ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এসএসসি পরীক্ষার্থী বান্ধবীর সব পরীক্ষায় প্রটোকল, কেন্দ্রে খবরদারি: এনসিপি নেতাকে ধোলাই দিয়ে কক্ষে অবরুদ্ধ
নোয়াখালীতে মাদকের বিরোধে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, যুবদল ক্যাডার আটক
আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার
নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
সিপিবির প্রতিক্রিয়া: বাজেটে নেই ব্যয় কমানোর আশাবাদ, বাড়বে বৈষম্য
মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোনো আশাবাদ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেখা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি। সেই সঙ্গে এই বাজেট বৈষম্য বৃদ্ধি করবে বলেও মনে করে দলটি।
১১ই জুন, বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন সিপিবির নেতারা।
সাধারণ মানুষের আয় বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা ছাড়া এটি কেবল ‘ফানুসে’ পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
তিনি বলেন, অতীতে মানুষ বাজেটের অপেক্ষায় থাকত কোন জিনিসের দাম কমবে বা বাড়বে তা জানতে। কিন্তু এখন অনেক আগেই দাম বাড়ানোর কাজ সেরে ফেলা হয় এবং সারা বছরই তা চলতে থাকে।
ফলে বাজেটে দাম কমা বা
বাড়ার বিষয়টি এখন আর বিশেষ গুরুত্ব বহন করে না। এই বাজেটকে তিনি একটি উচ্চাভিলাষী ঘাটতি বাজেট হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের প্রধান উদ্বেগ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে। বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি কমানোর যে লক্ষ্যমাত্রা দেখানো হয়েছে, তাকে অর্থনীতিবিদ এমনকি বিশ্বব্যাংকও যথাযথ বলছে না। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সার্বজনীন রেশনিং ব্যবস্থা চালু, বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং শ্রমজীবী মানুষের জন্য জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার কোনো সুখবর এই বাজেটে নেই। এমনকি কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়ও সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বাজেটের দর্শন নিয়ে সমালোচনা করে সিপিবি নেতা বলেন, বাজেটে বেসরকারি খাতকেই প্রধান হিসেবে ধরা হয়েছে। কিন্তু বামপন্থীরা মনে করে, দক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রীয় খাতকেই প্রধান খাত ধরে বাজেট প্রণয়ন করা প্রয়োজন
ছিল। বাজেটের দশটি প্রধান লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেসব পদক্ষেপ বলা হয়েছে, তা দিয়ে বাস্তব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, বাজেট বরাদ্দের যথাযথ বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ছাড়া অতীতের মতো এবারও বরাদ্দের সুফল মিলবে না। বিশেষ করে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও বাজেটে কোনো দিকনির্দেশনা নেই। রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, এই বাজেটে মুক্তবাজারের দর্শনকেই গ্রহণ করা হয়েছে, যার ফলে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের স্বার্থ অর্জিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আলোচনার মাধ্যমে বাজেটকে আরও বাস্তবমুখী ও সাধারণ মানুষের উপযোগী করে তোলার আহ্বান জানান। সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, প্রস্তাবিত
বাজেট অনেক বড় অংকের। কিন্তু একইসাথে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অসার বা ফাঁকা বলে প্রতিয়মান হচ্ছে। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোন আশাবাদ প্রস্তাবিত বাজেটে দেখা যাচ্ছে না। এই বাজেট বৈষম্য বৃদ্ধি করবে। তারা বলেন, প্রায় সাড়ে ৯ লাখ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধ করার জন্য বরাদ্দ আছে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। অথচ এই বিশাল অংকের বাজেটে ঘাটতি মেটানোর জন্য নতুন করে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একদিকে নতুন ঋণ নির্ভর বড় অংকের বাজেট, অন্যদিকে সুদ পরিশোধ করাই অন্যতম প্রধান ব্যয়ের খাত হওয়া প্রস্তাবিত বাজেটের অসারতা প্রমাণ করে। সিপিবির নেতারা বলেন, বাজেটে বিদ্যমান উচ্চ
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কোনো দিক নির্দেশনা নেই। প্রবৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি কমানোর যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জিত হবে, সরকারের ওপর এমন আস্থাও রাখা যাচ্ছে না। উপরন্তু বড় টাকার অংক দিয়ে অর্থনীতির বাস্তব দুরবস্থা থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘুরানো হচ্ছে। তারা আরো বলেন, ২০১০-১১ অর্থবছরে বাজেট ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা, যা ছিল জিডিপির ১৬.৯ শতাংশ। এবার ২০২৬-২৭ সালে ৮ গুণ বৃদ্ধি করে বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রস্তাব করা হলেও তা জিডিপির মাত্র প্রায় ১৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ, বাজেটের টাকার অঙ্ক ৮ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেলেও রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা সেই অনুপাতে বাড়েনি; বরং ১৫ বছর আগের তুলনায় কম। তারা আরো
বলেন, নতুন অর্থমন্ত্রীর উপস্থাপনা দেখে মনে হয়, সরকার মূল্যস্ফীতির ভয়াবহ অবস্থাসহ সকল দুর্বলতা দেশের মানুষের কাছে লুকাতে চায়।
বাড়ার বিষয়টি এখন আর বিশেষ গুরুত্ব বহন করে না। এই বাজেটকে তিনি একটি উচ্চাভিলাষী ঘাটতি বাজেট হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের প্রধান উদ্বেগ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে। বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি কমানোর যে লক্ষ্যমাত্রা দেখানো হয়েছে, তাকে অর্থনীতিবিদ এমনকি বিশ্বব্যাংকও যথাযথ বলছে না। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সার্বজনীন রেশনিং ব্যবস্থা চালু, বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং শ্রমজীবী মানুষের জন্য জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার কোনো সুখবর এই বাজেটে নেই। এমনকি কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়ও সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বাজেটের দর্শন নিয়ে সমালোচনা করে সিপিবি নেতা বলেন, বাজেটে বেসরকারি খাতকেই প্রধান হিসেবে ধরা হয়েছে। কিন্তু বামপন্থীরা মনে করে, দক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রীয় খাতকেই প্রধান খাত ধরে বাজেট প্রণয়ন করা প্রয়োজন
ছিল। বাজেটের দশটি প্রধান লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেসব পদক্ষেপ বলা হয়েছে, তা দিয়ে বাস্তব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, বাজেট বরাদ্দের যথাযথ বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ছাড়া অতীতের মতো এবারও বরাদ্দের সুফল মিলবে না। বিশেষ করে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও বাজেটে কোনো দিকনির্দেশনা নেই। রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, এই বাজেটে মুক্তবাজারের দর্শনকেই গ্রহণ করা হয়েছে, যার ফলে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের স্বার্থ অর্জিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আলোচনার মাধ্যমে বাজেটকে আরও বাস্তবমুখী ও সাধারণ মানুষের উপযোগী করে তোলার আহ্বান জানান। সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, প্রস্তাবিত
বাজেট অনেক বড় অংকের। কিন্তু একইসাথে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অসার বা ফাঁকা বলে প্রতিয়মান হচ্ছে। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোন আশাবাদ প্রস্তাবিত বাজেটে দেখা যাচ্ছে না। এই বাজেট বৈষম্য বৃদ্ধি করবে। তারা বলেন, প্রায় সাড়ে ৯ লাখ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধ করার জন্য বরাদ্দ আছে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। অথচ এই বিশাল অংকের বাজেটে ঘাটতি মেটানোর জন্য নতুন করে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একদিকে নতুন ঋণ নির্ভর বড় অংকের বাজেট, অন্যদিকে সুদ পরিশোধ করাই অন্যতম প্রধান ব্যয়ের খাত হওয়া প্রস্তাবিত বাজেটের অসারতা প্রমাণ করে। সিপিবির নেতারা বলেন, বাজেটে বিদ্যমান উচ্চ
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কোনো দিক নির্দেশনা নেই। প্রবৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি কমানোর যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জিত হবে, সরকারের ওপর এমন আস্থাও রাখা যাচ্ছে না। উপরন্তু বড় টাকার অংক দিয়ে অর্থনীতির বাস্তব দুরবস্থা থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘুরানো হচ্ছে। তারা আরো বলেন, ২০১০-১১ অর্থবছরে বাজেট ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা, যা ছিল জিডিপির ১৬.৯ শতাংশ। এবার ২০২৬-২৭ সালে ৮ গুণ বৃদ্ধি করে বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রস্তাব করা হলেও তা জিডিপির মাত্র প্রায় ১৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ, বাজেটের টাকার অঙ্ক ৮ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেলেও রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা সেই অনুপাতে বাড়েনি; বরং ১৫ বছর আগের তুলনায় কম। তারা আরো
বলেন, নতুন অর্থমন্ত্রীর উপস্থাপনা দেখে মনে হয়, সরকার মূল্যস্ফীতির ভয়াবহ অবস্থাসহ সকল দুর্বলতা দেশের মানুষের কাছে লুকাতে চায়।



