ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাঁদা না পেয়ে সরকারি নিয়মের অজুহাতে চেয়ারম্যানের ওপর বিএনপি নেতাদের মব
ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তারে এনসিপি-ইনকিলাব মঞ্চে আতঙ্ক
যে দেশে ফুল নিয়ে হাঁটা বিপজ্জনক : একটা ভাঙা বাড়ি, চারটা গ্রেপ্তার, একটা প্রশ্ন
অগ্নিঝরা ৮ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর দর্শনে নারী-সমতা ও সোনার বাংলার প্রতিশ্রুতি
বিএনপির স্মৃতিশক্তি বড় অদ্ভুত, নিজের ঘোষিত সন্ত্রাসীকেই চিনতে পারে না!
মন্দিরে বোমা হামলা, পুরোহিত হাসপাতালে—সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোথায়?
৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘অগণতান্ত্রিক’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছে পাঁচটি পেশাজীবী সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করেছে, দেশে গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত পরিবেশ নেই।
ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়ে প্রকাশিত ওই যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন মোট ১,৬৭৫ জন পেশাজীবী। এর মধ্যে রয়েছেন ১৩৬ জন সাংবাদিক, ১১১ জন চিকিৎসক, ২৬২ জন প্রকৌশলী, ৪০১ জন কৃষিবিদ এবং ৭৬৫ জন আইনজীবী।
বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হতে পারে না। বরং এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রহসনে পরিণত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দেশ দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার দিকে এগিয়ে যাবে
বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাদের মতে, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। যৌথ বিবৃতিতে বর্তমান মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর— সব রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র চার দিন বাকি। এই নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ অংশ নেওয়ার অনুমতি পায়নি। বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ কয়েকটি দল ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রচার চালিয়েছে। এর আগে শেখ হাসিনাও এই নির্বাচনকে ‘অগণতান্ত্রিক’ আখ্যা দিয়ে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাদের মতে, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। যৌথ বিবৃতিতে বর্তমান মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর— সব রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র চার দিন বাকি। এই নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ অংশ নেওয়ার অনুমতি পায়নি। বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ কয়েকটি দল ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রচার চালিয়েছে। এর আগে শেখ হাসিনাও এই নির্বাচনকে ‘অগণতান্ত্রিক’ আখ্যা দিয়ে ভোট বয়কটের আহ্বান জানিয়েছিলেন।



