ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের
‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেট কাদের, কোথায় খরচ হয় বেশি?
এবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি, নাশকতার চেষ্টা বলছেন অ্যাটর্নি জেনারেল
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা
আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা
আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেছেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার জেরে লাইসেন্স বাতিল হওয়া আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ছাড়ছেন চিকিৎসাধীন রোগীরা। শুক্রবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ১৭৬ জন রোগী চলে গেছেন।
শুক্রবার (১২ জুন) গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।
তারিকুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে যখন লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করা হয়, তখন ৪২৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে প্রায় ২৫০ জনের মতো রোগী ভর্তি আছেন। বাকিরা বিভিন্ন সময় চলে গেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী রোববারের মধ্যে আমরা আপিল সম্পন্ন করব।
এক প্রশ্নের জবাবে এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা চাইলেও এত দ্রুত রোগীদের সরিয়ে দিতে পারি না। তাই যথাসাধ্য
সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে অনেক রোগী চলে গেছে। এখন আপিলের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর সবকিছু নির্ভর করছে। গত ২৭ মে সকালে মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ। এ ঘটনায় দেওয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক না হওয়ায়’ বৃহস্পতিবার লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে অনেক রোগী চলে গেছে। এখন আপিলের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর সবকিছু নির্ভর করছে। গত ২৭ মে সকালে মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ। এ ঘটনায় দেওয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক না হওয়ায়’ বৃহস্পতিবার লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।



