বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ জুন, ২০২৬

বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ জুন, ২০২৬ |
দেশবাসীকে সচেতন হতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় বিগত দিনে বাংলাদেশ ইউয়ানকে রিজার্ভ মুদ্রার মর্যাদা দেয়। এমনকি ইউয়ান রিজার্ভ গড়ার জন্য চীন থেকে স্বল্প সুদে ইউয়ানে ঋণ নেওয়ার বিষয়েও এগিয়ে যায়। এর আগে বাংলাদেশকে জিএসওএমআইএ ও আকসা চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র চাপ দিতে থাকে। একপর্যায়ে জাপান ও ভারতকে ব্যবহার করেও সেই চাপ প্রয়োগ করা হয়। বাংলাদেশ কেবল অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগকেন্দ্রিক চুক্তির অংশে সম্মত হয়, কিন্তু ভূরাজনৈতিক ও সামরিক বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করে। অন্তর্বর্তী সরকার: স্বাভাবিক ছিল কি? অন্তর্বর্তী সরকারকে আমার কাছে স্বাভাবিক সরকার মনে হয়নি। একঝাঁক ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে এসে সরকারে অবস্থান নেন। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় ছিল,

ছাত্ররা যেখানে অরাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন করেছিল, সেখানে তারাই ক্ষমতার ভাগীদার হয়ে পড়ে। বিষয়টি মোটেও সুস্থ চিন্তার ছিল বলে মনে হয়নি। পুরো প্রক্রিয়ায় ট্রেড ডিলের নামে যে চুক্তি নির্বাচিত সরকারকে পাশ কাটিয়ে তড়িঘড়ি করে সম্পন্ন হয়েছে, তাতে সন্দেহ আরও স্পষ্ট হওয়া স্বাভাবিক। পুরোটাই অস্বাভাবিক ঘটনা বলা যায়। দেশে একদিকে ভীতিকর পরিস্থিতি বজায় রাখা, অন্যদিকে সেই ফাঁকে ট্রেড ডিলের নামে কার্যত ভূরাজনৈতিক চুক্তি সেরে ফেলা — এই দুটি বিষয় একসঙ্গে ঘটেছে। আরও বিস্তারিত পড়ুনঃ মার্কিন শুল্ক ও নিরাপত্তা চুক্তি: বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জাতীয় স্বার্থের উপর প্রভাব. যিনি এই প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে ছিলেন, তিনি ডিলটি যাতে নির্বাচিত সরকারের আমলে ভেস্তে না যায়, সেই সময়টুকু নতুন সরকারে

থেকে নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিত করে জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বড় দায়িত্ব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন। বিষয়গুলো নিয়ে সন্দেহ হওয়া যুক্তিসঙ্গত। সংশ্লিষ্ট মহলের উচিত জনগণের সামনে যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দেওয়া। শুধু “আমি জানতাম না” বা “আমার মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়নি” বললে দায় এড়ানো যায় না। কী ঘটেছিল তা উদ্ঘাটন হওয়া জরুরি। যদি কোনো কারসাজি না হয়ে থাকে, সেটাও প্রকাশ্যে আনা উচিত। ট্রেড ডিলের আড়ালে ভূরাজনৈতিক ডিল এই ভূরাজনৈতিক চুক্তিতে বাণিজ্যের চেয়ে ভূরাজনৈতিক বিষয়ই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, যা স্বাভাবিক কোনো ট্রেড ডিলে থাকার কথা নয়। জিএসওএমআইএ ও আকসা চুক্তি — যা দীর্ঘদিন ধরে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ছিল — তা এই ট্রেড ডিলের মাধ্যমে কার্যত

অর্জিত হয়ে গেছে। কাঠামো তৈরি হয়ে গেছে, বাংলাদেশকে এখন এই দুটি চুক্তিতেও যেতে হবে। আর সেটা চীনের সঙ্গে সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার বদলে উল্টো প্রভাব ফেলার সম্ভাবনাই বেশি। জিসোমিয়া ও আকসা চুক্তির বিস্তারিতঃ শেখ হাসিনা মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি এড়িয়ে দেশের স্বার্থরক্ষা করলেও বাণিজ্য চুক্তির নামে সবই মেনে নিলেন ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কার্যত একটি রাজনৈতিক দলের প্রভাব বেশি ছিল। সেই দলের সব বুদ্ধিজীবী এই ডিলকে সমর্থন করে বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের একমাত্র যুক্তি হলো — “গার্মেন্টস শিল্পের কী হতো?” তারা না বুঝে এটা করছেন বলে মনে হয় না। সচেতনভাবেই ডিলটি সমর্থন করেছেন। ১% শুল্ক ছাড়ের বিনিময়ে কী দেওয়া হলো? ডিল করে শুল্ক ২০ শতাংশের জায়গায়

১৯ শতাংশ হয়েছে — মাত্র ১ শতাংশ কমেছে। এই সামান্য ছাড়ের বিনিময়ে দেশের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি চীনের সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে হলেও যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হবে এবং জানিয়ে করতে হবে — কারণ প্রযুক্তিগতভাবে চীন NME (Non-Market Economy) ক্যাটাগরিতে পড়ে। বাংলাদেশের সব বাণিজ্য তথ্য যুক্তরাষ্ট্রকে শেয়ার করতে হবে। পারমাণবিক, ওষুধ শিল্পসহ এমন কোনো খাত নেই যেখানে আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে সব তথ্য দিয়ে আসছি না। বিনিময়ে কী পেয়েছি? উল্টো শ্রমবাজারের অজুহাত তুলে বাংলাদেশের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। চট্টগ্রামে আমদানি করা পুরোনো জাহাজকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশে ফিরে যেতে হয়েছে। এ ধরনের হস্তক্ষেপ এখন থেকে নিয়মিত দেখতে

হবে। যুক্তরাষ্ট্র এখন আহত সিংহের মতো। এই পথে যাওয়ার মূল্য বাংলাদেশকে চোকাতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর কি ফলপ্রসূ হবে? প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবেন। অনেকেই বলছেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমার মতে এই সফর কাজে আসবে না। কারণ চীন যদি বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যায়, সেটা যুক্তরাষ্ট্রকে জানানোর বাধ্যবাধকতা চীন কি সহজে মেনে নেবে? চীন বাংলাদেশের ১০০ শতাংশ পণ্যে শূন্য শুল্ক দিয়েছে। এর প্রতিদানে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ডিলের সময় কোনো কার্যকর দর-কষাকষি করতে পারেনি। এমন দেশের প্রতি চীন বড় ধরনের সহযোগিতা দেখাবে — এটা আশা করা কঠিন। গার্মেন্টস শিল্পের বাস্তবতা যুক্তরাষ্ট্রে গার্মেন্টস রপ্তানির বাজার মোট রপ্তানির ১৮-২০ শতাংশ। কিন্তু গার্মেন্টস রপ্তানির বিপরীতে বাংলাদেশকে সমপরিমাণ আমদানিও

করতে হয় ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে। রপ্তানি আদেশ পাওয়ার পর রপ্তানি এলসি লিয়েনে রেখে ব্যাক-টু-ব্যাকে বাংলাদেশ মূলত চীন থেকেই বেশি কাঁচামাল — যেমন কাপড়, সুতা, বোতাম, চেইন — আমদানি করে। ব্যাক-টু-ব্যাকে যায় ৫০-৬০ শতাংশ। যদি যুক্তরাষ্ট্রে গার্মেন্টস রপ্তানি হয় ৮ বিলিয়ন ডলার, তাহলে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার চলে যায় ব্যাক-টু-ব্যাক আমদানিতে। বাংলাদেশ মূল্য সংযোজন করে খুবই কম — ২০ শতাংশ বা তারও কম। উৎপাদন খরচ, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় মিলিয়ে গার্মেন্টস খাতে মুনাফার হার ৫ শতাংশের বেশি হয় না বলে আমার অনুমান। ৮ বিলিয়নের ৫ শতাংশ মানে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলার। এখন প্রশ্ন হলো — এই ট্রেড ডিল করার পর কি এই বাজার সত্যিই রক্ষা পেয়েছে? ডিল না করলে কি এই বাজার হারাতে হতো? এই প্রশ্ন ডিল করার আগেই তোলা উচিত ছিল। আলোচনায় যারা ছিলেন তারা এটা তুলেছিলেন কিনা জানি না। এই ট্রেড ডিলে ব্যাক-টু-ব্যাক আমদানি করতে গেলেও আগে দেখতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কোম্পানি ওই পণ্য তৈরি করে কিনা। না করলে তাদের অনুমতি নিয়ে অন্য দেশ থেকে আমদানি করতে হবে। ডিলটি পড়ে অন্তত এমনটাই মনে হয়েছে। ট্রেড ডিল করলেই শুল্ক কমানোর সুযোগ নেই — নির্দিষ্ট শর্ত মানতে হবে। এমনকি গার্মেন্টস কারখানা করতে গেলেও আগে তাদের কাছ থেকে যন্ত্রপাতি কিনতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সুবিধা পেতে যেসব শর্ত রয়েছে, সেগুলোর কোনোটাই বাংলাদেশের পক্ষে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করতে গেলে উৎপাদন খরচ আরও বাড়বে। সম্ভবত যে ৫ শতাংশ মুনাফা থাকত, তা-ও হারানোর দশা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের যন্ত্রপাতি দিয়ে কারখানা করলে স্থায়ী খরচও বাড়বে। ফলে বাংলাদেশের পণ্যের যতটুকু প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা আছে, তা-ও থাকবে না। আর যদি যুক্তরাষ্ট্র কখনো সফট পাওয়ারের অংশ হিসেবে ডিলের বিভিন্ন শর্ত চাপ দিয়ে প্রয়োগ করে, তাহলে বাংলাদেশের সামনে দুর্দিন নেমে আসবে। অথচ বিভিন্ন টকশোতে এবং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ধারার লেখকদের কলমে এই ডিলের হাজারো সুবিধার কথা শুনছি। মনে রাখা দরকার, এই ডিলে গার্মেন্টস শিল্পেও তাৎক্ষণিক সুবিধার কোনো সুযোগ নেই। বরং ভবিষ্যতেও গার্মেন্টস শিল্প ভূরাজনীতির হাতিয়ার হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে এই চুক্তির কারণে দেশের কার্যত সব শিল্প এক জিম্মি পরিস্থিতিতে পড়বে। এর বহুমাত্রিক প্রভাবে বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সফট পাওয়ারের কাছে আরও নতি স্বীকার করতে হবে। দেশ হিসেবে শক্ত ভিত্তিতে দাঁড়ানোর পথ কঠিন হয়ে পড়বে। ইতিমধ্যে প্রচুর গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে। অন্যান্য শিল্পও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। আইএমএফ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মিস হয়ে যাওয়া সুযোগগুলো বিগত সরকারের আমলে বাংলাদেশ RCEP-এ যোগ দেয়নি। ব্রিকসের নেতৃত্বে থেকেও ভারতের কারণে পিছিয়ে থেকেছে বা ধীরে চলো নীতিতে চলেছে। এরা কেউ ভবিষ্যৎমুখী পরিকল্পনা করেনি। বর্তমান নিয়েই ব্যস্ত ছিল। এর ফল দেশকে চরমভাবে ভুগাবে। ডলার নির্ভরতা ও ঝুঁকি আমরা রিজার্ভ রাখি মার্কিন ডলারে। পুরো অর্থই থাকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেমে, যা থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার নিজেই ঋণ নেয় এবং সামান্য সুদ দেয়। ইরান ডলারে যতটুকু রিজার্ভ রেখেছিল, তা এখন তাদের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। ইরানের জমাটবাঁধা সম্পদ ভেঙে এখন আমেরিকা উপসাগরীয় দেশগুলোর যুদ্ধক্ষতি মেটাতে চাইছে। এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রুশ জমাটবাঁধা সম্পদ ভেঙে ইউক্রেনকে ক্ষতিপূরণ ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল। সামনে কী করণীয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব থেকে বের হওয়ার দীর্ঘমেয়াদি নীতি না নিলে এবং চীনকে পাশে রাখার মতো সম্পর্ক বজায় না রাখলে, বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের বড় হাতিয়ার হিসেবে এই ভূখণ্ড ব্যবহৃত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নাক গলানোর পরিণতি কেমন হয়, সারা বিশ্বে তার উদাহরণ ভূরি ভূরি। এই দেশের বুদ্ধিজীবী সমাজের একটি অংশকে এখন ভূমিকা রাখতে হবে। রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে পরস্পরকে আঘাত করা বন্ধ করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রশ্নে “বাংলাদেশ প্রথম” নীতি নিতে হবে। বাংলাদেশ শক্তিশালী দেশ নয়, তাই এটা রাতারাতি করা ঝুঁকিপূর্ণ। তবে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করে ধীরে ধীরে সেদিকে এগিয়ে যেতে হবে। পশ্চিমা স্বার্থরক্ষাকারীদের আদর্শিকভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। দেশ সবার আগে। রাজনীতি নয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ বিনা খরচে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে? কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা তিন ফিফটিতে তিনশ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ বাংলাদেশের কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২ পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর… ‘রাজনীতির রিখটার স্কেলে ৮-৯ মাত্রার ভূমিকম্প হবে’— সাদ্দাম হোসেন সব দোষ একজনের ওপর চাপিয়ে দায় এড়ানো যাবে না: ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে নঈম নিজাম