ঢাবিতে জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মেরে গেস্টরুম নিতে রুমে ডাকলেন “মোস্ট সিনিয়র” – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ July, ২০২৬

ঢাবিতে জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মেরে গেস্টরুম নিতে রুমে ডাকলেন “মোস্ট সিনিয়র”

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ July, ২০২৬ |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাত্তর হলে ওয়াশরুম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে এক জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মারধর ও মানসিকভাবে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার (২০ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, একাত্তর হলের ২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী আহমেদ শাহরিয়ার নীড়কে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে হেনস্থা করেন বাংলা বিভাগের ২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ। যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত ভুক্তভোগী নীড় হলের গেস্টরুমের পাশের ওয়াশরুমে যাওয়ার পথে তাকে আটকান মাহফুজ। সে সময় ওয়াশরুমের ভেতরে একজন ছেলে ও কয়েকজন মেয়ে অবস্থান করছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মাহফুজ নীড়কে অন্য ওয়াশরুমে যেতে বলেন, কিন্তু সেটি তালাবদ্ধ থাকায় নীড় ফিরে এসে জরুরি ভিত্তিতে ওয়াশরুম

ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। এরপরই তার ওপর শুরু হয় শারীরিক মারধর ও মানসিক নির্যাতন বলে অভিযোগ। অভিযোগে বলা হয়, মাহফুজ নীড়কে বলেন, “আমি সেশনে তোর বড়, আমি তোর বাপ। তুই আজকে সারারাত মুতবি না। এখানে দাঁড়ায়ে থাকবি। মূত্রথলি ফেটে গেলেও না।” এ সময় তাকে গেস্টরুমে ডাকার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এরপর পুনরায় শারীরিকভাবে আঘাত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন অভিযুক্ত। ভুক্তভোগীর ভাষ্য ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আহমেদ শাহরিয়ার নীড় জানান, রাত ১২টার দিকে গেস্টরুমের পাশের ওয়াশরুমে ঢুকতে গেলে কয়েকজন তাকে আটকান এবং ভেতরে যেতে নিষেধ করেন। তিনি ঢুকতে চাইলে তাকে ধাক্কা দিয়ে পাশের তালাবদ্ধ ওয়াশরুমের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় প্রতিবাদ করলে

তাকে মারতে মারতে দেয়ালে ধাক্কা দেওয়া হয় এবং সেশন পরিচয়ের ভিত্তিতে “সিনিয়র মানে জুনিয়রের বাপ” বলে সম্বোধন করা হয় বলে তিনি জানান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অভিযুক্ত মাহফুজের বিরুদ্ধে এর আগেও এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ ছিল, এবং সাম্প্রতিক ডাকসু নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও তার বিতর্কের কথা উল্লেখ করেন তিনি। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ রাশেদ ঘটনার আংশিক সাক্ষী হিসেবে অভিযুক্তের কিছু মন্তব্য তুলে ধরেন, যার মধ্যে গেস্টরুমে ডেকে নেওয়ার হুমকি ও সেশন-সংক্রান্ত মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানান। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া আজ সোমবার বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সুষ্ঠু বিচার ও তদন্তের দাবিতে হল প্রভোস্ট বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন। হল প্রশাসন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত

নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের