ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর…
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
ইন্টারন্যাশনাল লিগ অ্যাগেইনস্ট আরবিট্রারি ডিটেনশন (আইএলএএডি) এবং জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) যৌথভাবে জাতিসংঘের নির্বিচারে আটক বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের (ডব্লিউজিএডি) কাছে একটি জরুরি আবেদন দাখিল করেছে।
আবেদনে নোয়াখালীতে একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পর ৪৯ জনকে — যাদের মধ্যে ১৭ জন শিশু রয়েছে — নির্বিচারে আটক করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
গত ৫ই জুন নোয়াখালী সদর উপজেলার বাধারহাট বাজার এলাকায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। সংবিধান স্বীকৃত এই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের অভিযোগে সন্ধ্যা ৯টার দিকে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মীরা মাইজদী শহরের পৌর বাজার এলাকা থেকে ১৮ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে — যাদের মধ্যে
১৭ জনই শিশু। পরবর্তীতে ৫ই জুন রাত থেকে ৬ জুন ভোর পর্যন্ত পুলিশ ইউজবালিয়া, কালাদরাপ ও নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। সর্বমোট ৪৯ জনকে শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অংশগ্রহণ বা সমাবেশ প্রস্তুতির সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটকদের কারো বিরুদ্ধে সহিংসতা, ভাঙচুর বা জননিরাপত্তা বিপন্ন করার কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। আইএলএএডি ও জেএমবিএফ মনে করে, এই গ্রেপ্তারগুলো আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদের (আইসিসিপিআর) ৯, ১৯, ২১ ও ২২ অনুচ্ছেদ এবং মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার ৯ অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংগঠন দুটি জানায়, এই আটকগুলো ডব্লিউজিএডি-র সংজ্ঞা অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির নির্বিচারে আটকের আওতায় পড়ে, কারণ এগুলো সরাসরি আন্তর্জাতিকভাবে
সুরক্ষিত অধিকার চর্চার ফলশ্রুতিতে ঘটেছে। ১৭ শিশুর আটকের বিষয়টি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী — যাতে বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে সম্মতি দিয়েছে — অপ্রাপ্তবয়স্কদের আটক কেবল সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে এবং সম্ভব সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে। এই শিশুদের কোনো সহিংস কাজের জন্য নয়, বরং কেবল রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও আইনসম্মত সমাবেশে অংশগ্রহণের অভিযোগে আটক করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শিশু বিচার মানদণ্ডের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। জরুরি আবেদনে ডব্লিউজিএডি-কে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন পাঠিয়ে ৪৯ জন আটককৃতকে — বিশেষত ১৭ শিশুকে — অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে মুক্তি দেওয়া, তাদের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করা, মত প্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার পূর্ণরূপে নিশ্চিত করা এবং গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি
নিয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার আহ্বান জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
১৭ জনই শিশু। পরবর্তীতে ৫ই জুন রাত থেকে ৬ জুন ভোর পর্যন্ত পুলিশ ইউজবালিয়া, কালাদরাপ ও নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। সর্বমোট ৪৯ জনকে শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অংশগ্রহণ বা সমাবেশ প্রস্তুতির সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটকদের কারো বিরুদ্ধে সহিংসতা, ভাঙচুর বা জননিরাপত্তা বিপন্ন করার কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। আইএলএএডি ও জেএমবিএফ মনে করে, এই গ্রেপ্তারগুলো আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদের (আইসিসিপিআর) ৯, ১৯, ২১ ও ২২ অনুচ্ছেদ এবং মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার ৯ অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংগঠন দুটি জানায়, এই আটকগুলো ডব্লিউজিএডি-র সংজ্ঞা অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির নির্বিচারে আটকের আওতায় পড়ে, কারণ এগুলো সরাসরি আন্তর্জাতিকভাবে
সুরক্ষিত অধিকার চর্চার ফলশ্রুতিতে ঘটেছে। ১৭ শিশুর আটকের বিষয়টি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী — যাতে বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে সম্মতি দিয়েছে — অপ্রাপ্তবয়স্কদের আটক কেবল সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে এবং সম্ভব সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে। এই শিশুদের কোনো সহিংস কাজের জন্য নয়, বরং কেবল রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও আইনসম্মত সমাবেশে অংশগ্রহণের অভিযোগে আটক করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শিশু বিচার মানদণ্ডের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। জরুরি আবেদনে ডব্লিউজিএডি-কে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন পাঠিয়ে ৪৯ জন আটককৃতকে — বিশেষত ১৭ শিশুকে — অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে মুক্তি দেওয়া, তাদের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করা, মত প্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার পূর্ণরূপে নিশ্চিত করা এবং গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি
নিয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার আহ্বান জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।



