ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ
মার্তিনেল্লির গোলে রোমাঞ্চকর জয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
পাঁচ কারণে জাপানকে হারানো কঠিন হবে ব্রাজিলের জন্য
টেকনিক নয়, টাইব্রেকারের ‘লটারি’ জিততে একটি দর্শনে বিশ্বাসী আনচেলত্তি
নেইমারকে নিয়ে রোনালদো— ‘যারা তাকে বিশ্বাস করেনি, তাদের মুখ বন্ধ করার সুযোগ এটা’
জাপান ম্যাচে ব্রাজিলিয়ানদের ‘মন বসছে না অফিসের টেবিলে’
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩ কোটি টাকা দিলেন নেইমার
বিরতিতে আনচেলত্তির যে বার্তাতে বদলে যায় ব্রাজিল, জানালেন ক্যাসেমিরো
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছিল হতাশায়। বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকেও বিরতিতে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। তবে ড্রেসিংরুমে কোচ কার্লো আনচেলত্তির শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী বার্তাই বদলে দেয় ম্যাচের মোড়। এমনটাই জানিয়েছেন দলের অধিনায়ক ও মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো।
হিউস্টনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধে সমতাসূচক গোল করেন ক্যাসেমিরো, আর যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির জয়সূচক গোলে নাটকীয় জয় পায় সেলেসাওরা।
ম্যাচ শেষে ক্যাসেমিরো বলেন, প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকলেও বিরতিতে ড্রেসিংরুমে কোনো ধরনের চাপ বা উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হতে দেননি আনচেলত্তি। বরং তিনি সবাইকে শান্ত থাকার এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে
থাকার নির্দেশ দেন। ব্রাজিল অধিনায়কের মতে, পুরো ম্যাচেই বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের দখলে। প্রথমার্ধে জাপান কার্যত একটি উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করেছিল এবং সেটিকেই গোলে পরিণত করে। তবে সেই গোল দলের আত্মবিশ্বাসে কোনো প্রভাব ফেলতে দেননি কোচ। তিনি খেলোয়াড়দের মনে করিয়ে দেন, প্রতিপক্ষের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, সেটি ধরে রাখতে পারলেই সুযোগ আসবে এবং গোলও হবে। ক্যাসেমিরো জানান, আনচেলত্তির সেই বার্তাই দ্বিতীয়ার্ধে দলের খেলায় বড় পরিবর্তন আনে। বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ব্রাজিল এবং শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত জয় তুলে নেয়। তার মতে, এই ম্যাচে দলের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল মানসিক দৃঢ়তা ও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতা। অধিনায়ক হিসেবে তিনি
বদলি খেলোয়াড়দের ভূয়সী প্রশংসাও করেন। তার ভাষায়, বড় টুর্নামেন্টে শুধু শুরুর একাদশ নয়, বেঞ্চে থাকা ফুটবলারদের অবদানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এন্দ্রিক মাঠে নেমে আক্রমণে নতুন গতি এনে দেন। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি জয়সূচক গোল করে দলের জন্য দারুণ অবদান রাখেন। পাশাপাশি তরুণ রায়ানের পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেন ক্যাসেমিরো। তার মতে, রাফিনহার অনুপস্থিতি একেবারেই অনুভব করতে দেননি তিনি। এমন পারফরম্যান্সই ব্রাজিল দলের গভীরতা ও ঐক্যের পরিচয় বহন করে। ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ব্রাজিলের জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে সানোর গোলে এগিয়ে যায় জাপান। তবে বিরতির পর পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতাসূচক গোল করেন ক্যাসেমিরো। এরপর একের পর এক আক্রমণে জাপানের রক্ষণে চাপ
সৃষ্টি করতে থাকে ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে মার্টিনেল্লির গোলেই নিশ্চিত হয় ২-১ ব্যবধানের জয় এবং শেষ ষোলোর টিকিট। এখন নকআউট পর্বে প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় রয়েছে ব্রাজিল। নরওয়ে ও আইভরি কোস্টের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে আনচেলত্তির শিষ্যরা। আগামী রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় অনুষ্ঠিত হবে শেষ ষোলোর সেই লড়াই, যেখানে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করাই থাকবে ব্রাজিলের লক্ষ্য।
থাকার নির্দেশ দেন। ব্রাজিল অধিনায়কের মতে, পুরো ম্যাচেই বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের দখলে। প্রথমার্ধে জাপান কার্যত একটি উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করেছিল এবং সেটিকেই গোলে পরিণত করে। তবে সেই গোল দলের আত্মবিশ্বাসে কোনো প্রভাব ফেলতে দেননি কোচ। তিনি খেলোয়াড়দের মনে করিয়ে দেন, প্রতিপক্ষের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, সেটি ধরে রাখতে পারলেই সুযোগ আসবে এবং গোলও হবে। ক্যাসেমিরো জানান, আনচেলত্তির সেই বার্তাই দ্বিতীয়ার্ধে দলের খেলায় বড় পরিবর্তন আনে। বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ব্রাজিল এবং শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত জয় তুলে নেয়। তার মতে, এই ম্যাচে দলের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল মানসিক দৃঢ়তা ও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতা। অধিনায়ক হিসেবে তিনি
বদলি খেলোয়াড়দের ভূয়সী প্রশংসাও করেন। তার ভাষায়, বড় টুর্নামেন্টে শুধু শুরুর একাদশ নয়, বেঞ্চে থাকা ফুটবলারদের অবদানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এন্দ্রিক মাঠে নেমে আক্রমণে নতুন গতি এনে দেন। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি জয়সূচক গোল করে দলের জন্য দারুণ অবদান রাখেন। পাশাপাশি তরুণ রায়ানের পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেন ক্যাসেমিরো। তার মতে, রাফিনহার অনুপস্থিতি একেবারেই অনুভব করতে দেননি তিনি। এমন পারফরম্যান্সই ব্রাজিল দলের গভীরতা ও ঐক্যের পরিচয় বহন করে। ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ব্রাজিলের জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে সানোর গোলে এগিয়ে যায় জাপান। তবে বিরতির পর পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতাসূচক গোল করেন ক্যাসেমিরো। এরপর একের পর এক আক্রমণে জাপানের রক্ষণে চাপ
সৃষ্টি করতে থাকে ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে মার্টিনেল্লির গোলেই নিশ্চিত হয় ২-১ ব্যবধানের জয় এবং শেষ ষোলোর টিকিট। এখন নকআউট পর্বে প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় রয়েছে ব্রাজিল। নরওয়ে ও আইভরি কোস্টের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে আনচেলত্তির শিষ্যরা। আগামী রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় অনুষ্ঠিত হবে শেষ ষোলোর সেই লড়াই, যেখানে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করাই থাকবে ব্রাজিলের লক্ষ্য।



