ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী
‘হরমুজ’ উন্মুক্ত রাখতে ঐকমত্য জিনপিং-ট্রাম্প
চীন সফরে আসছেন পুতিন, শি জিনপিং যাচ্ছেন হোয়াইট হাউসে?
ব্রিটিশ সরকারের আরেক মন্ত্রীর পদত্যাগ, আরও সংকটে স্টারমার
হান্টা ভাইরাসে আক্রান্ত ৮ জনের শরীরে অ্যান্ডিজ ভাইরাস শনাক্ত: ডব্লিউএইচও
নির্বাচনের পর বিধানসভাতেও থালাপতি ম্যাজিক, বিরোধী শিবিরে ভাঙন
লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু, দক্ষিণে ফিরছে বাস্তুচ্যুত মানুষ
লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে, যার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী নিরাপত্তা ও শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করা।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ১৬ এপ্রিল থেকে ১০ দিনের এই যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনা চালিয়ে স্থায়ী শান্তি ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লেবাননে উদযাপন শুরু হয়।
দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি হামলায় বাস্তুচ্যুত হাজারো মানুষ যানবাহনে করে নিজ নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেছেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সব পক্ষকে যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, সব পক্ষকে এটি সম্মান করতে হবে এবং এটিকে স্থায়ী শান্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে হবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে। ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ এবং এটি আঞ্চলিক যুদ্ধ থামানোর একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আলোচনার পথ খুলে দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি সফলভাবে মেনে চলা এবং এরপর স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানো নির্ভর করবে উভয় পক্ষের আন্তরিকতা ও আলোচনার অগ্রগতির উপর।
যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, সব পক্ষকে এটি সম্মান করতে হবে এবং এটিকে স্থায়ী শান্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে হবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে। ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ এবং এটি আঞ্চলিক যুদ্ধ থামানোর একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আলোচনার পথ খুলে দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি সফলভাবে মেনে চলা এবং এরপর স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানো নির্ভর করবে উভয় পক্ষের আন্তরিকতা ও আলোচনার অগ্রগতির উপর।



