ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জবি ক্যাম্পাসে পশু জবাই গরুভোজ কর্মসূচি পালিত
চুয়েটে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা, অনুপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সদস্য
জবিতে মন্দিরের পাশে ‘গরু ভোজ’ বিতর্ক: ওপরে ওপরে সম্প্রীতির বাণী, নেপথ্যে ছাত্রশক্তি নেতার সংশ্লিষ্টতা
সার্কিট হাউসে ফিরেই সিন্ডিকেট সভা ডাকলেন চুয়েট উপাচার্য
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল আর্জেন্টিনা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ থেকে টানা ১০ দিনের ছুটি শুরু
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই: শিক্ষা অধিকার সংসদ
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তা জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রত্যাশাকে স্বাগত জানিয়েছে শিক্ষা অধিকার সংসদ। তবে একইসঙ্গে বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট ও যথাযথ পরিকল্পনার অভাব এবং বরাদ্দের বিশাল অংকের হিসাব অস্পষ্ট থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (১২ জুন) সংগঠনের সদস্য সচিব মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
শিক্ষা অধিকার সংসদ জানায়, প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যাকে সরকার জিডিপির ২ শতাংশ বলছে। তবে এই পুরো বরাদ্দ নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সরকারের শিক্ষা সংক্রান্ত দুই মন্ত্রণালয়ের মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ২২ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪৬ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে ৫৭ হাজার ৩০২ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের জন্য ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। সংগঠনটির প্রশ্ন— বাকি ১৪ হাজার কোটি টাকা কোথায় ব্যয় হবে? এই বিপুল পরিমাণ অর্থের হিসাব বাজেটে স্পষ্ট নয়। সংগঠনটি মনে করে, বরাদ্দের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হলো এর সঠিক বাস্তবায়ন। তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলে, কেবল বরাদ্দ বাড়িয়ে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, যদি না প্রতিটি স্তরের বৈষম্য
(শহর-গ্রাম, পাহাড়-সমতল, পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চল) দূর করা যায়। আরও পড়ুন মধ্যরাতে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে চুরি মধ্যরাতে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে চুরি শিক্ষা অধিকার সংসদ পরিশেষে মনে করিয়ে দেয়, শিক্ষায় বিনিয়োগ মানেই জাতির ভবিষ্যতে বিনিয়োগ; তাই শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে বিভিন্ন শিক্ষা প্রকল্প গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে সরকারকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দেখাতে হবে।
সরকারের শিক্ষা সংক্রান্ত দুই মন্ত্রণালয়ের মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ২২ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪৬ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে ৫৭ হাজার ৩০২ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের জন্য ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। সংগঠনটির প্রশ্ন— বাকি ১৪ হাজার কোটি টাকা কোথায় ব্যয় হবে? এই বিপুল পরিমাণ অর্থের হিসাব বাজেটে স্পষ্ট নয়। সংগঠনটি মনে করে, বরাদ্দের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হলো এর সঠিক বাস্তবায়ন। তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলে, কেবল বরাদ্দ বাড়িয়ে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, যদি না প্রতিটি স্তরের বৈষম্য
(শহর-গ্রাম, পাহাড়-সমতল, পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চল) দূর করা যায়। আরও পড়ুন মধ্যরাতে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে চুরি মধ্যরাতে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে চুরি শিক্ষা অধিকার সংসদ পরিশেষে মনে করিয়ে দেয়, শিক্ষায় বিনিয়োগ মানেই জাতির ভবিষ্যতে বিনিয়োগ; তাই শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে বিভিন্ন শিক্ষা প্রকল্প গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে সরকারকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দেখাতে হবে।



