ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আইনি সেবায় নতুন দিগন্ত: বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন এখন সবার নাগালে- এক ক্লিকেই
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
বিদিশা সিদ্দিকের ২ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে বাধা ‘টেকনিক্যাল মব’: মনজিল মোরসেদ
সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ১৩ ও ১৪ মে
‘ফ্যাসিস্টের সহযোগী’ ১৬ জনের মনোনয়ন বাতিল
জেলগেটে স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ব্যারিস্টার সুমনের রিট
একবার এফআইআর হলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।
শুনানিকালে আদালত বলেন, ‘একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই।’ এ সময় নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সাত খুন মামলার এজাহারের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন হাইকোর্ট।
ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করা
হয় বলে জানা গেছে। রাহিদের অভিযোগ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতা তাকে মারধর করেন এবং পরে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যান। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাহিদ বলেন, ‘ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাইভাবে মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সরদার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় জড়িত ছিলেন। তবে অভিযোগকারীরা নিশ্চিত করে বলতে
পারেননি, রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে যুক্ত ছিলেন কি না। ঘটনার পর রাহিদের মা শাহবাগ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তবে এজাহার দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেন তিনি। কী কারণে বা কোন পরিস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
হয় বলে জানা গেছে। রাহিদের অভিযোগ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতা তাকে মারধর করেন এবং পরে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যান। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাহিদ বলেন, ‘ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাইভাবে মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সরদার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় জড়িত ছিলেন। তবে অভিযোগকারীরা নিশ্চিত করে বলতে
পারেননি, রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে যুক্ত ছিলেন কি না। ঘটনার পর রাহিদের মা শাহবাগ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তবে এজাহার দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেন তিনি। কী কারণে বা কোন পরিস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়



