ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জনগণের ওপর বাড়তি ঋণ ও করভার চাপিয়ে বড় হচ্ছে বাজেটের আকার
১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি: চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, মিলছে না আয়-ব্যয়ের খেরোখাতা
২০২৬-২৭ বাজেট: বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম
‘সৎ লোকের শাসন’ দলের ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক এবং পরিচালনায় দুর্নীতি-জালিয়াতির আশ্রয়
বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধস: ১০ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
সংসদে ইসলামী ব্যাংক দখল সংক্রান্ত আলোচনায় মনক্ষুণ্ন ইআবা নেতা গাজী আতাউর
বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর শেয়ারে বড় পতন
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের প্রথম দিনেই কোম্পানি দুটির শেয়ারদরে বড় ধরনের পতন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, গতকাল থেকে বিএসইসির নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর বাজারের স্বাভাবিক চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে শেয়ার দুটির দর নির্ধারিত হতে শুরু করে। ফলে একদিনেই প্রায় সর্বোচ্চ পতনসীমা বা সার্কিট ব্রেকারের কাছাকাছি নেমে আসে কোম্পানি দুটির শেয়ারদর।
ফ্লোর প্রাইসের কারণে সোমবার পর্যন্ত বেক্সিমকোর শেয়ার ১১০ টাকা ১০ পয়সা এবং ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার ৩২ টাকা ৬০ পয়সায় আটকে ছিল। তবে ফ্লোর তুলে নেওয়ার পর গতকাল বেক্সিমকোর শেয়ারদর ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমে ৯৯ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে।
একই
দিনে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদর ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ২৯ টাকা ৪০ পয়সায়। এর আগে সোমবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়। বিএসইসির মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স বিভাগের সার্ভেইল্যান্স বিভাগ থেকে জারি করা ওই আদেশে একই সঙ্গে সব তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের ক্ষেত্রে প্রচলিত আপার ও লোয়ার সার্কিট ব্রেকার পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন এবং বাজারে স্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে ২০২৪ সালের ২৮শে আগস্ট জারি করা আদেশের মাধ্যমে বেক্সিমকো ও ইসলামী
ব্যাংকের শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস এবং সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ বাতিল হলো। একই সঙ্গে ২০২১ সালের ১৭ই জুন জারি করা আদেশ অনুযায়ী সব তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের ক্ষেত্রে প্রচলিত সার্কিট ব্রেকার ব্যবস্থা পুনরায় কার্যকর থাকবে। ফলে এখন থেকে বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদরও বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে নির্ধারিত সীমার মধ্যে ওঠানামা করতে পারবে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকায় এ দুই শেয়ারের স্বাভাবিক মূল্য আবিষ্কার (প্রাইস ডিসকভারি) বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। ফ্লোর তুলে দেওয়ার পর বাজার এখন প্রকৃত চাহিদা-সরবরাহের ভিত্তিতে শেয়ার দুটির মূল্য নির্ধারণ করছে, যার প্রতিফলন প্রথম দিনেই দেখা গেছে। শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন ঠেকাতে ২০২০ সালের ১৯শে মার্চ তৎকালীন বিএসইসি চেয়ারম্যান এম
খায়রুল হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন প্রথমবারের মতো ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে। পরে ২০২১ সালের জুনে তা প্রত্যাহার করা হলেও ২০২২ সালের ২৮শে জুলাই আবারও সব শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ওপর ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে অধিকাংশ কোম্পানির ক্ষেত্রে এ সীমা তুলে নেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৮শে আগস্ট বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংক ছাড়া বাকি চার কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়েছিল। নতুন আদেশের মাধ্যমে অবশিষ্ট দুই কোম্পানির ক্ষেত্রেও সেই বিধিনিষেধ তুলে নেয় নতুন কমিশন।
দিনে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদর ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ২৯ টাকা ৪০ পয়সায়। এর আগে সোমবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়। বিএসইসির মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স বিভাগের সার্ভেইল্যান্স বিভাগ থেকে জারি করা ওই আদেশে একই সঙ্গে সব তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের ক্ষেত্রে প্রচলিত আপার ও লোয়ার সার্কিট ব্রেকার পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন এবং বাজারে স্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে ২০২৪ সালের ২৮শে আগস্ট জারি করা আদেশের মাধ্যমে বেক্সিমকো ও ইসলামী
ব্যাংকের শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস এবং সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ বাতিল হলো। একই সঙ্গে ২০২১ সালের ১৭ই জুন জারি করা আদেশ অনুযায়ী সব তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের ক্ষেত্রে প্রচলিত সার্কিট ব্রেকার ব্যবস্থা পুনরায় কার্যকর থাকবে। ফলে এখন থেকে বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদরও বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে নির্ধারিত সীমার মধ্যে ওঠানামা করতে পারবে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকায় এ দুই শেয়ারের স্বাভাবিক মূল্য আবিষ্কার (প্রাইস ডিসকভারি) বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। ফ্লোর তুলে দেওয়ার পর বাজার এখন প্রকৃত চাহিদা-সরবরাহের ভিত্তিতে শেয়ার দুটির মূল্য নির্ধারণ করছে, যার প্রতিফলন প্রথম দিনেই দেখা গেছে। শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন ঠেকাতে ২০২০ সালের ১৯শে মার্চ তৎকালীন বিএসইসি চেয়ারম্যান এম
খায়রুল হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন প্রথমবারের মতো ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে। পরে ২০২১ সালের জুনে তা প্রত্যাহার করা হলেও ২০২২ সালের ২৮শে জুলাই আবারও সব শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ওপর ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে অধিকাংশ কোম্পানির ক্ষেত্রে এ সীমা তুলে নেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৮শে আগস্ট বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংক ছাড়া বাকি চার কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়েছিল। নতুন আদেশের মাধ্যমে অবশিষ্ট দুই কোম্পানির ক্ষেত্রেও সেই বিধিনিষেধ তুলে নেয় নতুন কমিশন।



