ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্বর্ণবাজারে ১৩ বছরের সবচেয়ে বড় ধস!
জুলাইয়ে অপরিবর্তিত থাকবে জ্বালানির দাম
বুধবার বন্ধ থাকবে ব্যাংক
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন
ব্যাংক নোট কেন বাতিল করা হয়?
সংকটে বিপর্যস্ত সাভারের চামড়া শিল্পনগরী: পচছে চামড়া, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা: এক বছরেই ১৪৫ কোটি ইউরোর বাজার হারাল বাংলাদেশ
বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধস: ১০ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) দেশের পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২২.২১ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ২২১ কোটি ডলারে, যা আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে পণ্য বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৮২৩ কোটি বা ১৮.২৩ বিলিয়ন ডলার।
সোমবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্য বা ব্যালেন্স অব পেমেন্ট (বিওপি)-এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
আমদানি বেড়েছে, রপ্তানি কমেছে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে দেশে মোট পণ্য আমদানি হয়েছে ৫৮.২২ বিলিয়ন ডলার বা ৫ হাজার
৮২২ কোটি ডলারের, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬.২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে আমদানি হয়েছিল ৫৪.৮০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। অন্যদিকে এ সময়ে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৬ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৫ শতাংশ কম। আমদানি ও রপ্তানির এই ব্যবধানই চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি বাড়িয়ে তুলেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী থাকায় বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্যে ক্রমশ ঘাটতিতে পড়ছে বাংলাদেশ। কাঁচামাল আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয়ও এই ঘাটতি বাড়িয়ে তুলছে বলে তারা জানাচ্ছেন। চলতি হিসাবে সামান্য ঘাটতি চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হলো নিয়মিত
লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। পক্ষান্তরে ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়। সেই বিবেচনায় উন্নয়নশীল দেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকাকে অনুকূল পরিস্থিতি হিসেবে দেখা হয়। তবে বর্তমানে দেশের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স সামান্য ঋণাত্মক অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে এপ্রিল শেষে চলতি হিসাবের ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৭ কোটি ডলার। তবে এটি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কম — তখন এ ঘাটতি ছিল ১৬৪ কোটি ডলার। সামগ্রিক লেনদেন ইতিবাচক তবে সামগ্রিক লেনদেন বা ওভারঅল ব্যালেন্সের চিত্রটি আশাব্যঞ্জক। চলতি অর্থবছরের আলোচিত সময়ে সামগ্রিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭৪ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই সূচকটি ঋণাত্মক ছিল, ঘাটতি
ছিল ৬৫ কোটি ডলার। রেমিট্যান্সে বড় প্রবৃদ্ধি প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক চিত্র দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২ হাজার ৯৩২ কোটি ডলার, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ডলার। এই হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৯.৫ শতাংশে। এফডিআই কমেছে, পোর্টফোলিও বিনিয়োগ নেতিবাচক প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই-এর ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়েছে বাংলাদেশ। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে দেশে এফডিআই এসেছিল ১৪৩ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা কমে ১১৪ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বা পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্টের পরিস্থিতি আরও নেতিবাচক। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে শেয়ারবাজারে যত বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, তার চেয়ে ১৩
কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি চলে গেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়েও এই সূচকটি ঋণাত্মক ছিল, তখন নিট বিনিয়োগ ছিল ঋণাত্মক ১২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সামগ্রিকভাবে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি করলেও রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যের ইতিবাচক অবস্থান কিছুটা স্বস্তির জায়গা রাখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
৮২২ কোটি ডলারের, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬.২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে আমদানি হয়েছিল ৫৪.৮০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। অন্যদিকে এ সময়ে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৬ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৫ শতাংশ কম। আমদানি ও রপ্তানির এই ব্যবধানই চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি বাড়িয়ে তুলেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী থাকায় বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্যে ক্রমশ ঘাটতিতে পড়ছে বাংলাদেশ। কাঁচামাল আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয়ও এই ঘাটতি বাড়িয়ে তুলছে বলে তারা জানাচ্ছেন। চলতি হিসাবে সামান্য ঘাটতি চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হলো নিয়মিত
লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। পক্ষান্তরে ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়। সেই বিবেচনায় উন্নয়নশীল দেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকাকে অনুকূল পরিস্থিতি হিসেবে দেখা হয়। তবে বর্তমানে দেশের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স সামান্য ঋণাত্মক অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে এপ্রিল শেষে চলতি হিসাবের ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৭ কোটি ডলার। তবে এটি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কম — তখন এ ঘাটতি ছিল ১৬৪ কোটি ডলার। সামগ্রিক লেনদেন ইতিবাচক তবে সামগ্রিক লেনদেন বা ওভারঅল ব্যালেন্সের চিত্রটি আশাব্যঞ্জক। চলতি অর্থবছরের আলোচিত সময়ে সামগ্রিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭৪ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই সূচকটি ঋণাত্মক ছিল, ঘাটতি
ছিল ৬৫ কোটি ডলার। রেমিট্যান্সে বড় প্রবৃদ্ধি প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক চিত্র দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২ হাজার ৯৩২ কোটি ডলার, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ডলার। এই হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৯.৫ শতাংশে। এফডিআই কমেছে, পোর্টফোলিও বিনিয়োগ নেতিবাচক প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই-এর ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়েছে বাংলাদেশ। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে দেশে এফডিআই এসেছিল ১৪৩ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা কমে ১১৪ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বা পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্টের পরিস্থিতি আরও নেতিবাচক। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে শেয়ারবাজারে যত বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, তার চেয়ে ১৩
কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি চলে গেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়েও এই সূচকটি ঋণাত্মক ছিল, তখন নিট বিনিয়োগ ছিল ঋণাত্মক ১২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সামগ্রিকভাবে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি করলেও রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যের ইতিবাচক অবস্থান কিছুটা স্বস্তির জায়গা রাখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



