জুলাই চেতনা আজ কোথায়! আবু সাঈদের ক্যাম্পাসেও শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে বিভিন্ন কোটায় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ July, ২০২৬

জুলাই চেতনা আজ কোথায়! আবু সাঈদের ক্যাম্পাসেও শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে বিভিন্ন কোটায়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ July, ২০২৬ |
জুলাইর নিহত আবু সাঈদের নিজ ক্যাম্পাস রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) এখনো বিভিন্ন কোটার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিশেষ করে পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমে পোষ্য, মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধীসহ সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন কোটার আওতায় শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও চূড়ান্ত ভর্তি-সংক্রান্ত নোটিশেও কোটাভিত্তিক ভর্তির বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। যে বিক্ষোভের অন্যতম দাবি ছিল বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার সংস্কার,তারই স্মৃতিবাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন এখনো কোটা পদ্ধতিতে ভর্তি অব্যাহত থাকবে? জুলাইর চেতনা ছিল মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নিয়োগ ও ভর্তি ব্যবস্থা

নিশ্চিত করা। তাই আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোটাভিত্তিক ভর্তি চালু থাকা দুঃখ আর হতাশার। এক সাধারণ শিক্ষার্থী বলেন, “বর্তমানে প্রয়োজন একটি স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত ও সাংবিধানিকভাবে গ্রহণযোগ্য ভর্তি ব্যবস্থা, যাতে একদিকে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত হয় এবং অন্যদিকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য রাষ্ট্রের ইতিবাচক বৈষম্যের নীতিও যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোটা ভর্তি প্রক্রিয়া লজ্জাজনক। আবু সাঈদ শুধু স্মৃতি নয়, এটি ন্যায্যতা ও সমঅধিকারের প্রতীক।” এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে তাই এখানেও আছে। এটি পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বিত কমিটির সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে সমালোচনা হলে পুনঃবিবেচনা করা

হবে।” জুলাইর চেতনা ছিল মেধার ভিত্তিতে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কী আছে বা নেই, সেটি বেরোবির জন্য আদর্শ হতে পারে না। ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হতেই প্রশাসনের এই কোটা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন এক অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের