খুনের অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় করা মামলায় আসামি মো. কাজলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার ১১ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. নূরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
আসামি মো. কাজল ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ থেকে জেলে আছেন। রায় ঘোষণার সময় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার জারিয়া গ্রামে। বাবার নাম মো. ফজর আলী ও মায়ের নাম আয়েশা বেগম।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়, কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দরিচর গ্রামের জুলহাস মিয়া শেরেবাংলা
নগর থানার ২৫/বি ইন্দিরা রোড, ফার্মগেটের এক বাসায় ৩০ বছর কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বাসার পাশে সিমেন্টের দোকান ‘রাজা অ্যান্ড কোং’ এর সামনে আসেন। তখন তার কাছে ৫ টাকা চান কাজল। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় কাজল ধারালো ছুরি দিয়ে জুলহাস মিয়ার নাভির কাছে সজোরে আঘাত করেন। এতে জুলহাস মিয়া গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পথচারীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় জুলহাস মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ কাজলকে গ্রেপ্তার করে পরদিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে হাজির করে। কাজল আদালতের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. সুজানুল ইসলাম তদন্ত শেষে একই বছরের ৯ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কাজলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু হয়। ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
নগর থানার ২৫/বি ইন্দিরা রোড, ফার্মগেটের এক বাসায় ৩০ বছর কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বাসার পাশে সিমেন্টের দোকান ‘রাজা অ্যান্ড কোং’ এর সামনে আসেন। তখন তার কাছে ৫ টাকা চান কাজল। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় কাজল ধারালো ছুরি দিয়ে জুলহাস মিয়ার নাভির কাছে সজোরে আঘাত করেন। এতে জুলহাস মিয়া গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পথচারীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় জুলহাস মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ কাজলকে গ্রেপ্তার করে পরদিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে হাজির করে। কাজল আদালতের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. সুজানুল ইসলাম তদন্ত শেষে একই বছরের ৯ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কাজলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু হয়। ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।






