ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ
নভেম্বরের শুরুতেই স্কুল-কলেজে টানা ৩ দিনের ছুটি!
২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করতে চায় কারিগরি বোর্ড
চট্টগ্রামে কমার্স কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫ আগস্ট থানা লুটের পিস্তল-গুলি উদ্ধার
শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশে প্রস্তুত মাউশি
নোবিপ্রবিতে শিক্ষক সংকট চরমে, একসঙ্গে বিদেশে গেছেন অনেকজন
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে মিলেমিশে লুটপাট
ঢাবিতে জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মেরে গেস্টরুম নিতে রুমে ডাকলেন “মোস্ট সিনিয়র”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাত্তর হলে ওয়াশরুম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে এক জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মারধর ও মানসিকভাবে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার (২০ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, একাত্তর হলের ২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী আহমেদ শাহরিয়ার নীড়কে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে হেনস্থা করেন বাংলা বিভাগের ২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ।
যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত
ভুক্তভোগী নীড় হলের গেস্টরুমের পাশের ওয়াশরুমে যাওয়ার পথে তাকে আটকান মাহফুজ। সে সময় ওয়াশরুমের ভেতরে একজন ছেলে ও কয়েকজন মেয়ে অবস্থান করছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মাহফুজ নীড়কে অন্য ওয়াশরুমে যেতে বলেন, কিন্তু সেটি তালাবদ্ধ থাকায় নীড় ফিরে এসে জরুরি ভিত্তিতে ওয়াশরুম
ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। এরপরই তার ওপর শুরু হয় শারীরিক মারধর ও মানসিক নির্যাতন বলে অভিযোগ। অভিযোগে বলা হয়, মাহফুজ নীড়কে বলেন, “আমি সেশনে তোর বড়, আমি তোর বাপ। তুই আজকে সারারাত মুতবি না। এখানে দাঁড়ায়ে থাকবি। মূত্রথলি ফেটে গেলেও না।” এ সময় তাকে গেস্টরুমে ডাকার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এরপর পুনরায় শারীরিকভাবে আঘাত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন অভিযুক্ত। ভুক্তভোগীর ভাষ্য ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আহমেদ শাহরিয়ার নীড় জানান, রাত ১২টার দিকে গেস্টরুমের পাশের ওয়াশরুমে ঢুকতে গেলে কয়েকজন তাকে আটকান এবং ভেতরে যেতে নিষেধ করেন। তিনি ঢুকতে চাইলে তাকে ধাক্কা দিয়ে পাশের তালাবদ্ধ ওয়াশরুমের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় প্রতিবাদ করলে
তাকে মারতে মারতে দেয়ালে ধাক্কা দেওয়া হয় এবং সেশন পরিচয়ের ভিত্তিতে “সিনিয়র মানে জুনিয়রের বাপ” বলে সম্বোধন করা হয় বলে তিনি জানান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অভিযুক্ত মাহফুজের বিরুদ্ধে এর আগেও এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ ছিল, এবং সাম্প্রতিক ডাকসু নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও তার বিতর্কের কথা উল্লেখ করেন তিনি। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ রাশেদ ঘটনার আংশিক সাক্ষী হিসেবে অভিযুক্তের কিছু মন্তব্য তুলে ধরেন, যার মধ্যে গেস্টরুমে ডেকে নেওয়ার হুমকি ও সেশন-সংক্রান্ত মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানান। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া আজ সোমবার বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সুষ্ঠু বিচার ও তদন্তের দাবিতে হল প্রভোস্ট বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন। হল প্রশাসন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত
নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গেছে।
ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। এরপরই তার ওপর শুরু হয় শারীরিক মারধর ও মানসিক নির্যাতন বলে অভিযোগ। অভিযোগে বলা হয়, মাহফুজ নীড়কে বলেন, “আমি সেশনে তোর বড়, আমি তোর বাপ। তুই আজকে সারারাত মুতবি না। এখানে দাঁড়ায়ে থাকবি। মূত্রথলি ফেটে গেলেও না।” এ সময় তাকে গেস্টরুমে ডাকার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এরপর পুনরায় শারীরিকভাবে আঘাত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন অভিযুক্ত। ভুক্তভোগীর ভাষ্য ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আহমেদ শাহরিয়ার নীড় জানান, রাত ১২টার দিকে গেস্টরুমের পাশের ওয়াশরুমে ঢুকতে গেলে কয়েকজন তাকে আটকান এবং ভেতরে যেতে নিষেধ করেন। তিনি ঢুকতে চাইলে তাকে ধাক্কা দিয়ে পাশের তালাবদ্ধ ওয়াশরুমের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় প্রতিবাদ করলে
তাকে মারতে মারতে দেয়ালে ধাক্কা দেওয়া হয় এবং সেশন পরিচয়ের ভিত্তিতে “সিনিয়র মানে জুনিয়রের বাপ” বলে সম্বোধন করা হয় বলে তিনি জানান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অভিযুক্ত মাহফুজের বিরুদ্ধে এর আগেও এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ ছিল, এবং সাম্প্রতিক ডাকসু নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও তার বিতর্কের কথা উল্লেখ করেন তিনি। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ রাশেদ ঘটনার আংশিক সাক্ষী হিসেবে অভিযুক্তের কিছু মন্তব্য তুলে ধরেন, যার মধ্যে গেস্টরুমে ডেকে নেওয়ার হুমকি ও সেশন-সংক্রান্ত মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানান। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া আজ সোমবার বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সুষ্ঠু বিচার ও তদন্তের দাবিতে হল প্রভোস্ট বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন। হল প্রশাসন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত
নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গেছে।





