ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মার্তিনেজ?
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণ
মাদ্রিদে পৌঁছাল বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দল
বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরেছে স্পেন
জিদান থেকে এনজো ফার্নান্দেজ—বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখেছেন কারা
ফাতিমার কাছে না ছিল পাসপোর্ট-ভিসার ঠিকঠাক ব্যবস্থা, না ছিল হাতে টাকা
ফাইনাল শোচনীয় হারের পর নিজ দেশি পুলিশের সাথেও সংঘর্ষে জড়াল আর্জেন্টাইনরা
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষের অনভিপ্রেত নাটকে কাঠগড়ায় আর্জেন্টিনা
মাঠে ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে হার-জিত থাকেই, কিন্তু খেলার অন্তিমে এসে জয়ের আনন্দ বা পরাজয়ের যন্ত্রণা কীভাবে সামলাতে হয়—তা যেন একেবারেই ভুলে বসলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। বিশ্বজয়ের উৎসবে যখন স্প্যানিশরা মাতোয়ারা, ঠিক তখনই নিউ জার্সির মাঠকে এক অনাকাঙ্ক্ষিত রণক্ষেত্রে পরিণত করল আলবিসেলেস্তেরা। অতিরিক্ত সময়ের ১-০ গোলের হারে শিরোপা হাতছাড়া করার পর ক্ষোভ সামলাতে না পেরে পরিস্থিতি অনিয়ন্ত্রিত করে তোলেন লিয়েন্দ্রো পারেদেসরা। আর সেই বিশৃঙ্খলার দায়ে এখন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা’র তদন্তের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।
সংবাদসূত্রে জানা গেছে, ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলারদের উদযাপনের মাঝেই তর্কে জড়ান বদলি হিসেবে নামা আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়েন্দ্রো পারেদেস। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই তিনি সব সৌজন্যের
সীমা অতিক্রম করেন। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরে তাকে জোরপূর্বক মাটিতে আছড়ে ফেলেন পারেদেস। সেখানে বাধা দিতে আসা বার্সেলোনা তারকা গাভিকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে মারতে থাকেন তিনি। মাঠে এমন আক্রমণাত্মক ও অসংলগ্ন আচরণের ফলেই পরিস্থিতি মুহূর্তে হাতাহাতিতে রূপ নেয়, যেখানে দুই দলের অন্য খেলোয়াড়দের জড়াতে হয়। পুরো ম্যাচজুড়েই আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের মেজাজ ছিল তুঙ্গে। পাউ কুবার্সিকে বাজেভাবে ফাউল করে আগেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছিলেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। পুরো ম্যাচে হাফ ডজন হলুদ কার্ডের ভারে জর্জরিত থাকা আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের গ্লানি মেনে নিতে না পেরে যে আচরণ দেখাল, তা বিশ্বমঞ্চের ফাইনালের মতো জায়গার স্পিরিটের সঙ্গে একেবারেই বেমানান। এই পুরো কান্ডে পারেদেসকে
লাল কার্ড দেখতে হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তারক্ষীদের বড় বেগ পেতে হয়। বিশ্বকাপের মহা-ফাইনালে এমন অনভিপ্রেত ঘটনার মূল উস্কানিদাতা হিসেবে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণকেই দায়ী করা হচ্ছে। ফিফা ইতিমধ্যেই তাদের শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিষয়ক তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে। বিশ্বমঞ্চে ফুটবলীয় শালীনতা ক্ষুণ্ন করায় শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের কত বড় শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
সীমা অতিক্রম করেন। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরে তাকে জোরপূর্বক মাটিতে আছড়ে ফেলেন পারেদেস। সেখানে বাধা দিতে আসা বার্সেলোনা তারকা গাভিকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে মারতে থাকেন তিনি। মাঠে এমন আক্রমণাত্মক ও অসংলগ্ন আচরণের ফলেই পরিস্থিতি মুহূর্তে হাতাহাতিতে রূপ নেয়, যেখানে দুই দলের অন্য খেলোয়াড়দের জড়াতে হয়। পুরো ম্যাচজুড়েই আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের মেজাজ ছিল তুঙ্গে। পাউ কুবার্সিকে বাজেভাবে ফাউল করে আগেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছিলেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। পুরো ম্যাচে হাফ ডজন হলুদ কার্ডের ভারে জর্জরিত থাকা আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের গ্লানি মেনে নিতে না পেরে যে আচরণ দেখাল, তা বিশ্বমঞ্চের ফাইনালের মতো জায়গার স্পিরিটের সঙ্গে একেবারেই বেমানান। এই পুরো কান্ডে পারেদেসকে
লাল কার্ড দেখতে হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তারক্ষীদের বড় বেগ পেতে হয়। বিশ্বকাপের মহা-ফাইনালে এমন অনভিপ্রেত ঘটনার মূল উস্কানিদাতা হিসেবে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণকেই দায়ী করা হচ্ছে। ফিফা ইতিমধ্যেই তাদের শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিষয়ক তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে। বিশ্বমঞ্চে ফুটবলীয় শালীনতা ক্ষুণ্ন করায় শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের কত বড় শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।



