ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
৪৮০০ মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার দাবি শুভেন্দুর
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তি সম্পাদন করা ওয়াশিংটনের জন্য সবচেয়ে বড় জাতীয় স্বার্থের বিষয়। সোমবার (৮ জুন) রাতে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রচুর অভিন্ন স্বার্থ থাকলেও, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুই দেশের স্বার্থের ভিন্নতা বা সংঘাত রয়েছে।
ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স উল্লেখে করেন, গত কয়েক মাস এবং বিশেষ করে বিগত দেড় বছরের নানা ঘটনাক্রমের পর এখন এমন একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে মার্কিন প্রশাসন বিশ্বাস করে যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সঠিক
বলে সমর্থন জানান তিনি। ইসরাইলের সম্ভাব্য আপত্তির বিষয়ে খোলামেলা বক্তব্য রেখে ভ্যান্স বলেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিটি ইসরাইল পছন্দ করতেও পারে, আবার নাও করতে পারে। তবে কৌশলগত অবস্থান থেকে মার্কিন প্রশাসন মনে করে, এই চুক্তিটি মূলত আমেরিকার নিজস্ব স্বার্থ ও সুরক্ষার জন্য সবচেয়ে বেশি মঙ্গলজনক। তার এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে মিত্র দেশ ইসরাইলের মনস্তাপের চেয়েও নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে বদ্ধপরিকর বর্তমান মার্কিন প্রশাসন। সূত্র: আল-জাজিরা।
বলে সমর্থন জানান তিনি। ইসরাইলের সম্ভাব্য আপত্তির বিষয়ে খোলামেলা বক্তব্য রেখে ভ্যান্স বলেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিটি ইসরাইল পছন্দ করতেও পারে, আবার নাও করতে পারে। তবে কৌশলগত অবস্থান থেকে মার্কিন প্রশাসন মনে করে, এই চুক্তিটি মূলত আমেরিকার নিজস্ব স্বার্থ ও সুরক্ষার জন্য সবচেয়ে বেশি মঙ্গলজনক। তার এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে মিত্র দেশ ইসরাইলের মনস্তাপের চেয়েও নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে বদ্ধপরিকর বর্তমান মার্কিন প্রশাসন। সূত্র: আল-জাজিরা।



