ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিরতিতে আনচেলত্তির যে বার্তাতে বদলে যায় ব্রাজিল, জানালেন ক্যাসেমিরো
মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ
মার্তিনেল্লির গোলে রোমাঞ্চকর জয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
পাঁচ কারণে জাপানকে হারানো কঠিন হবে ব্রাজিলের জন্য
টেকনিক নয়, টাইব্রেকারের ‘লটারি’ জিততে একটি দর্শনে বিশ্বাসী আনচেলত্তি
নেইমারকে নিয়ে রোনালদো— ‘যারা তাকে বিশ্বাস করেনি, তাদের মুখ বন্ধ করার সুযোগ এটা’
জাপান ম্যাচে ব্রাজিলিয়ানদের ‘মন বসছে না অফিসের টেবিলে’
সাকিবকে দেশে এনে অবসরে যেতে বাধ্য করতে চেয়েছিলো আসিফ মাহমুদ
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান-কে দেশে ফিরিয়ে এনে একটি ম্যাচের মাধ্যমে অবসরে যেতে বাধ্য করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া। তবে তার অভিযোগ, সাকিব সেই সুযোগ গ্রহণ না করে রাজনীতিকে বেছে নিয়েছেন।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করেছি সাকিবকে দেশে এনে একটি ম্যাচের মাধ্যমে অবসর দেওয়ার। কিন্তু সে সেই পথ না নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতিকে বেছে নিয়েছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, সরকার পক্ষ থেকে সাকিবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও চলমান বিতর্কের কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি।
অন্যদিকে সাকিব আল হাসানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে
ভিন্নধর্মী আলোচনা রয়েছে। ক্ষমতাসীন ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে তার অবস্থান নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর মতে, সাকিব রাজনৈতিক চাপ ও প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। দলটির সমর্থক মহলে দাবি করা হচ্ছে, রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে তাকে নানা চাপের মুখে পড়তে হয়েছে এবং তার ক্যারিয়ার নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করা হয়েছিল। তবুও তিনি দলীয় অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াননি এবং বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের পক্ষে সরব থেকেছেন। যা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নেতাকর্মীদের দাবি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রত্ন চিনতে ভুল করেননি। বিশ্লেষকদের মতে, সাকিব আল হাসানের বিদায় ইস্যু এখন কেবল ক্রীড়াঙ্গনে সীমাবদ্ধ নেই; এটি রাজনৈতিক বিতর্কের অংশে পরিণত
হয়েছে। ফলে দেশের ক্রীড়া ও রাজনীতির সংযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ভিন্নধর্মী আলোচনা রয়েছে। ক্ষমতাসীন ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে তার অবস্থান নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর মতে, সাকিব রাজনৈতিক চাপ ও প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। দলটির সমর্থক মহলে দাবি করা হচ্ছে, রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে তাকে নানা চাপের মুখে পড়তে হয়েছে এবং তার ক্যারিয়ার নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করা হয়েছিল। তবুও তিনি দলীয় অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াননি এবং বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের পক্ষে সরব থেকেছেন। যা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নেতাকর্মীদের দাবি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রত্ন চিনতে ভুল করেননি। বিশ্লেষকদের মতে, সাকিব আল হাসানের বিদায় ইস্যু এখন কেবল ক্রীড়াঙ্গনে সীমাবদ্ধ নেই; এটি রাজনৈতিক বিতর্কের অংশে পরিণত
হয়েছে। ফলে দেশের ক্রীড়া ও রাজনীতির সংযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।



