ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অভিষেকের ৩৫ বলের সেঞ্চুরি, পাওয়ারপ্লেতে ভারতের বিশ্বরেকর্ড
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় লঙ্কানদের রেকর্ড জয়
শান্তিতে ফুটবল ম্যাচ দেখতে স্ত্রীকে চেয়ারে বেঁধে বেসমেন্টে ফেলে রাখলেন স্বামী
অস্ট্রেলিয়াকে বড় লজ্জা উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্রুকের বিশ্বরেকর্ড বৃথা, রেকর্ডবুক তছনছ করে ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলঙ্কা
বিজেপির জোটে যোগ দিতেই ইউসুফ পাঠানকে জমি উপহার
তিনশ বলে ১৬০, টাইগাররা কি পারবে ৪১ রানে জিততে
অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মার্তিনেজ?
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পর আর্জেন্টিনা শিবিরে নেমে এসেছে গভীর হতাশা। বিশেষ করে দলের তারকা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজের একটি আবেগঘন বার্তা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি শুধু শোকই প্রকাশ করেননি, জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়েও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।
ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নভঙ্গের পর ইনস্টাগ্রামে নিজের হতাশার কথা তুলে ধরেন মার্তিনেজ।
তিনি লিখেছেন, ‘স্বপ্ন দেখেছিলাম আবার জিতব। স্বপ্ন দেখেছিলাম ট্রফিটা আর্জেন্টিনায় নিয়ে আসব এবং ইতিহাস নতুন করে লিখব।’
তবে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তুলেছে তার পোস্টের শেষাংশ। সেখানে জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনার
ইঙ্গিত দিয়ে মার্তিনেজ বলেন, ‘সত্যি বলতে, এই যন্ত্রণা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। অনেক বিষয় নিয়ে ভেবে দেখার সময় এসেছে—কীভাবে সামনে এগোনো যায় কিংবা এখন সরে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে কি না, সেটাও দেখতে হবে।’ মার্তিনেজের এই বক্তব্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে। ২০২১ সালে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকের পর থেকে তিনি শুধু গোলপোস্টের নিচেই নির্ভরতার প্রতীক ছিলেন না, ড্রেসিংরুমেও গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন। কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ জয়ের সাফল্যে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। ফাইনাল ম্যাচেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন এই গোলরক্ষক। একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে তিনি ১১টি সেভ করেন, যা ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের কোনো ফাইনালে সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড। পুরো
টুর্নামেন্টে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে সেরা গোলরক্ষকদের একজন হিসেবে আসর শেষ করেন তিনি। তবুও দলকে শিরোপা এনে দিতে না পারার আক্ষেপ স্পষ্ট তার কথায়। সমর্থকদের উদ্দেশে ক্ষমা চেয়ে মার্তিনেজ আরও লেখেন, ‘আমি সত্যি দুঃখিত। দেশের জন্য ও বন্ধুদের জন্য যা যা করা সম্ভব, তার সবটুকু আমি করেছি।’ শুধু মার্তিনেজ নন, বিশ্বকাপ ফাইনালের পর ভবিষ্যৎ নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। চুক্তির বিষয়টি শেষ করে তারপর সিদ্ধান্ত নেব। কারণ এত বড় অর্জনের পর আবার একই উচ্চতায় পৌঁছানো সম্ভব কি না, তা নিয়েও ভাবতে হবে।’ ফলে এখন আর্জেন্টিনা
ফুটবলে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে সফল এই প্রজন্ম কি নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে, নাকি বিশ্বকাপ ফাইনালের এই তিক্ত পরাজয়ই হবে একটি সোনালি অধ্যায়ের শেষ দৃশ্য? উত্তর সময়ই দেবে। তবে আপাতত বিশ্বকাপ হারার বেদনায় আচ্ছন্ন আর্জেন্টিনা, আর সমর্থকদের মনে ভর করেছে অনিশ্চয়তার ছায়া।
ইঙ্গিত দিয়ে মার্তিনেজ বলেন, ‘সত্যি বলতে, এই যন্ত্রণা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। অনেক বিষয় নিয়ে ভেবে দেখার সময় এসেছে—কীভাবে সামনে এগোনো যায় কিংবা এখন সরে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে কি না, সেটাও দেখতে হবে।’ মার্তিনেজের এই বক্তব্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে। ২০২১ সালে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকের পর থেকে তিনি শুধু গোলপোস্টের নিচেই নির্ভরতার প্রতীক ছিলেন না, ড্রেসিংরুমেও গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন। কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ জয়ের সাফল্যে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। ফাইনাল ম্যাচেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন এই গোলরক্ষক। একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে তিনি ১১টি সেভ করেন, যা ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের কোনো ফাইনালে সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড। পুরো
টুর্নামেন্টে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে সেরা গোলরক্ষকদের একজন হিসেবে আসর শেষ করেন তিনি। তবুও দলকে শিরোপা এনে দিতে না পারার আক্ষেপ স্পষ্ট তার কথায়। সমর্থকদের উদ্দেশে ক্ষমা চেয়ে মার্তিনেজ আরও লেখেন, ‘আমি সত্যি দুঃখিত। দেশের জন্য ও বন্ধুদের জন্য যা যা করা সম্ভব, তার সবটুকু আমি করেছি।’ শুধু মার্তিনেজ নন, বিশ্বকাপ ফাইনালের পর ভবিষ্যৎ নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। চুক্তির বিষয়টি শেষ করে তারপর সিদ্ধান্ত নেব। কারণ এত বড় অর্জনের পর আবার একই উচ্চতায় পৌঁছানো সম্ভব কি না, তা নিয়েও ভাবতে হবে।’ ফলে এখন আর্জেন্টিনা
ফুটবলে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে সফল এই প্রজন্ম কি নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে, নাকি বিশ্বকাপ ফাইনালের এই তিক্ত পরাজয়ই হবে একটি সোনালি অধ্যায়ের শেষ দৃশ্য? উত্তর সময়ই দেবে। তবে আপাতত বিশ্বকাপ হারার বেদনায় আচ্ছন্ন আর্জেন্টিনা, আর সমর্থকদের মনে ভর করেছে অনিশ্চয়তার ছায়া।





