ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দক্ষিণ আফ্রিকায় দুদিনে ৪ বাংলাদেশির প্রাণহানি
ঝুঁকিতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা, আটক ৩১৭
আরব আমিরাতে ৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, এখনও সমাধানের পথ খুঁজছে সরকার
বার্লিনে ১৫ ও ২১ আগস্ট স্মরণে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা: মিলাদ ও শোক সভায় শেখ হাসিনার ভাষণ
মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের বাধা সত্ত্বেও কানাডায় বঙ্গবন্ধু স্মরণে সাহিত্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল অংশগ্রহণে জার্মানিতে ১৫ই আগস্টের শোকসভা অনুষ্ঠিত
পর্তুগালে বিদেশি নাগরিককে অপহরণের অভিযোগে সন্দেহভাজন দুই বাংলাদেশি আটক
মালয়েশিয়ায় ৫ মাসে ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক
চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) মোট ৩০ হাজার ৮০১ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে।
৯ জুন মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২ হাজার ৩২৪ জন বিদেশি তাদের প্রদত্ত পাশ বা ভিসার অপব্যবহার করেছেন বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ইমিগ্রেশন বিভাগ বিদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম জোরদার করেছে। বিশেষ করে, পাশের শর্ত লঙ্ঘন, অনুমোদনহীন কর্মসংস্থান এবং বৈধ অনুমতি ছাড়া ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
নেওয়া হচ্ছে। জাকারিয়া শাবান আরও বলেন, ইমিগ্রেশন বিভাগ আইন লঙ্ঘনের ঘটনা আরও কার্যকর ও সমন্বিতভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার করবে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে অভিযানও বৃদ্ধি করা হবে। তিনি জানান, এ লক্ষ্যে বিভাগটি ইনস্পেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট গঠন করেছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ও অধিক বিদেশি অধ্যুষিত এলাকায় লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা, অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথ অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহাপরিচালক বলেন, অভিবাসন আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে জেআইএম বার্ষিক কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর (কেপিআই) নির্ধারণ করেছে, যেখানে বিদেশি কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের অভিবাসনসংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণকে বিশেষ
গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ইমিগ্রেশন বিভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, বিদেশিদের দেওয়া অভিবাসন সুবিধা যেন শুধুমাত্র অনুমোদিত উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষা এবং সবার জন্য ন্যায্য অর্থনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যাবে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশিদের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা, ভিসা ও পাসের অপব্যবহার এবং অবৈধ কর্মসংস্থানের অভিযোগ বাড়তে থাকায় মালয়েশিয়া সরকার অভিবাসন আইন প্রয়োগে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এর অংশ হিসেবেই দেশব্যাপী অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
নেওয়া হচ্ছে। জাকারিয়া শাবান আরও বলেন, ইমিগ্রেশন বিভাগ আইন লঙ্ঘনের ঘটনা আরও কার্যকর ও সমন্বিতভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার করবে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে অভিযানও বৃদ্ধি করা হবে। তিনি জানান, এ লক্ষ্যে বিভাগটি ইনস্পেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট গঠন করেছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ও অধিক বিদেশি অধ্যুষিত এলাকায় লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা, অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথ অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহাপরিচালক বলেন, অভিবাসন আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে জেআইএম বার্ষিক কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর (কেপিআই) নির্ধারণ করেছে, যেখানে বিদেশি কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের অভিবাসনসংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণকে বিশেষ
গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ইমিগ্রেশন বিভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, বিদেশিদের দেওয়া অভিবাসন সুবিধা যেন শুধুমাত্র অনুমোদিত উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষা এবং সবার জন্য ন্যায্য অর্থনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যাবে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশিদের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা, ভিসা ও পাসের অপব্যবহার এবং অবৈধ কর্মসংস্থানের অভিযোগ বাড়তে থাকায় মালয়েশিয়া সরকার অভিবাসন আইন প্রয়োগে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এর অংশ হিসেবেই দেশব্যাপী অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।



