ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা
কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেট কাদের, কোথায় খরচ হয় বেশি?
এবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি, নাশকতার চেষ্টা বলছেন অ্যাটর্নি জেনারেল
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা
‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে সম্পর্ককে দুই দেশের সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারত একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বের যেকোনো লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।
দায়িত্ব গ্রহণের আগে কলকাতায় নেতাজি ভবন পরিদর্শন শেষে গতকাল ১১ই জুন, বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আজ ১২ই জুন, শুক্রবার সড়কপথে বেনাপোল সীমান্ত হয়ে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বর্তমান কূটনীতিক দীনেশ ত্রিবেদীর। বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক, অভিন্ন স্বপ্ন এবং সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
দীনেশ ত্রিবেদী জানান, তাঁর একমাত্র অগ্রাধিকার হবে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যকার
সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা। তিনি বলেন, “আমরা সবাই ভাই-বোন। আমি আগেই বলেছি, আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য সীমান্ত নয়, স্বপ্ন।” বাংলা ভাষায় বক্তব্যের একটি অংশে তিনি বলেন, “একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।” নতুন হাইকমিশনারের মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কেবল ভৌগোলিক সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দুই দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। আমাদের স্বপ্ন অভিন্ন। গণতন্ত্রের স্বপ্ন আমাদের সবার।” তিনি আরও বলেন, তিনি শুধু ভারতের ১৪০ কোটি
মানুষের প্রতিনিধিত্বের কথা ভাবছেন না; বরং বাংলাদেশের প্রায় ২০ কোটি মানুষকেও সেই বৃহত্তর পরিসরের অংশ হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষায়, “এই ১৬০ কোটি মানুষ, যারা আমাদের ভাই-বোন ও মা—তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” দীনেশ ত্রিবেদী আশা প্রকাশ করেন যে, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আদর্শ ও আশীর্বাদ, ভারতের জনগণের শুভকামনা এবং বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন তাঁকে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিত, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আশীর্বাদ, ভারতের মানুষের শুভ কামনা এবং বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন আমাকে সাহায্য করবে, যাতে আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারি এবং আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সফল হতে পারি। একে অপরের মঙ্গল কামনা করার চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না।” দায়িত্ব গ্রহণের আগে
কলকাতার ঐতিহাসিক নেতাজি ভবন পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সফর তাঁর জন্য অত্যন্ত আবেগঘন। কারণ তিনি ওই এলাকার কাছেই বেড়ে উঠেছেন। তিনি জানান, নেতাজি ভবন থেকে প্রায় ৪০০ গজ দূরে তাঁর শৈশবের বাড়ি ছিল এবং ছোটবেলা থেকেই নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আদর্শ ও ত্যাগের গল্প শুনে তিনি বড় হয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করি। আমরা যে মূল্যবোধগুলো ধারণ করেছি, তার জন্য নেতাজির প্রতি কৃতজ্ঞ। দায়িত্ব নেওয়ার আগে নেতাজি ভবনে এসে তাঁর কাছ থেকে প্রেরণা গ্রহণ করছি এবং সেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো ধারণ করছি, যার জন্য নেতাজি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।” দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, তিনি নেতাজির আশীর্বাদ নিয়েই এমন
একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যাচ্ছেন, যা তাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের জনগণ অর্পণ করেছেন। ভারতের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে দীনেশ ত্রিবেদী একটি ব্যতিক্রমধর্মী নাম। দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে খুব কম ক্ষেত্রেই কোনো সক্রিয় রাজনীতিককে সরাসরি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই বিবেচনায় তাঁর বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। দীনেশ ত্রিবেদী এর আগে ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন। এদিকে, বাংলাদেশে ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার
প্রণয় কুমার ভার্মাকে বেলজিয়াম এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী। বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে দেওয়া বক্তব্যে দীনেশ ত্রিবেদী স্পষ্টভাবে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, ভালোবাসা এবং সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে সীমান্তের চেয়ে মানুষের সম্পর্ক, অভিন্ন স্বপ্ন এবং যৌথ অগ্রযাত্রার বিষয়টি। ফলে তাঁর কূটনৈতিক মেয়াদে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জনমুখী ও জনগণভিত্তিক দিকগুলো আরও বেশি গুরুত্ব পেতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা। দীনেশ ত্রিবেদীর সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক পরিচিতি দিনেশ ত্রিবেদী গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। গুজরাটি দম্পতি হীরালাল ত্রিবেদী এবং উর্মিলাবেন ত্রিবেদীর ছোট ছেলে দীনেশ হিমাচল প্রদেশের বোর্ডিং স্কুল থেকে পড়াশোনার পর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ
থেকে বাণিজ্যে স্নাতক এবং টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। দীনেশ ত্রিবেদী ঝরঝরে বাংলা বলতে পারেন এবং তিনি একজন দক্ষ সেতারবাদক। দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে দুই বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কেও তার ভালো ধারণা রয়েছে। আশির দশকে তিনি কংগ্রেসে যোগ দেন, পরে জনতা দলে যুক্ত হন এবং ১৯৯০-৯৬ পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে তিনি সেই দলে যোগ দেন এবং প্রথম সাধারণ সম্পাদক হন। ২০০৯ সালে ব্যারাকপুর থেকে নির্বাচিত হয়ে মনমোহন সিং সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হন। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রীর পদ ছাড়লে তিনি রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৯ সালে নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় এবং ২০২১ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি দল ছেড়ে ৬ই মার্চ তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।
সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা। তিনি বলেন, “আমরা সবাই ভাই-বোন। আমি আগেই বলেছি, আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য সীমান্ত নয়, স্বপ্ন।” বাংলা ভাষায় বক্তব্যের একটি অংশে তিনি বলেন, “একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।” নতুন হাইকমিশনারের মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কেবল ভৌগোলিক সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দুই দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। আমাদের স্বপ্ন অভিন্ন। গণতন্ত্রের স্বপ্ন আমাদের সবার।” তিনি আরও বলেন, তিনি শুধু ভারতের ১৪০ কোটি
মানুষের প্রতিনিধিত্বের কথা ভাবছেন না; বরং বাংলাদেশের প্রায় ২০ কোটি মানুষকেও সেই বৃহত্তর পরিসরের অংশ হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষায়, “এই ১৬০ কোটি মানুষ, যারা আমাদের ভাই-বোন ও মা—তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” দীনেশ ত্রিবেদী আশা প্রকাশ করেন যে, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আদর্শ ও আশীর্বাদ, ভারতের জনগণের শুভকামনা এবং বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন তাঁকে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিত, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আশীর্বাদ, ভারতের মানুষের শুভ কামনা এবং বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন আমাকে সাহায্য করবে, যাতে আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারি এবং আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সফল হতে পারি। একে অপরের মঙ্গল কামনা করার চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না।” দায়িত্ব গ্রহণের আগে
কলকাতার ঐতিহাসিক নেতাজি ভবন পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সফর তাঁর জন্য অত্যন্ত আবেগঘন। কারণ তিনি ওই এলাকার কাছেই বেড়ে উঠেছেন। তিনি জানান, নেতাজি ভবন থেকে প্রায় ৪০০ গজ দূরে তাঁর শৈশবের বাড়ি ছিল এবং ছোটবেলা থেকেই নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আদর্শ ও ত্যাগের গল্প শুনে তিনি বড় হয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করি। আমরা যে মূল্যবোধগুলো ধারণ করেছি, তার জন্য নেতাজির প্রতি কৃতজ্ঞ। দায়িত্ব নেওয়ার আগে নেতাজি ভবনে এসে তাঁর কাছ থেকে প্রেরণা গ্রহণ করছি এবং সেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো ধারণ করছি, যার জন্য নেতাজি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।” দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, তিনি নেতাজির আশীর্বাদ নিয়েই এমন
একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যাচ্ছেন, যা তাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের জনগণ অর্পণ করেছেন। ভারতের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে দীনেশ ত্রিবেদী একটি ব্যতিক্রমধর্মী নাম। দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে খুব কম ক্ষেত্রেই কোনো সক্রিয় রাজনীতিককে সরাসরি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই বিবেচনায় তাঁর বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। দীনেশ ত্রিবেদী এর আগে ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন। এদিকে, বাংলাদেশে ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার
প্রণয় কুমার ভার্মাকে বেলজিয়াম এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী। বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে দেওয়া বক্তব্যে দীনেশ ত্রিবেদী স্পষ্টভাবে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, ভালোবাসা এবং সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে সীমান্তের চেয়ে মানুষের সম্পর্ক, অভিন্ন স্বপ্ন এবং যৌথ অগ্রযাত্রার বিষয়টি। ফলে তাঁর কূটনৈতিক মেয়াদে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জনমুখী ও জনগণভিত্তিক দিকগুলো আরও বেশি গুরুত্ব পেতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা। দীনেশ ত্রিবেদীর সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক পরিচিতি দিনেশ ত্রিবেদী গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। গুজরাটি দম্পতি হীরালাল ত্রিবেদী এবং উর্মিলাবেন ত্রিবেদীর ছোট ছেলে দীনেশ হিমাচল প্রদেশের বোর্ডিং স্কুল থেকে পড়াশোনার পর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ
থেকে বাণিজ্যে স্নাতক এবং টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। দীনেশ ত্রিবেদী ঝরঝরে বাংলা বলতে পারেন এবং তিনি একজন দক্ষ সেতারবাদক। দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে দুই বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কেও তার ভালো ধারণা রয়েছে। আশির দশকে তিনি কংগ্রেসে যোগ দেন, পরে জনতা দলে যুক্ত হন এবং ১৯৯০-৯৬ পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে তিনি সেই দলে যোগ দেন এবং প্রথম সাধারণ সম্পাদক হন। ২০০৯ সালে ব্যারাকপুর থেকে নির্বাচিত হয়ে মনমোহন সিং সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হন। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রীর পদ ছাড়লে তিনি রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৯ সালে নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় এবং ২০২১ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি দল ছেড়ে ৬ই মার্চ তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।



