ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
চুয়েটে ১৬ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ উপাচার্যসহ কয়েকজন, অসুস্থ একাধিক
বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে ভিসি ও ছাত্রদল নেতাদের ভবনের ভেতরে রেখে তালা দিলো চুয়েট শিক্ষার্থীরা
মবের শিকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কথা শুনতে নভেম্বরে ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টিয়ার
প্রধান শিক্ষক নিয়োগের রায় স্থগিত
ক্ষমতার দাপটে ফাউ খাওয়ার ধুম, বকেয়া টাকা চাইলে ক্যান্টিন বন্ধের হুমকি চবি ছাত্রদল নেতার
যৌন হয়রানির অভিযোগে বেরোবির তিন শিক্ষকের পদাবনতি
জুলাই চেতনা আজ কোথায়! আবু সাঈদের ক্যাম্পাসেও শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে বিভিন্ন কোটায়
জুলাইর নিহত আবু সাঈদের নিজ ক্যাম্পাস রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) এখনো বিভিন্ন কোটার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিশেষ করে পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমে পোষ্য, মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধীসহ সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন কোটার আওতায় শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও চূড়ান্ত ভর্তি-সংক্রান্ত নোটিশেও কোটাভিত্তিক ভর্তির বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। যে বিক্ষোভের অন্যতম দাবি ছিল বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার সংস্কার,তারই স্মৃতিবাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন এখনো কোটা পদ্ধতিতে ভর্তি অব্যাহত থাকবে? জুলাইর চেতনা ছিল মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নিয়োগ ও ভর্তি ব্যবস্থা
নিশ্চিত করা। তাই আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোটাভিত্তিক ভর্তি চালু থাকা দুঃখ আর হতাশার। এক সাধারণ শিক্ষার্থী বলেন, “বর্তমানে প্রয়োজন একটি স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত ও সাংবিধানিকভাবে গ্রহণযোগ্য ভর্তি ব্যবস্থা, যাতে একদিকে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত হয় এবং অন্যদিকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য রাষ্ট্রের ইতিবাচক বৈষম্যের নীতিও যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোটা ভর্তি প্রক্রিয়া লজ্জাজনক। আবু সাঈদ শুধু স্মৃতি নয়, এটি ন্যায্যতা ও সমঅধিকারের প্রতীক।” এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে তাই এখানেও আছে। এটি পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বিত কমিটির সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে সমালোচনা হলে পুনঃবিবেচনা করা
হবে।” জুলাইর চেতনা ছিল মেধার ভিত্তিতে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কী আছে বা নেই, সেটি বেরোবির জন্য আদর্শ হতে পারে না। ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হতেই প্রশাসনের এই কোটা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন এক অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে।
নিশ্চিত করা। তাই আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোটাভিত্তিক ভর্তি চালু থাকা দুঃখ আর হতাশার। এক সাধারণ শিক্ষার্থী বলেন, “বর্তমানে প্রয়োজন একটি স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত ও সাংবিধানিকভাবে গ্রহণযোগ্য ভর্তি ব্যবস্থা, যাতে একদিকে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত হয় এবং অন্যদিকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য রাষ্ট্রের ইতিবাচক বৈষম্যের নীতিও যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোটা ভর্তি প্রক্রিয়া লজ্জাজনক। আবু সাঈদ শুধু স্মৃতি নয়, এটি ন্যায্যতা ও সমঅধিকারের প্রতীক।” এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে তাই এখানেও আছে। এটি পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বিত কমিটির সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে সমালোচনা হলে পুনঃবিবেচনা করা
হবে।” জুলাইর চেতনা ছিল মেধার ভিত্তিতে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কী আছে বা নেই, সেটি বেরোবির জন্য আদর্শ হতে পারে না। ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হতেই প্রশাসনের এই কোটা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন এক অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে।



